রোহিঙ্গা
ইস্যুতে নীরব ভূমিকা পালন করায় মিয়ানমারের বিরোধী নেত্রী অং সান সূচির
কঠোর সমালোচনা করেছেন ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) মহাসচিব আইয়াদ আমিন
মাদানি।
আজ রোববার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, মিয়ানমারের মুসলিমদের নিজস্ব জাতিসত্ত্বাসহ সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু এক্ষেত্রে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী অং সান সূচির নীরব ভূমিকা পালন করেছেন। এটা তার মতো নেতার কাছ থেকে কখনও কাম্য নয়।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ওআইসি উদ্বিগ্ন জানিয়ে মাদানি বলেন, আমরা বিষয়টি মিয়ানমার সরকারের কাছে বারবার তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা কারো কথা শুনতে চাইছে না।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে বিষয়টি নিয়ে ওআইসি আলোচনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করছি আসিয়ানভুক্ত (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ জাতির জোট) দেশগুলো রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো সরব ভূমিকা পালন করবে।
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন ওআইসি মহাসচিব। বৈঠক সম্পর্কে মাদানি বলেন, ওআইসিকে কীভাবে আরো কার্যকর সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে। ওআইসির আগামী সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মাদানির সাথে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম উম্মার রাজনৈতিক ঐক্যে ওআইসির মূলনীতি ও এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। সদস্যভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ওআইসি মহাসচিবের সক্রিয় ভূমিকা আশা করেন মাহমুদ আলী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উদ্বেগ সম্পর্কে ওআইসিকে কার্যকর মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এসব ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ফোরামে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে।
আজ রোববার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সাথে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, মিয়ানমারের মুসলিমদের নিজস্ব জাতিসত্ত্বাসহ সব ধরনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, যা খুবই উদ্বেগের বিষয়। কিন্তু এক্ষেত্রে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নেত্রী অং সান সূচির নীরব ভূমিকা পালন করেছেন। এটা তার মতো নেতার কাছ থেকে কখনও কাম্য নয়।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে ওআইসি উদ্বিগ্ন জানিয়ে মাদানি বলেন, আমরা বিষয়টি মিয়ানমার সরকারের কাছে বারবার তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা কারো কথা শুনতে চাইছে না।
আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে বিষয়টি নিয়ে ওআইসি আলোচনা করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আশা করছি আসিয়ানভুক্ত (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০ জাতির জোট) দেশগুলো রোহিঙ্গা ইস্যুতে আরো সরব ভূমিকা পালন করবে।
এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন ওআইসি মহাসচিব। বৈঠক সম্পর্কে মাদানি বলেন, ওআইসিকে কীভাবে আরো কার্যকর সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা যায় সে বিষয়ে কথা হয়েছে। ওআইসির আগামী সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
মাদানির সাথে বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসলিম উম্মার রাজনৈতিক ঐক্যে ওআইসির মূলনীতি ও এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে সংস্থাভুক্ত দেশগুলোর সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরেন। সদস্যভুক্ত দেশগুলোর উন্নয়ন ও পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ওআইসি মহাসচিবের সক্রিয় ভূমিকা আশা করেন মাহমুদ আলী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুসলিম দেশগুলোর উদ্বেগ সম্পর্কে ওআইসিকে কার্যকর মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এসব ইস্যুতে আন্তর্জাতিক ফোরামে শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে হবে।

No comments:
Post a Comment