দুর্ঘটনায় কেটে যাওয়া হাত নিয়ে রাজধানীর বঙ্গবাজার এলাকা থেকে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসেন মো. ফারুক। হাত বেয়ে গলগল করে রক্ত ঝরছে আর
যন্ত্রণায় চিৎকার করছিলেন তিনি। চিকিৎসা তো দূরের কথা, হাসপাতালে ঢুকতেই
দেওয়া হয়নি তাঁকে। রোগীর স্বজনের সঙ্গে বাগিবতণ্ডা ও মারধরের জের ধরে
হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুরের প্রতিবাদে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা গতকাল
মঙ্গলবার বেলা দেড়টার দিকে হাসপাতালের মূল ফটক বন্ধ করে দিলে এই অবস্থার
সৃষ্টি হয়। তিন ঘণ্টা ফটক বন্ধ করে রাখায় রোগী নিয়ে আসা অন্তত ২০টি
অ্যাম্বুলেন্সকে ফিরে যেতে হয়েছে।

>>রক্তাক্ত
হাত নিয়ে গতকাল দুপুরে বঙ্গবাজার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে
এসেছিলেন মো. ফারুক (বাঁয়ে)। গেটের সামনে দাঁড়িয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিলেন
তিনি। কিন্তু এর আগে সংঘর্ষের জের ধরে শিক্ষানবিশ চিকিত্সকেরা জরুরি
বিভাগের ফটক বন্ধ করে দেন। বাধ্য হয়ে চিকিত্সা না নিয়েই ফিরতে হয়েছে তাঁকে<<
জরুরি
চিকিৎসার জন্য আসা অনেক রোগীকেও একইভাবে ফেরত যেতে হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি
থাকা রোগীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র জানায়, গতকাল
দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসকদের লিফটে ওঠায় ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খন্দকার
শহীদুজ্জামান মিরাজ ও তাঁর ভাই খন্দকার লেলিনকে লাঞ্ছিত করেন শিক্ষানবিশ
চিকিৎসকেরা। মিরাজের মা সেলিনা বেগম স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালের নতুন
ভবনের দশম তলায় চিকিৎসাধীন। ওই চিকিৎসকেরা এ সময় মিরাজের সঙ্গে থাকা হল
ছাত্রলীগের দুই কর্মীকে মারধর করেন বলেও অভিযোগ। খবর পেয়ে শহীদুল্লাহ হলের
ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা এসে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কয়েকটি জানালার কাচ
ভেঙে দিয়ে যান। গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে তথ্য-ছবি সংগ্রহে গেলে তাঁদের
ওপরও চড়াও হন শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা। হামলায় এটিএন নিউজের চিত্রগ্রাহক আহত
হয়েছেন এবং তাঁর ক্যামেরাটি ভাঙচুর করা হয়েছে। এরপর ফটক বন্ধ করে দেন
চিকিৎসকেরা। ছাত্রলীগ নেতা শহীদুজ্জামান মিরাজের অভিযোগ, গতকাল বেলা একটার
দিকে মাকে দেখে তিনি, তাঁর ভাই ও হলের দুই কর্মী নবম তলা থেকে নামার জন্য
লিফটে ওঠেন। সপ্তম তলায় এসে লিফটের দরজা খুললে কয়েকজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক
তাঁদের দেখে ধমক দিয়ে বলেন, ‘এটা তো ডাক্তারদের লিফট, আপনারা উঠেছেন কেন,
নামেন।’ এ নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে তাঁদের বাগিবতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে
চিকিৎসকেরা তাঁর সঙ্গে থাকা দুজনকে মারধর শুরু করেন। তিনি ও তাঁর ভাই
কোনোরকমে নিজেদের রক্ষা করেন।
মিরাজ দাবি করেন, বিষয়টি শুনে হাসপাতালের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এসে তাঁদের দুজনকে নিয়ে চিকিৎসকদের কক্ষে যান। সেখানে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা তাঁদের লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে পরিচালক তাঁদের নিয়ে চিকিৎসকদের কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন। মিরাজের দাবি, এর মধ্যেই কারা যেন এসে জরুরি বিভাগে ভাঙচুর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সোয়া একটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ২৫-৩০ জন ছাত্র লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জরুরি বিভাগের জানালার সব কাচ ভেঙে চলে যান। এর পরই শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা হাসপাতাল চত্বরে ঢোকার প্রধান ফটকটিতে তালা মেরে দেন। এরপর আর কোনো রোগীকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
বেলা পৌনে দুইটার দিকে দেখা যায়, সাদা গেঞ্জি আর সাদা লুঙ্গি পরা আবদুল খালেক (৫৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটকের সামনের ফুটপাতে বসে হাঁপাচ্ছেন। যকৃতের রোগে আক্রান্ত হয়ে ১১ দিন ধরে এই হাসপাতালে ভর্তি। গতকাল সকালে পরীক্ষার জন্য তাঁকে গ্রিন রোডের একটি হাসপাতালে পাঠান এখানকার চিকিৎসকেরা। রিকশাযোগে হাসপাতালে ফিরে দেখেন প্রধান ফটকে তালা। সামনে ভিড় করে আছে পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী, রোগী ও রোগীর স্বজনেরা। এই ডামাডোলের মধ্যে অসুস্থ খালেককে বন্ধ ফটকের পাশের ফুটপাতে বসে থাকতে হয় ফটক খোলা পর্যন্ত প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টা। বড় বড় শ্বাস নিচ্ছিলেন, মাঝে মাঝে পেট চেপে ধরে অস্ফুট স্বরে ‘আল্লারে, আল্লারে’ বলছিলেন তিনি।
ফটক বন্ধ রাখার ওই সময়ের মধ্যে রোগী নিয়ে আসা অন্তত ২০টি অ্যাম্বুলেন্সকে ফিরে যেতে হয়েছে। অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় পুরোটা সময় হাসপাতাল ফটকে বসে ছিলেন কয়েকজন বয়স্ক রোগী। গাড়ি, অটোরিকশা ও রিকশায় করে আরও অনেক রোগী এসে ঘুরে যান। রোগীর পুরুষ স্বজনেরা গ্রিলের ফটকের ওপর চড়ে টপকে যান। আর কয়েকজন নারী স্বজন ফটকের নিচের দেড় ফুট ফাঁকা দিয়ে প্রায় শুয়ে পড়ে ওপাশে যান।
বাঁ চোখে আঘাত পাওয়া শিশু নিঝুমের রক্তাক্ত চোখের চিকিৎসার জন্য স্বজনেরা উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরলেও কাজ হয়নি। শিশুটিকে অটোরিকশায় অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিষপানে অসুস্থ এক রোগীকে নিয়ে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে আসা অ্যাম্বুলেন্সকেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি হাসপাতালে। চালক নুরুজ্জামান বলেন, বিষপানের রোগীর চিকিৎসাসেবা সব হাসপাতালে দেওয়া হয় না। উপস্থিত লোকজনের পরামর্শে নুরুজ্জামান রোগীকে নিয়ে মিটফোর্ড হাসপাতালের দিকে রওনা দেন। বিকেল পৌনে চারটার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ফটকে এসে দাঁড়ায়। ভেতরে কাতরাচ্ছিলেন খিঁচুনিতে আক্রান্ত হাসপাতালেরই চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হনুফা বেগম। এ সময় পাপ্পু নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালক কংক্রিটের চাঁই দিয়ে আঘাত করে তালা ভেঙে ফেলে হনুফাকে বহনকারী গাড়িটি ভেতরে ঢোকান। এরপর আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সও ভেতরে ঢোকে। তবে চিকিৎসকেরা কাউকেই চিকিৎসা দেননি। দুটি অ্যাম্বুলেন্সকেই রোগীসহ হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তালা ভাঙার অপরাধে ফটকে থাকা আনসার সদস্যরা পাপ্পুকে মারধর করেন ও আরেকটি নতুন তালা এনে ফটকে লাগিয়ে দেন। বিকেল চারটা ১০ মিনিটে পুলিশের রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ, ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ও পুলিশ কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভাঙচুরে জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের শাস্তি নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের শাস্তির বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। এমনকি সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়েও কথা হয়নি। বিকেল চারটা ২৪ মিনিটে মেডিকেলের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়ে এসে ফটকের তালা খুলে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সমাধান হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাঁদের কাজে ফিরে গেছেন। সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘এ রকম কেউ করছে বলে আমার জানা নেই। এটা বহিরাগতরা করতে পারে। আপনারা পরে আমার কাছে আসবেন, আমি সব শুনব।’ নিজেদের ওপর হামলার বিষয়ে উপস্থিত সাংবাদিকেরা পরিচালকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে পরিচালক দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। ফলে ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে চিকিৎসকদের ভাষ্য পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি।
মিরাজ দাবি করেন, বিষয়টি শুনে হাসপাতালের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান এসে তাঁদের দুজনকে নিয়ে চিকিৎসকদের কক্ষে যান। সেখানে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা তাঁদের লাঞ্ছিত করেন। একপর্যায়ে পরিচালক তাঁদের নিয়ে চিকিৎসকদের কক্ষ থেকে বের হয়ে আসেন। মিরাজের দাবি, এর মধ্যেই কারা যেন এসে জরুরি বিভাগে ভাঙচুর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সোয়া একটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের ২৫-৩০ জন ছাত্র লাঠিসোঁটা নিয়ে এসে জরুরি বিভাগের জানালার সব কাচ ভেঙে চলে যান। এর পরই শিক্ষানবিশ চিকিৎসকেরা হাসপাতাল চত্বরে ঢোকার প্রধান ফটকটিতে তালা মেরে দেন। এরপর আর কোনো রোগীকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
বেলা পৌনে দুইটার দিকে দেখা যায়, সাদা গেঞ্জি আর সাদা লুঙ্গি পরা আবদুল খালেক (৫৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ফটকের সামনের ফুটপাতে বসে হাঁপাচ্ছেন। যকৃতের রোগে আক্রান্ত হয়ে ১১ দিন ধরে এই হাসপাতালে ভর্তি। গতকাল সকালে পরীক্ষার জন্য তাঁকে গ্রিন রোডের একটি হাসপাতালে পাঠান এখানকার চিকিৎসকেরা। রিকশাযোগে হাসপাতালে ফিরে দেখেন প্রধান ফটকে তালা। সামনে ভিড় করে আছে পুলিশ, গণমাধ্যমকর্মী, রোগী ও রোগীর স্বজনেরা। এই ডামাডোলের মধ্যে অসুস্থ খালেককে বন্ধ ফটকের পাশের ফুটপাতে বসে থাকতে হয় ফটক খোলা পর্যন্ত প্রায় পৌনে তিন ঘণ্টা। বড় বড় শ্বাস নিচ্ছিলেন, মাঝে মাঝে পেট চেপে ধরে অস্ফুট স্বরে ‘আল্লারে, আল্লারে’ বলছিলেন তিনি।
ফটক বন্ধ রাখার ওই সময়ের মধ্যে রোগী নিয়ে আসা অন্তত ২০টি অ্যাম্বুলেন্সকে ফিরে যেতে হয়েছে। অন্য কোথাও যাওয়ার জায়গা না থাকায় পুরোটা সময় হাসপাতাল ফটকে বসে ছিলেন কয়েকজন বয়স্ক রোগী। গাড়ি, অটোরিকশা ও রিকশায় করে আরও অনেক রোগী এসে ঘুরে যান। রোগীর পুরুষ স্বজনেরা গ্রিলের ফটকের ওপর চড়ে টপকে যান। আর কয়েকজন নারী স্বজন ফটকের নিচের দেড় ফুট ফাঁকা দিয়ে প্রায় শুয়ে পড়ে ওপাশে যান।
বাঁ চোখে আঘাত পাওয়া শিশু নিঝুমের রক্তাক্ত চোখের চিকিৎসার জন্য স্বজনেরা উদ্ভ্রান্তের মতো ঘুরলেও কাজ হয়নি। শিশুটিকে অটোরিকশায় অন্য হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। বিষপানে অসুস্থ এক রোগীকে নিয়ে বেলা সাড়ে তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল থেকে আসা অ্যাম্বুলেন্সকেও ঢুকতে দেওয়া হয়নি হাসপাতালে। চালক নুরুজ্জামান বলেন, বিষপানের রোগীর চিকিৎসাসেবা সব হাসপাতালে দেওয়া হয় না। উপস্থিত লোকজনের পরামর্শে নুরুজ্জামান রোগীকে নিয়ে মিটফোর্ড হাসপাতালের দিকে রওনা দেন। বিকেল পৌনে চারটার দিকে একটি অ্যাম্বুলেন্স ফটকে এসে দাঁড়ায়। ভেতরে কাতরাচ্ছিলেন খিঁচুনিতে আক্রান্ত হাসপাতালেরই চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হনুফা বেগম। এ সময় পাপ্পু নামের এক অ্যাম্বুলেন্সচালক কংক্রিটের চাঁই দিয়ে আঘাত করে তালা ভেঙে ফেলে হনুফাকে বহনকারী গাড়িটি ভেতরে ঢোকান। এরপর আরেকটি অ্যাম্বুলেন্সও ভেতরে ঢোকে। তবে চিকিৎসকেরা কাউকেই চিকিৎসা দেননি। দুটি অ্যাম্বুলেন্সকেই রোগীসহ হাসপাতাল থেকে বের করে দেওয়া হয়। তালা ভাঙার অপরাধে ফটকে থাকা আনসার সদস্যরা পাপ্পুকে মারধর করেন ও আরেকটি নতুন তালা এনে ফটকে লাগিয়ে দেন। বিকেল চারটা ১০ মিনিটে পুলিশের রমনা জোনের সহকারী কমিশনার শিবলী নোমান সাংবাদিকদের বলেন, ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, শহীদুল্লাহ হলের প্রাধ্যক্ষ, ঢাকা মেডিকেলের পরিচালক ও পুলিশ কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভাঙচুরে জড়িত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের শাস্তি নিশ্চিত করবে কর্তৃপক্ষ। তবে শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের শাস্তির বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। এমনকি সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়েও কথা হয়নি। বিকেল চারটা ২৪ মিনিটে মেডিকেলের পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়ে এসে ফটকের তালা খুলে দেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সমাধান হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাঁদের কাজে ফিরে গেছেন। সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘এ রকম কেউ করছে বলে আমার জানা নেই। এটা বহিরাগতরা করতে পারে। আপনারা পরে আমার কাছে আসবেন, আমি সব শুনব।’ নিজেদের ওপর হামলার বিষয়ে উপস্থিত সাংবাদিকেরা পরিচালকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তবে পরিচালক দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। ফলে ঘটনার সূত্রপাত সম্পর্কে চিকিৎসকদের ভাষ্য পুরোপুরি জানা সম্ভব হয়নি।
No comments:
Post a Comment