Saturday, August 8, 2015

প্রমাণ হলো সংখ্যালঘুর সম্পত্তি দখল করে আওয়ামী লীগ

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনসহ মন্ত্রী-এমপিদের বিরুদ্ধে  সংখ্যালঘুদের বাড়ি দখলের যে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ, তা তদন্ত ও খতিয়ে দেখতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বিএনপি। দলটি দাবি করেছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে হিন্দুদের সম্পত্তি জবরদখল হয় এটি প্রমাণিত। শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনের  কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন দলটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন। সরকারদলীয় সাংসদ কর্তৃক হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের ভূমি দখলের প্রতিবাদ জানিয়ে রিপন বলেন, বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকলে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ নির্যাতন ভোগ করে বলে প্রচার করা হয়। কিন্তু এখন প্রমাণিত হয়েছে, বিএনপি নয়; আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে হিন্দুদের সম্পত্তি জবরদখল হয়। মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের জন্য পৃথক একটি মন্ত্রণালয়ের প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন বিএনপির এই মুখপাত্র। তিনি বলেন, ভারতের মতো ধর্মনিরপেক্ষ দেশে যদি সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা মন্ত্রণালয় থাকে তাহলে বাংলাদেশে কেন হতে পারে না। আমার ব্যক্তিগত অভিমত, সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা একটি মন্ত্রণালয় হওয়া উচিত এবং এটি যুক্তিযুক্ত।” বিএসএফ ও বিজিবির ডিজি পর্যাায়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক তাদের হতাশ করেছে জানিয়ে রিপন দাবি করেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠকে বাংলাদেশ প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে ব্যর্থ হয়েছে।  তিনি বলেন, “বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার বিনা ভোটে নির্বাচিত হয়েছে। যে কারণে তাদের নৈতিক ভিত্তি দুর্বল। এ জন্যই তারা প্রতিবেশীর কাছে প্রতিবাদও জানাতে পারছে না।” ‘ফেলানীর বাবা চাইলে হত্যার বিচার আবারো শুরু হতে পারে’ ভারতের গণমাধ্যমে প্রচারিত এমন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি বলেন, ফেলানীর বিষয়ে যে রায় হয়েছে সে রায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়নি বলে ফেলানীর বাবা অভিযোগ করেছে। তাহলে ফেলানী হত্যার বিচার আবার কেন শুরু করা হচ্ছে না। বাংলাদেশ সীমান্তে প্রতি মাসে ২২-২৫ নাগরিক হত্যার শিকার হচ্ছে। কিন্তু এই বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না বলে মন্তব্য করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিতি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান এয়ারভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি ও আসাদুল করিম শাহিন প্রমুখ।

No comments:

Post a Comment