জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটার খুলনার মেয়ে
শুকতারা রহমান। দীর্ঘদিন ধরেই জাতীয় দলে ব্যাটিংয়ে অবদান রেখে আসছেন।
হয়েছেন জাতীয় দলের অনেক জয়-পরাজয়ের সাক্ষী। প্রথম সুযোগটা আসে ২০১০ সালে
এশিয়ান গেমসে। এবারের এশিয়াডেও ছিলেন যথারীতি। ইনচনে পাকিস্তানের বিপক্ষে
বাংলাদেশ ফাইনালে খেলেছে। তবে শেষ মুহূর্তে বৃষ্টির বাগড়ায় হেরে গিয়ে রুপা
নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলকে। তবে শুকতারার
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট জীবনে এবারের এশিয়ান গেমসে ছিল নতুন অভিজ্ঞতা।
সেটিফাইনালে কার্টেল ওভারের লড়াই। নিজের এশিয়ান গেমসের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি
বলেন, ‘আসলে আমরা এতোদিন যে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছি তার কোনটিতে কার্টেল
ওভারের খেলা হয়নি। আমরা শ্রীলঙ্কার মতো দলকে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছিলাম।
ফাইনালে পাকিস্তান ৯৩ রান করে। আমরা যখন ব্যাট করতে নামি তার আগেই বৃষ্টিতে
খেলা বন্ধ হয়ে যায়। আমাদের জন্য ৭ ওভারে ৪৩ রানের টার্গেট ছিল। কিন্তু
আমরা জিততে পারিনি। আমি মনে করি সামনের যে কোন আন্তর্জাতিক ম্যাচে এ
অভিজ্ঞতা আমাদের বেশ কাজে আসবে। কারণ, এই পরিস্থিতিতে কিভাবে খেলতে হয় সেটি
কিছুটা হলেও বুঝতে পেরেছি।’ অন্যদিকে প্রথমবারের এশিয়ান গেমসের অভিজ্ঞতার
সঙ্গে এবারের অভিজ্ঞতার তুলনা করতে গিয়ে শুকতারা বলেন, ‘প্রথমবারেরটি ছিল
একেবারে নতুন অভিজ্ঞতা। ইনচনে সেরা বাংলাদেশ দলই খেলেছে এবারের এশিয়াডে।
ফাইনালে আত্মবিশ্বাসী ছিলাম পুরো দল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ভাগ্যবঞ্চিত হই
আমরা। শুকতারা বলেন, ‘আমি এখন ঈদের ছুটিতে খুলনায় আছি। বোর্ড ক্যাম্প ডাকলে
অথবা খেলা পড়লে ঢাকায় আসবো। বোর্ড যদি আমাদের আরও খেলার সুযোগ দেয় আর
অনুশীলনেরও সুযোগ বাড়ে তাহলে আশা করি দলটি ভবিষ্যতে অনেক ভাল করতে পারবে।

No comments:
Post a Comment