এম. রমজান আলী
(মহেশখালী): কক্সবাজারের মহেশখালীতে আদিনাথ মন্দিরস্থ শ্রী শ্রী গয়াধাম,
গঙ্গা, বিষ্ণু মন্দির, ব্যাসকুন্ড ও মহাশশ্মানের পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। আদিনাথ
মন্দির ও গয়াগঙ্গাধাম মন্দিরের সংস্কার ও প্রতিষ্টার অগ্রদুত রামহরি দাশের
অবদান অনস্বীকার্য। সরেজমিনে ও তথ্য নিয়ে জানাগেছে, রামহরি দাশের একান্ত
প্রচেষ্ঠায় মন্দিরের পার্শ্বস্থ ১৩ একর জমিতে বিভিন্ন প্রজাতের প্রায় কোটি
টাকার মুল্যের গাছ রোপন করায় বিশ্বের দরবারে পরিচিত দু’ মন্দিরস্থ সনাতন
ধর্মের ও প্রতিষ্টানের দাতা নুর মোহাম্মদ সিকদারের মন্দির চিহ্ন, বৌদ্ধ
কিয়াং, রামকৃষ্ণ, লোকনাথ, শনি, মদ্ধশরী, অদ্বৈত্য ধাম ও দু’ এলাকা সমুদ্রের
ভয়াল থাবা থেকে রÿা পেয়েছে। লাগানো প্যারাবন থেকে ঠাকুরতলা এলাকা সহ
বিভিন্ন জায়গার লোকেরা হাজার হাজার মন লাকড়ি কেটেঁ মাসে কোটি কোটি টাকা
উর্পাজন করে সাধারন লোকেরা স্বাবলম্বী হচ্ছে। ধর্মপ্রাণ ও আলোচিত ব্যক্তি
৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী রামহরি দাশ উর্পাজনের সব টাকা ও স্ত্রীর
স্বার্নালংকার বিক্রি করত এই ধর্মীয় প্রতিষ্টান, দেশ ও এলাকার জনগনের জন্য
নিজের সব সহায় সম্পত্তি অনায়েসে বিলিয়ে দিয়েছেন। এতদসত্বে ও গয়াগঙ্গা
মন্দিরের অভাব লেগেই আছে যেমনি ভাবে মন্দিরে আসা লÿ লÿ ধর্মপ্রাণ লোক ও
তীর্থ যাত্রীদের জন্য গনশৌচাগার ও যাত্রী ছাউনী নিতান্তই প্রয়োজন। তাই
ধর্মীয়ালয়ে ধর্ম পালনের সুবিধার্থে সরকার ও প্রশাসনের সাহায্যের হাত
বাড়ানোর আবেদন জানাচ্ছি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment