![]() |
| প্রস্তাবিত সংবিধানে নারীদের অধিকার খর্ব করার অভিযোগে কয়েক মাস ধরে বিক্ষোভ করছেন দেশটির নারীরা। ছবিটি গত ২৯ জুন রাজধানী কাঠমান্ডু থেকে তোলা l এএফপি |
নেপালের
খসড়া সংবিধানটি দেশটির নারীদের ভেতরে শঙ্কা তৈরি করেছে। তাঁদের পরিচয়,
সম্পত্তিতে অধিকারসহ নানা রকম সুযোগ-সুবিধা প্রস্তাবিত এই সংবিধানে
অস্বীকার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে; যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে,
কারও প্রতি বৈষম্য করা হবে না নতুন সংবিধানে। খবর এএফপির।
দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর গত জুন মাসে খসড়া সংবিধান গ্রহণ করা হয় নেপালের পার্লামেন্টে। তবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই সংবিধান নিয়ে ইতিমধ্যে বিক্ষোভ হয়েছে, হয়েছে সংঘাত। ৪০ বছর বয়সী নেপালি নারী রামা বিস্তা মনে করেন, খসড়া সংবিধান তাঁর মতো অনেক নারীর অধিকারবঞ্চিত করার দলিলে পরিণত হয়েছে। বিস্তা একক অভিভাবক, তাঁর স্বামী বিদেশি। চার বছর ধরে দুই ছেলের নাগরিকত্ব নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সেই লড়াই নুতন সংবিধান আরও জটিল করে তুলেছে। সেখানে বলা হয়েছে, নেপালি একক নারী অভিভাবকের সন্তান নাগরিকত্ব পাবে না।
নাগরিক অধিকারকর্মীরা বলছেন, নতুন সংবিধানের ফলে কয়েক লাখ মানুষ দেশছাড়া হওয়ার উপক্রম হবে। আর এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন নারীরা। কেননা, নেপালি অনেক নারীই আছেন, যাঁরা বিদেশি বিয়ে করেছেন এবং এখন দেশে আছেন একক অভিভাবক হিসেবে।
খসড়া সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির পুরুষদের স্ত্রী বিদেশি হলেও নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে কোনো বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। আর বিদেশি স্বামীর নাগরিকত্বের আবেদন করতেই নেপালি নারীদের অন্তত ১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে।
মেয়েসন্তান সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে কি না, সে বিষয়টিও বেশ অস্পষ্ট। খসড়া সংবিধানে মেয়েদের কথা না উল্লেখ করে অস্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সব সন্তান’ সম্পত্তি পাবে। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এখানে যেভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, তাতে কেবল ছেলে ও অবিবাহিত মেয়ে সম্পত্তির মালিকানা পাবে।
দীর্ঘদিনের অচলাবস্থার পর গত জুন মাসে খসড়া সংবিধান গ্রহণ করা হয় নেপালের পার্লামেন্টে। তবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই সংবিধান নিয়ে ইতিমধ্যে বিক্ষোভ হয়েছে, হয়েছে সংঘাত। ৪০ বছর বয়সী নেপালি নারী রামা বিস্তা মনে করেন, খসড়া সংবিধান তাঁর মতো অনেক নারীর অধিকারবঞ্চিত করার দলিলে পরিণত হয়েছে। বিস্তা একক অভিভাবক, তাঁর স্বামী বিদেশি। চার বছর ধরে দুই ছেলের নাগরিকত্ব নিয়ে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সেই লড়াই নুতন সংবিধান আরও জটিল করে তুলেছে। সেখানে বলা হয়েছে, নেপালি একক নারী অভিভাবকের সন্তান নাগরিকত্ব পাবে না।
নাগরিক অধিকারকর্মীরা বলছেন, নতুন সংবিধানের ফলে কয়েক লাখ মানুষ দেশছাড়া হওয়ার উপক্রম হবে। আর এর ফলে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়বেন নারীরা। কেননা, নেপালি অনেক নারীই আছেন, যাঁরা বিদেশি বিয়ে করেছেন এবং এখন দেশে আছেন একক অভিভাবক হিসেবে।
খসড়া সংবিধান অনুযায়ী, দেশটির পুরুষদের স্ত্রী বিদেশি হলেও নাগরিকত্ব পাওয়া নিয়ে কোনো বিধিনিষেধ জারি করা হয়নি। আর বিদেশি স্বামীর নাগরিকত্বের আবেদন করতেই নেপালি নারীদের অন্তত ১৫ বছর অপেক্ষা করতে হবে।
মেয়েসন্তান সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হবে কি না, সে বিষয়টিও বেশ অস্পষ্ট। খসড়া সংবিধানে মেয়েদের কথা না উল্লেখ করে অস্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সব সন্তান’ সম্পত্তি পাবে। অধিকারকর্মীরা বলছেন, এখানে যেভাবে ব্যাখ্যা দেওয়া আছে, তাতে কেবল ছেলে ও অবিবাহিত মেয়ে সম্পত্তির মালিকানা পাবে।

No comments:
Post a Comment