![]() |
| অনুপম সেনের ৭৫তম জন্মজয়ন্তীতে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমী থেকে তোলা ছবি l প্রথম আলো |
অনুপম
সেনের লেখার মধ্যে তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক—দুটো দিক আছে। দুটো দিকেই তিনি
সমানভাবে সফল। এ জন্য তিনি বড় পণ্ডিত, বড় মানুষ। তাঁর মধ্যে অনেক গুণের
সমাহার। বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক অনুপম সেনের ৭৫তম জন্মজয়ন্তী
উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এসব কথা বলেন। বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে এ আলোচনা সভার আয়োজন
করা হয়। অনুষ্ঠানে অনুপম সেনকে উত্তরীয় পরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তাঁর
হাতে সম্মাননা ও উপহার তুলে দেন ড. আনিসুজ্জামান। আলোচনায় আরও অংশ নেন
অধ্যাপক মাহবুবুল হক, কবি ও সাংবাদিক আবুল মোমেন, অধ্যাপক গোলাম মুস্তফা,
ফেরদৌস আরা আলীম। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন আনোয়ারা আলম।
স্মৃতিচারণা করে ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘অনুপম সেন যখন বুয়েটে শিক্ষকতা করতেন, তখন তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়। পরে ১৯৬৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। এর কিছুদিন পর আমিও যোগ দিই। তারপর আমরা বেশ কিছুকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে শিক্ষকতা করেছিলাম।’
আনিসুজ্জামান আরও বলেন ‘অনুপম সেনের লেখা ও কাজ আমার বরাবরই ভালো লাগে। তিনি একাধারে সমাজসচেতন ও পণ্ডিত ব্যক্তি। তাঁর নিরহংকারী আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘১২-১৪ বছর আগে কয়েকজন বন্ধু জন্মদিন পালন করতে চাইলে আমি মানা করেছিলাম। বলেছিলাম জন্মদিন সমাজের বিশিষ্ট মানুষদের হয়। আজকের এ আয়োজনে এসে আমার রবীন্দ্রনাথের কথা খুব মনে পড়ছে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন কালের যাত্রাধ্বনি শুনিতে কি পাও? আজ মনে হচ্ছে আমি হয়তো কালের যাত্রাধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। হাতে আর সময় নেই।’
অনুপম সেন আরও বলেন, ‘পুরো বিশ্বে এখনো কিছু লোকের হাতে আমরা জিম্মি। এই অসম বিশ্বে সমতা ফিরিয়ে আনতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারি। সবার কাছে সেই প্রত্যাশাই করছি। আমি সামান্য ব্যক্তি, কিন্তু আজ মানুষের যেই ভালোবাসা পেলাম, তাতে আমি অভিভূত।’
আবুল মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, অনুপম সেন একাধারে সমাজবিজ্ঞানী ও জীবনবাদী মানুষ। তিনি এই ভিন্ন দুটি সত্তাকে লালন করার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্মৃতিচারণা করে ড. আনিসুজ্জামান বলেন, ‘অনুপম সেন যখন বুয়েটে শিক্ষকতা করতেন, তখন তাঁর সঙ্গে আমার পরিচয়। পরে ১৯৬৯ সালে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন। এর কিছুদিন পর আমিও যোগ দিই। তারপর আমরা বেশ কিছুকাল চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একসঙ্গে শিক্ষকতা করেছিলাম।’
আনিসুজ্জামান আরও বলেন ‘অনুপম সেনের লেখা ও কাজ আমার বরাবরই ভালো লাগে। তিনি একাধারে সমাজসচেতন ও পণ্ডিত ব্যক্তি। তাঁর নিরহংকারী আচরণ আমাকে মুগ্ধ করেছে।’
অনুপম সেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘১২-১৪ বছর আগে কয়েকজন বন্ধু জন্মদিন পালন করতে চাইলে আমি মানা করেছিলাম। বলেছিলাম জন্মদিন সমাজের বিশিষ্ট মানুষদের হয়। আজকের এ আয়োজনে এসে আমার রবীন্দ্রনাথের কথা খুব মনে পড়ছে। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন কালের যাত্রাধ্বনি শুনিতে কি পাও? আজ মনে হচ্ছে আমি হয়তো কালের যাত্রাধ্বনি শুনতে পাচ্ছি। হাতে আর সময় নেই।’
অনুপম সেন আরও বলেন, ‘পুরো বিশ্বে এখনো কিছু লোকের হাতে আমরা জিম্মি। এই অসম বিশ্বে সমতা ফিরিয়ে আনতে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত যেন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে পারি। সবার কাছে সেই প্রত্যাশাই করছি। আমি সামান্য ব্যক্তি, কিন্তু আজ মানুষের যেই ভালোবাসা পেলাম, তাতে আমি অভিভূত।’
আবুল মোমেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, অনুপম সেন একাধারে সমাজবিজ্ঞানী ও জীবনবাদী মানুষ। তিনি এই ভিন্ন দুটি সত্তাকে লালন করার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন।

No comments:
Post a Comment