দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে কথা বলায় অবরুদ্ধ হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
ছাত্রলীগের সভাপতি শরীফুল ইসলাম। পরে অবশ্য মুক্ত হয়েছেন। রোববার বিকেল
তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের প্রক্টর অফিসে এ ঘটনা ঘটে। জানা
যায়, গত বুধবার বিকেলে পুরান ঢাকার রায় সাহেব বাজারের সামনে
বিশ্ববিদ্যালয়ের উল্কা-২ বাসে ওঠাকে কেন্দ্র করে জুনিয়র ও সিনিয়র দুই
শিক্ষার্থীর মধ্যে বাক বিতণ্ড ও হাতাহাতি হয়।

জুনিয়র শিক্ষার্থীর
নাম মুনির ও সিনিয়র শিক্ষার্থীর নাম রাজু। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রোববার
ছাত্রলীগ কর্মী শাকিল ঘটনার সমাধান করতে মুনিরকে মারধর করেন। পরে মুনির
বন্ধু-বান্ধব নিয়ে রাজুকে মারধর শুরু করে। এই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের
ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা ও ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাসির উদ্দীন
এসে সিনিয়র রাজুকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যায়। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা
ছাত্রলীগের সভাপতি এই ঘটনা মুল নায়ক যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক হারুন-উর-রশীদের
অনুসারী সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর রহমান খান ও জহির রায়হান আগুনের বিচার
করতে চান। এ ঘটনায় শতাধিক নেতা-কর্মী ছাত্রলীগের সভাপতি এফ এম শরীফুল
ইসলামকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করে বলেন, সভাপতি
উদ্দেশ্যমূলকভাবে গ্রুপিংয়ের কারণে দুই নেতাকে দোষারোপ করছেন। পরে দুই
সাংগঠনিক সম্পাদকের হস্তক্ষেপে সভাপতি মুক্ত হন। এ প্রসঙ্গে জবি শাখার
ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, আমাদের মধ্যে কোনো গ্রুপ নেই।
No comments:
Post a Comment