আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে সরকার ‘ক্রসফায়ারের নীতি’ নিয়েছে বলে
বিরোধী জোটের অভিযোগ নাকচ করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন,
বিচারবিহর্ভূত হত্যাকাণ্ড আইন পরিপন্থী। ক্রসফায়ার দিয়ে কাউকে বাগে আনা
সরকারের নীতি নয়। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সরকার সমর্থন করে না। এ ধরনের
ঘটনার তদন্ত হয়। কেউ বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটালে তার বিরুদ্ধেও
ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। অপরাধী যেই হোক ছাড় দেয়া হবে না। মুখ দেখে, দল দেখে
বিচার করা হয় না। অপরাধ করলে কেউ পার পাবে না।
আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গত কিছু দিনে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাগুলোকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়েছে। কথিত বন্দুকযুদ্ধে ঢাকায় নিহত হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়ার ভাই আদালতে র্যাবের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন।
এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এখানে কে কোন দলের, মুখ দেখে বাছা হয় না। এ সরকারের আমলে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।
তিনি বলেন, এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮০০’র মতো র্যাব সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে, এর মধ্যে পুলিশও আছে। পুলিশের প্রত্যেক গুলির ঘটনায় তদন্ত হয়। আর কার আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি করা হলো, কেন গুলি করা হলো তারও তদন্ত হয়।
তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারার বিষয়ে ইনু বলেন, ৫৭ ধারা মানবাধিকার ও মুক্তমনা চিন্তার সাথে সংঘর্ষিক নয়।
সাইবার অপরাধ দমন নিয়ে একটি আইন তৈরিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আইনটি হলে তখন ৫৭ ধারা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে।
৫৭ ধারায় জামিন না থাকার সুযোগের সমালোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনজীবীরা আংশিক সত্য কথা বলছেন। সিআরপিসিতে এমন অনেক আইন আছে জামিন অযোগ্য।
খালেদা জিয়ার ‘গণতন্ত্রের বন্ধ কপাট খুলে দিন’ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইনু বলেন, খালেদা জিয়া তো নিজেই নিজেকে গণতন্ত্রের কপাটের বাইরে নিয়ে গেছেন। গণতন্ত্রের দরজা খোলা রয়েছে। আগুন সন্ত্রাসী- নাশকতাকারীদের নিয়ে পেট্রোলবোমা ও গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে বেগম জিয়া নিজেই গণতন্ত্রের চৌকাঠের ওপারে চলে গেছেন।
আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
গত কিছু দিনে কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহতদের মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও রয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে এই ঘটনাগুলোকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করা হয়েছে। কথিত বন্দুকযুদ্ধে ঢাকায় নিহত হাজারীবাগ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি আরজু মিয়ার ভাই আদালতে র্যাবের বিরুদ্ধে মামলাও করেছেন।
এ বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এখানে কে কোন দলের, মুখ দেখে বাছা হয় না। এ সরকারের আমলে অপরাধ করে কেউ পার পাবে না।
তিনি বলেন, এসব ঘটনায় এ পর্যন্ত ৮০০’র মতো র্যাব সদস্যকে বহিষ্কার করা হয়েছে, এর মধ্যে পুলিশও আছে। পুলিশের প্রত্যেক গুলির ঘটনায় তদন্ত হয়। আর কার আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি করা হলো, কেন গুলি করা হলো তারও তদন্ত হয়।
তথ্য প্রযুক্তি আইনের বিতর্কিত ৫৭ ধারার বিষয়ে ইনু বলেন, ৫৭ ধারা মানবাধিকার ও মুক্তমনা চিন্তার সাথে সংঘর্ষিক নয়।
সাইবার অপরাধ দমন নিয়ে একটি আইন তৈরিতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে তিনি বলেন, আইনটি হলে তখন ৫৭ ধারা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা যাবে।
৫৭ ধারায় জামিন না থাকার সুযোগের সমালোচনার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, আইনজীবীরা আংশিক সত্য কথা বলছেন। সিআরপিসিতে এমন অনেক আইন আছে জামিন অযোগ্য।
খালেদা জিয়ার ‘গণতন্ত্রের বন্ধ কপাট খুলে দিন’ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ইনু বলেন, খালেদা জিয়া তো নিজেই নিজেকে গণতন্ত্রের কপাটের বাইরে নিয়ে গেছেন। গণতন্ত্রের দরজা খোলা রয়েছে। আগুন সন্ত্রাসী- নাশকতাকারীদের নিয়ে পেট্রোলবোমা ও গ্রেনেড ছুড়তে ছুড়তে বেগম জিয়া নিজেই গণতন্ত্রের চৌকাঠের ওপারে চলে গেছেন।

No comments:
Post a Comment