![]() |
| শিশু রবিউল । ছবি : সংগৃহীত |
মাছ
চুরির সন্দেহে বরগুনার তালতলীর ১১ বছরের শিশু রবিউল আউয়ালকে প্রথমে পিটিয়ে
ও পরে টর্চলাইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার
আসামি মিরাজ হোসেন আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব তথ্য
জানান।
আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুরে মিরাজকে আমতলী উপজেলা বিচারিক হাকিম বৈজন্তি বিশ্বাসের আদালতে হাজির করা হয়। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিরাজ আদালতকে জানান, ১৫ দিন আগে বাড়ির সামনের বিল থেকে তাঁর (মিরাজ) দুটি বুশনা (এক ধরনের চাঁই) চুরি হয়ে যায়। অনেক খূঁজেও তা আর পাননি। কয়েক দিন পর রবিউলের বাবা একটি বুশনা তাঁকে দেন। অন্যটি আর পাওয়া যায়নি। এতে তাঁর সন্দেহ হয়, রবিউলই মাছসহ ওই দুটি বুশনা চুরি করেছে। গত সোমবার রাত ১২টার দিকে বিলে বুশনা থেকে মাছ তুলতে গিয়ে দেখেন, বুশনায় কোনো মাছ নেই এবং আশপাশে ছোট ছোট পায়ের ছাপ। এরপর বিল থেকে পাশের রাস্তায় ওঠে দেখেন রবিউল সেখানে দাঁড়ানো। রবিউলকে দেখে মিরাজ তাকে লাঠি নিয়ে পেটাতে শুরু করলে লাঠি ভেঙে যায়। লাঠির পিটুনিতে তার বাম চোখে আঘাত লাগে। এ অবস্থায় রবিউল দৌড় দিলে মিরাজও তার পিছু নেন এবং একপর্যায়ে হাতে থাকা টর্চলাইট দিয়ে রবিউলের মাথায় আঘাত করেন। রবিউল সামনের একটি তাল গাছে আঘাত পেয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে। এরপর রবিউলকে নড়াচড়া করতে না দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। রবিউলের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে মিরাজ তার লাশ তুলে নিয়ে পাশের লখনার খালে ফেলে দেন।
আদালত সূত্র জানায়, আজ দুপুরে মিরাজকে আমতলী উপজেলা বিচারিক হাকিম বৈজন্তি বিশ্বাসের আদালতে হাজির করা হয়। স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিরাজ আদালতকে জানান, ১৫ দিন আগে বাড়ির সামনের বিল থেকে তাঁর (মিরাজ) দুটি বুশনা (এক ধরনের চাঁই) চুরি হয়ে যায়। অনেক খূঁজেও তা আর পাননি। কয়েক দিন পর রবিউলের বাবা একটি বুশনা তাঁকে দেন। অন্যটি আর পাওয়া যায়নি। এতে তাঁর সন্দেহ হয়, রবিউলই মাছসহ ওই দুটি বুশনা চুরি করেছে। গত সোমবার রাত ১২টার দিকে বিলে বুশনা থেকে মাছ তুলতে গিয়ে দেখেন, বুশনায় কোনো মাছ নেই এবং আশপাশে ছোট ছোট পায়ের ছাপ। এরপর বিল থেকে পাশের রাস্তায় ওঠে দেখেন রবিউল সেখানে দাঁড়ানো। রবিউলকে দেখে মিরাজ তাকে লাঠি নিয়ে পেটাতে শুরু করলে লাঠি ভেঙে যায়। লাঠির পিটুনিতে তার বাম চোখে আঘাত লাগে। এ অবস্থায় রবিউল দৌড় দিলে মিরাজও তার পিছু নেন এবং একপর্যায়ে হাতে থাকা টর্চলাইট দিয়ে রবিউলের মাথায় আঘাত করেন। রবিউল সামনের একটি তাল গাছে আঘাত পেয়ে মাটিয়ে লুটিয়ে পড়ে। এরপর রবিউলকে নড়াচড়া করতে না দেখে তাঁর সন্দেহ হয়। রবিউলের মৃত্যুর ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে মিরাজ তার লাশ তুলে নিয়ে পাশের লখনার খালে ফেলে দেন।
![]() |
| আসামি মিরাজ হোসেন । ছবি :প্রথম আলো |
রবিউলের
বাবা দুলাল হোসেন মৃধা প্রথম আলোকে বলেন, ‘১৫ দিন আগে ওর দুটি বুশনা
হারিয়ে গেছে বলে আমাকে বলেছিল। পরদিন আমি বাড়ির সামনের বিলে ডুবানো অবস্থায়
একটি বুশনা পেয়ে সেটা ওর (মিরাজ) বাড়ি পৌঁছে দিয়েছিলাম। কিন্তু ওই বুশনা
রবিউল চুরি করেনি। কিন্তু মিরাজের সন্দেহ রবিউলই এসব চুরি করেছে। আমার
ধারণা, ঘটনার দিন রাত নয়টার মধ্যেই রবিউলকে খুন করে মিরাজ কোথাও লুকিয়ে
রাখে। এরপর গভীর রাতে লাশ লখনার খালে ফেলে দেয়।’
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আকতার প্রথম আলোকে বলেন, ‘মূল আসামি মিরাজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জবানবন্দি দিয়েছে এবং এটা সে একাই করেছে বলে আদালতকে জানিয়েছে। এরপরও আমরা বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি।’
রবিউলের বাবা জানান, গত সোমবার রাত আটটার দিকে ঘর থেকে পাশের ঘেরের উদ্দেশে বের হয় রবিউল। পরে আর ফিরে আসেনি। খোঁজাখুঁজি করে তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছোট আমখোলা এলাকায় সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইউনুছ ফরাজীর মাছের ঘেরে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে লোকজন খবর দেন। তালতলী থানার পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আকতার প্রথম আলোকে বলেন, ‘মূল আসামি মিরাজ এ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিস্তারিত জবানবন্দি দিয়েছে এবং এটা সে একাই করেছে বলে আদালতকে জানিয়েছে। এরপরও আমরা বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখছি।’
রবিউলের বাবা জানান, গত সোমবার রাত আটটার দিকে ঘর থেকে পাশের ঘেরের উদ্দেশে বের হয় রবিউল। পরে আর ফিরে আসেনি। খোঁজাখুঁজি করে তাকে আর পাওয়া যায়নি। পরদিন মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছোট আমখোলা এলাকায় সোনাকাটা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ইউনুছ ফরাজীর মাছের ঘেরে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে লোকজন খবর দেন। তালতলী থানার পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।


No comments:
Post a Comment