নিজের প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ
ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট’র (বিএনএফ) নাম পরিবর্তন করলেন সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী
ব্যারিস্টার নাজমূল হুদা। বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে
এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “বিএনএফ
এর নাম হবে এখন থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল এ্যালায়েন্স (বিএনএ)।” মানবাধিকার
বাস্তবায়নের মাধ্যমে সুষ্ঠু রাজনীতির ভিত্তিতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি ও
দলীয়করণ নির্মূল করা এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত সমাজ গঠণের
লক্ষ্যে কাজ করে যাবে বিএনএ, যোগ করেন নাজমূল হুদা।

নাজমুল
হুদা বলেন, দেশে একের পর এক গুম, হত্যা হচ্ছে। দেশে আইন থাকা সত্বেও দুই
প্রধান রাজনৈতিক দল একে অপরকে দুষছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশে রাজনীতিতে
পরিবর্তনের চাহিদা তৈরি হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে একটি উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। এ
প্রয়াস থেকেই আজ নিজ দলের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি আরও
বলেন, ২০১২ সালের ৬ জুন নতুন দল প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
প্রতিবন্ধকতা এসেছে। ফলে বিএনএফ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ব্যহত হয়েছে। তাই
আমরা দলের নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নাজমুল হুদা বলেন, ২০১৫ সালের ৭
জানুয়ারি দলের প্রথম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। খুব শিগগির দলের
প্রচারপত্র, গঠনতন্ত্র, নির্বাহী কমিটি, স্থায়ী কমিটি গঠন করা হবে। ওই সময়
পর্যন্ত দলকে চালিয়ে নেওয়ার জন্য একটি জাতীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা
হচ্ছে। ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দলের একটি এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা আর মহাসচিব হিসাবে
কমান্ডার এম. শহিদুল রহমান-পিএসসি (নেভি) দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়াও দলের
ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাডভোকেট ফিরোজ উদ্দিন আহম্মেদ, আবদুল্লা জিয়া,
মেজর (অব.) হাবিব, ড. জাভেদ সালাউদ্দিন এবং সামসুল আলম খান নেতৃত্ব দেবেন।
অপরদিকে দলটির যুগ্ম মহাসচিব হিসাবে মো. ফয়েজ চৌধুরী, কোষাধক্ষ মো. শামীম
আহসান, দপ্তর সম্পাদক মো. আক্কাস আলী খান, মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা জান্নাতুল
ফেরদৌস, যুব বিষয়ক সম্পাদক মেহেদী হাসান রাজু এবং ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক
হিসাবে রাখা হয়েছে সাচী আরাফাত চৌধুরীকে। আপনারা কোনো নির্বাচনে অংশ নিবেন
কিনা- এমন এক প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হুদা বলেন, আমরা ধরে নিয়েছি আগামী ৫
বছরের আগে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। তাই এই সময়ে আমরা দলকে গোছাবো। এরপর
নির্বাচনে অংশ নিব। আর যদি মধ্যবর্তী কোনো নির্বাচন হয়, তবে নির্বাচনে অংশ
না নিলেও দল গোছানোর কাজ করে যাব। দল গোছানোর জন্য আমাদের কমপক্ষে পাঁচ বছর
সময় প্রয়োজন।
পাঁচ বছর আগে কেনো নির্বাচন হবে না- এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বিএনপির সাবেক এই নেতা বলেন, যে দলটি (আওয়ামী লীগ) প্রায় শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলো তারা যেকোনো উপায়ে নির্বাচন করে যখন ক্ষমতায় আসতে পেরেছে এবং বিএনপি যেহেতু সেটা প্রতিরোধ করতে পারেনি তাই বলা যায়, আগামী ৫ বছরের আগে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। দেশে যে গুম, হত্যা হচ্ছে তা কাম্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে আইন আছে। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই হয়। তাছাড়া এখন বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশান এরশাদ ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার উচিত হবে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা। বিএনপিতে যদি আবার ডাকা হয় তবে ফিরবেন কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বিএনপিতে ফেরার প্রশ্নই আসে না। কারণ আমার নিজের একটি দল আছে। তবে ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে বিএনপি’র সঙ্গে জোটভূক্ত হওয়ার বিষয়ে মত প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া অন্য দলগুলোও বিএনএ’র সঙ্গে জোটভূক্ত হতে পারে বলে জানান নাজমুল হুদা। নতুন দল সরকারকে সহযোগীতা করবে কি-না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার যদি ভাল কাজ করে তবে অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করবো। আর যদি ভাল কাজ না করে তবে সাহায্য করার প্রশ্নই আসে না। বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আপনার দলের সমর্থন আছে কিনা জানতে চাইলে নাজমূল হুদা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সমর্থন করি না। কারণ সেখানে ভোট হয়নি। “তবে এটাও সত্য যে বিএনপি’র কিছু ভুলের কারণে সরকার নির্বাচন করতে পেরেছে। বিএনপি যদি নির্বাচনে যেত তবে অবশ্যই তারা বিজয়ী হতো।” কারণ কারচুপি করার একটা ডিগ্রি আছে। বিএনপি’র জনসমর্থন ছিল তাতে কারচুপির পরও তারা ক্ষমতায় আসতে পারতো বলে মনে করেন সাবেক এই মন্ত্রী।
পাঁচ বছর আগে কেনো নির্বাচন হবে না- এর পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বিএনপির সাবেক এই নেতা বলেন, যে দলটি (আওয়ামী লীগ) প্রায় শক্তি হারিয়ে ফেলেছিলো তারা যেকোনো উপায়ে নির্বাচন করে যখন ক্ষমতায় আসতে পেরেছে এবং বিএনপি যেহেতু সেটা প্রতিরোধ করতে পারেনি তাই বলা যায়, আগামী ৫ বছরের আগে দেশে কোনো নির্বাচন হবে না। দেশে যে গুম, হত্যা হচ্ছে তা কাম্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে আইন আছে। সরকার দ্রুত ব্যবস্থা নিলেই হয়। তাছাড়া এখন বিরোধী দলীয় নেত্রী রওশান এরশাদ ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার উচিত হবে সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বাধ্য করা। বিএনপিতে যদি আবার ডাকা হয় তবে ফিরবেন কি-না? এমন প্রশ্নের জবাবে সাবেক এ যোগাযোগ মন্ত্রী বলেন, বিএনপিতে ফেরার প্রশ্নই আসে না। কারণ আমার নিজের একটি দল আছে। তবে ভবিষ্যতে সরকার গঠন করতে বিএনপি’র সঙ্গে জোটভূক্ত হওয়ার বিষয়ে মত প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া অন্য দলগুলোও বিএনএ’র সঙ্গে জোটভূক্ত হতে পারে বলে জানান নাজমুল হুদা। নতুন দল সরকারকে সহযোগীতা করবে কি-না এমন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার যদি ভাল কাজ করে তবে অবশ্যই তাদের সহযোগিতা করবো। আর যদি ভাল কাজ না করে তবে সাহায্য করার প্রশ্নই আসে না। বিগত ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আপনার দলের সমর্থন আছে কিনা জানতে চাইলে নাজমূল হুদা বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে বিগত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সমর্থন করি না। কারণ সেখানে ভোট হয়নি। “তবে এটাও সত্য যে বিএনপি’র কিছু ভুলের কারণে সরকার নির্বাচন করতে পেরেছে। বিএনপি যদি নির্বাচনে যেত তবে অবশ্যই তারা বিজয়ী হতো।” কারণ কারচুপি করার একটা ডিগ্রি আছে। বিএনপি’র জনসমর্থন ছিল তাতে কারচুপির পরও তারা ক্ষমতায় আসতে পারতো বলে মনে করেন সাবেক এই মন্ত্রী।
No comments:
Post a Comment