তেতে উঠছে রোদ। তাপের ব্যারোমিটারে পারদের
উর্ধগতি। তাপবাহে ধরাতল তেতে থাকবে টানা দুই সপ্তাহ। অসহনীয় গরম পড়বে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাষ সেটাই বলছে। গেলো রাতে আবহাওয়া অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা ছিলো।

সকালেও
তেমন একটা গরম অনুভ’ত হয়নি। সকাল সাড়ে ৯টায় ৩১ ডিগ্রি তাপমাত্রা
দেখাচ্ছিলো আবহাওয়া বিশ্লেষণ। কিন্ত দিনের পরের ভাগে তাপমাত্রা বেড়ে যাবে
আরও ৬ ডিগ্রি। ৩৭ ডিগ্রি তাপে বাংলাদেশকে তাতিয়ে রাতে ফের সহায় হবে
আবহাওয়া। ২৭ ডিগ্রি তাপমাত্রায় চৈত্রের শেষ রাতটি স্বস্তি দেবে ঠিকই কিন্ত
বৈশাখ উদযাপনে যখন প্রতিটি বাঙালি সাজবে রঙিন সাজে, নানা আয়োজনে মেতে উঠতে
থাকবে, ততই তেতে উঠতে থাকবে সূর্য। তাপের ব্যারোমিটার ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে
অবস্থান করবে বলেই জানাচ্ছে আবহাওয়া বিশ্লেষণ। সেই তাপ বাড়বে তারপর আর
পেছনে ফিরে তাকাবে না অন্তত তিন দিন। পরের দিনে ১৫ এপ্রিল ৩৯ ডিগ্রি, ১৬
এপ্রিল ৪০ ডিগ্রি আর ১৭ এপ্রিলও ৪০ ডিগ্রি অবস্থানে থেকে অসহনীয় করে তুলবে
জীবন। ১৮ এপ্রিল ফের একলাফে ৩৭ ডিগ্রিতে নেমে আসবে তাপমাত্রা। পরে ১৯
এপ্রিল ৩৯ডিগ্রিতে উঠে ধরনীকে তাতিয়ে যাবে টানা ছয় দিন। রাতের তাপমাত্রা
কিছুটা কমলেও দিনে প্রখর সূর্যের তাপে ওষ্ঠাগত হবে প্রাণ। ২৫ এপ্রিল থেকে
কমতে শুরু করবে তাপের মাত্রা। তাও এমন বেশি নয়। মাত্র এক ডিগ্রি কমে ৩৮
ডিগ্রিতে অবস্থান করবে অন্তত তিন দিন। ২৮ এপ্রিল আরও কমবে তাপমাত্রা। ওই
দিন ৩৬ ডিগ্রিতে থেকে পরের পুরো সপ্তাহটিই থাকবে ৩৫ ডিগ্রি তাপমাত্রায়।
টানা ২০ দিন কোনো বৃষ্টির পূর্বাভাস নেই।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, প্রখর তাপমাত্রার পাশাপাশি এর অব্যাহত ওঠানামা মানুষকে আরও কাতর করে দেবে। ঘরের বাইরে বের হলে রোদ থেকে রক্ষা পেতে ছাতা নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর দিনে মারাত্মক গরম, রাতে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা এই অবস্থায় চলতে থাকলে মানুষের রোগবালাইয়ের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, প্রখর তাপমাত্রার পাশাপাশি এর অব্যাহত ওঠানামা মানুষকে আরও কাতর করে দেবে। ঘরের বাইরে বের হলে রোদ থেকে রক্ষা পেতে ছাতা নিয়ে বের হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর দিনে মারাত্মক গরম, রাতে অপেক্ষাকৃত ঠান্ডা এই অবস্থায় চলতে থাকলে মানুষের রোগবালাইয়ের সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।
No comments:
Post a Comment