![]() |
| থিয়েটার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে গান করেন সুপর্ণা রায় চৌধুরী l প্রথম আলো |
প্রতুল
মুখোপাধ্যায়ের কথা ও সুরে ‘আমি বাংলার গান গাই’ পরিবেশনার সঙ্গে ধীরে
ধীরে সরে গেল মঞ্চের পর্দা। গাইছিলেন সুপর্ণা রায় চৌধুরী। নগরের থিয়েটার
ইনস্টিটিউট চট্টগ্রাম (টিআইসি) মিলনায়তনে সুপর্ণার একক সংগীত সন্ধ্যার
শুরুটা ছিল এমনই।
১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় আনন্দ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এই সংগীতসন্ধ্যা। প্রথম গানের পরিবেশনা শেষে শিল্পী মেতে ওঠেন রবীন্দ্র–বন্দনায়। শুরু হয় ‘ভালোবাসি ভালোবাসি’ গানটি দিয়ে। এরপর গাইলেন ‘তোমার খোলা হাওয়া’ ও ‘সুখে আছি’। রবীন্দ্রসংগীত ছাড়াও শিল্পী নজরুলগীতি, ভাওয়াইয়া, লালনগীতি ও হারানো দিনের বাংলা গান পরিবেশন করেন। তাঁর কণ্ঠে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জগজিৎ সিং, আশা ভোঁসলে, শচীন দেববর্মন, রাহুল দেববর্মন, ভূপেন হাজারিকা ও লতা মঙ্গেশকরের গান শুনে মুগ্ধ হয় দর্শক।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি রণজিৎ রক্ষিত শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এ সময় একে একে কথামালা নিয়ে মঞ্চে আসেন সংগীতশিল্পী আবদুর রহিম, অধ্যক্ষ সমীর কান্তি দাশ, অধ্যক্ষ অঞ্জন নন্দী, অধ্যাপিকা রীতা দত্ত প্রমুখ। অতিথিদের কথামালা শেষে মঞ্চে আসেন শিল্পী সুপর্ণা রায় চৌধুরীর মা নীলিমা রায় চৌধুরী।
আশরাফ মাসুদের সঞ্চালনায় আয়োজনের তৃতীয় পর্ব শুরু হয় রাহুল দেববর্মনের ‘সন্ধ্যা বেলা তুমি আমি বসে আছি দুজনে’ শিরোনামের গানের পরিবেশনার মাধ্যমে। এরপর একে একে শিল্পী পরিবেশন করেন ‘যত ভাবনা ছিল’, ‘রঙিলা বাঁশিতে কে ডাকে’, ‘পিয়া পিয়া পিয়া কে ডাকে আমারে’, ‘তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া’, ‘যার ছায়া পড়েছে’। সবশেষে ‘কে যাসরে ভাটি গাঙ বাইয়া’ শিরোনামের গানের পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় এই সংগীতায়োজন। আয়োজনে তবলায় লিটন মিত্র, কি-বোর্ডে সৃজন রায়, অক্টোপ্যাডে জুয়েল দাশ, বেইজ গিটারে সজল সরকার, লিড গিটারে রাজীব ঘোষ, ঢোলকে পিপলু দাশ ও বেহালায় শ্যামল দাশ শিল্পীকে সহযোগিতা করেন।
১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সোয়া সাতটায় আনন্দ সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় এই সংগীতসন্ধ্যা। প্রথম গানের পরিবেশনা শেষে শিল্পী মেতে ওঠেন রবীন্দ্র–বন্দনায়। শুরু হয় ‘ভালোবাসি ভালোবাসি’ গানটি দিয়ে। এরপর গাইলেন ‘তোমার খোলা হাওয়া’ ও ‘সুখে আছি’। রবীন্দ্রসংগীত ছাড়াও শিল্পী নজরুলগীতি, ভাওয়াইয়া, লালনগীতি ও হারানো দিনের বাংলা গান পরিবেশন করেন। তাঁর কণ্ঠে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, জগজিৎ সিং, আশা ভোঁসলে, শচীন দেববর্মন, রাহুল দেববর্মন, ভূপেন হাজারিকা ও লতা মঙ্গেশকরের গান শুনে মুগ্ধ হয় দর্শক।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে প্রধান অতিথি রণজিৎ রক্ষিত শিল্পীর হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন। এ সময় একে একে কথামালা নিয়ে মঞ্চে আসেন সংগীতশিল্পী আবদুর রহিম, অধ্যক্ষ সমীর কান্তি দাশ, অধ্যক্ষ অঞ্জন নন্দী, অধ্যাপিকা রীতা দত্ত প্রমুখ। অতিথিদের কথামালা শেষে মঞ্চে আসেন শিল্পী সুপর্ণা রায় চৌধুরীর মা নীলিমা রায় চৌধুরী।
আশরাফ মাসুদের সঞ্চালনায় আয়োজনের তৃতীয় পর্ব শুরু হয় রাহুল দেববর্মনের ‘সন্ধ্যা বেলা তুমি আমি বসে আছি দুজনে’ শিরোনামের গানের পরিবেশনার মাধ্যমে। এরপর একে একে শিল্পী পরিবেশন করেন ‘যত ভাবনা ছিল’, ‘রঙিলা বাঁশিতে কে ডাকে’, ‘পিয়া পিয়া পিয়া কে ডাকে আমারে’, ‘তোমার কাছে ফাগুন চেয়েছে কৃষ্ণচূড়া’, ‘যার ছায়া পড়েছে’। সবশেষে ‘কে যাসরে ভাটি গাঙ বাইয়া’ শিরোনামের গানের পরিবেশনার মাধ্যমে শেষ হয় এই সংগীতায়োজন। আয়োজনে তবলায় লিটন মিত্র, কি-বোর্ডে সৃজন রায়, অক্টোপ্যাডে জুয়েল দাশ, বেইজ গিটারে সজল সরকার, লিড গিটারে রাজীব ঘোষ, ঢোলকে পিপলু দাশ ও বেহালায় শ্যামল দাশ শিল্পীকে সহযোগিতা করেন।

No comments:
Post a Comment