![]() |
| জ্বালানি তেল মাপে কম দেয়ার অভিযোগ করছেন এই মোটরসাইকেল আরোহী। তিনি বিএসটিআই অনুমোদিত এই পাঁচ লিটার গ্যালনে অকটেন ভরে মাপতে চাইলে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়। ছবি: কমল জোহা খান |
![]() |
| গ্রাহকদের বিক্ষোভ ও অবরোধের একপর্যায়ে পাম্পের এক কর্মকর্তাকে আটক করে পুলিশ। ছবি: গোলাম মর্তুজা |
জ্বালানি
তেল বিক্রির সময় মাপে কম দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর পরিবাগে অবস্থিত মেঘনা
পেট্রোলিয়ামের পেট্রলপাম্প অবরোধ করেছেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকেরা। বিক্ষোভের
মুখে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় পাম্পের একজন
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ওই পেট্রলপাম্পে গ্রাহকদের বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়।
বেলা একটার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। তারা একপর্যায়ে তারা মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও পাম্পের ব্যবস্থাপক মাহবুব-উন নূরকে আটক করে নিয়ে যায়।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘ওই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে থানায় নেওয়া হচ্ছে।’
মোহাম্মদ আলী নামের এক গ্রাহকের অভিযোগ, মাপে তেল কম দেওয়া হচ্ছে বলে কয়েক দিন ধরে তাঁর মনে হচ্ছিল। এ কারণে আজ তিনি বিএসটিআই থেকে পাঁচ লিটার মাপের একটি পাত্র কিনে আনেন। ওই পাত্রে তেল দিতে বললে পাম্প কর্তৃপক্ষ নানা বাহানা শুরু করে। তারা প্রথমে বলে বিদ্যুৎ নেই। পরে বলে, তেল শেষ।
মিজানুর রহমান নামের একজন মোটরসাইকেল চালকের ভাষ্য, আজ ওই পাম্প থেকে তিনি তাঁর মোটরসাইকেলে এক হাজার টাকার অকটেন নেন। তেল নেওয়ার পর মোটরসাইকেলের ট্যাঙ্ক ভর্তি না হওয়ায় তাঁর সন্দেহ হয়। এ সময় তিনি পাম্পের কর্মচারীদের বিএসটিআইয়ের নির্ধারিত গ্যালনে করে পাঁচ লিটার জ্বালানি তেল দিতে বলেন। কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ এতে অপারগতা প্রকাশ করে।
মিজানুর দাবি করেন, ‘এই পাম্পে প্রতি পাঁচ লিটার জ্বালানি তেলে (পেট্রল ও অকটেন) এক লিটার করে কম দেওয়া হচ্ছে। এখন পাম্প কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ নেই, তেল নেই অজুহাতে তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে।’
একই অভিযোগ করেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরও কয়েকজন গ্রাহক।
এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল নিতে আসা অন্য গ্রাহকেরা এক হয়ে পেট্রলপাম্প অবরোধ করেন। এরপর তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
আটক হওয়ার আগে গ্রাহকদের অভিযোগের ব্যাপারে পাম্পের ব্যবস্থাপক মাহবুব-উন নূর দাবি করেন, ট্যাংকে পর্যাপ্ত তেল নেই। তেলবাহী গাড়ি আসতেও দেরি হচ্ছে। এ কারণে গ্রাহকদের জ্বালানি তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন তেল আসার পর আবার বিক্রি শুরু হবে।
মাপে কম দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘মাপের মান আমরা প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষা করি। এখন কী অবস্থায় আছে, তা পরীক্ষা করে বলতে হবে।’
আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার পর ওই পেট্রলপাম্পে গ্রাহকদের বিক্ষোভ ও অবরোধ শুরু হয়। দুপুর ১২টার দিকে পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয়।
বেলা একটার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছায়। তারা একপর্যায়ে তারা মেঘনা পেট্রোলিয়ামের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও পাম্পের ব্যবস্থাপক মাহবুব-উন নূরকে আটক করে নিয়ে যায়।
শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাহবুব তাৎক্ষণিকভাবে বলেন, ‘ওই কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে থানায় নেওয়া হচ্ছে।’
মোহাম্মদ আলী নামের এক গ্রাহকের অভিযোগ, মাপে তেল কম দেওয়া হচ্ছে বলে কয়েক দিন ধরে তাঁর মনে হচ্ছিল। এ কারণে আজ তিনি বিএসটিআই থেকে পাঁচ লিটার মাপের একটি পাত্র কিনে আনেন। ওই পাত্রে তেল দিতে বললে পাম্প কর্তৃপক্ষ নানা বাহানা শুরু করে। তারা প্রথমে বলে বিদ্যুৎ নেই। পরে বলে, তেল শেষ।
মিজানুর রহমান নামের একজন মোটরসাইকেল চালকের ভাষ্য, আজ ওই পাম্প থেকে তিনি তাঁর মোটরসাইকেলে এক হাজার টাকার অকটেন নেন। তেল নেওয়ার পর মোটরসাইকেলের ট্যাঙ্ক ভর্তি না হওয়ায় তাঁর সন্দেহ হয়। এ সময় তিনি পাম্পের কর্মচারীদের বিএসটিআইয়ের নির্ধারিত গ্যালনে করে পাঁচ লিটার জ্বালানি তেল দিতে বলেন। কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ এতে অপারগতা প্রকাশ করে।
মিজানুর দাবি করেন, ‘এই পাম্পে প্রতি পাঁচ লিটার জ্বালানি তেলে (পেট্রল ও অকটেন) এক লিটার করে কম দেওয়া হচ্ছে। এখন পাম্প কর্তৃপক্ষ বিদ্যুৎ নেই, তেল নেই অজুহাতে তেল বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে।’
একই অভিযোগ করেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া আরও কয়েকজন গ্রাহক।
এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি তেল নিতে আসা অন্য গ্রাহকেরা এক হয়ে পেট্রলপাম্প অবরোধ করেন। এরপর তেল বিক্রি বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
আটক হওয়ার আগে গ্রাহকদের অভিযোগের ব্যাপারে পাম্পের ব্যবস্থাপক মাহবুব-উন নূর দাবি করেন, ট্যাংকে পর্যাপ্ত তেল নেই। তেলবাহী গাড়ি আসতেও দেরি হচ্ছে। এ কারণে গ্রাহকদের জ্বালানি তেল দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। নতুন তেল আসার পর আবার বিক্রি শুরু হবে।
মাপে কম দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের এই কর্মকর্তার ভাষ্য, ‘মাপের মান আমরা প্রতি সপ্তাহে পরীক্ষা করি। এখন কী অবস্থায় আছে, তা পরীক্ষা করে বলতে হবে।’



No comments:
Post a Comment