সোমবার সেন্ট মার্টিন সমুদ্রে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ ঢাকার আহছানউল্লাহ
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার ছাত্রের কাউকে জীবিত পাওয়া যায়নি।
সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত একে একে তাদের সবার লাশ উদ্ধার করা
হয়েছে। লাশগুলো শাহরিয়ার ইসলাম ওরফে নোমান, গোলাম রহিম, ইশতিয়াক বিন মাহমুদ
ও সাব্বির হাসানের বলে শনাক্ত করেছে পুলিশ, কোস্টগার্ড সদস্য ও নোমানের
বন্ধুরা।

আজ
বুধবার সকালে সেন্ট মার্টিনের উত্তর সৈকতের পুলিশ ফাঁড়ির পেছন থেকে
নোমানের লাশ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, সকাল ৯টায় উত্তর সৈকতের পুলিশ
ফাঁড়ির পেছনে স্থানীয় লোকজন ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশ ও
কোস্টগার্ডকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ও কোস্টগার্ড সদস্য লাশটি উদ্ধার করে
নিখোঁজ ছাত্র শাহরিয়ার ইসলাম নোমানের লাশ বলে শনাক্ত করেন। সেন্ট মার্টিন
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আমিন সাংবাদিকদের জানান, টেকনাফ থেকে
কক্সবাজারে চলে যাওয়া শিক্ষার্থীদের কাছে উদ্ধার হওয়া লাশের ছবি পাঠালে
তাঁরা লাশটি শাহরিয়ার ইসলাম নোমানের বলে শনাক্ত করেন। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত
করে সেন্ট মার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশনের কমান্ডার লে. শহিদ আল আহসান ও
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রণজিত কুমার বড়ুয়া বলেন, লাশটি
টেকনাফ নিয়ে আসা হচ্ছে। সকাল ১১ টায় সেন্টমার্টিন তীরের ৮ কিলোমিটার দূরে
গোলাম রহিম বাপ্পীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় জেলেরা কোষ্টগার্ড ও পুলিশে খবর
দেয়। পরে লাশ উদ্ধার হলে বাপ্পীর বন্ধুরা তার পরিধেয় কাপড় দেখে লাশটি
তাদের বন্ধু বাপ্পীর বলে সনাক্ত করে। সকালে প্রায় একই সময়ে ইশতিয়াক বিন
মাহমুদ ও সাব্বিরের লাশ উদ্ধার করা হয়। সেন্টমার্টিনে অবস্থানরত
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। সেন্টমার্টিন
কোষ্টগার্ডের ষ্টেশন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কাজী হারুন সাংবাদিকদের জানান
নিখোঁজ ৪ ছাত্রের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment