![]() |
| চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, গোপালগঞ্জ ও গাজীপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কর্মকর্তারা গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান |
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশে অস্থিতিশীল
পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে তাঁর কৌশল পরিবর্তন করেছেন। তিনি এখন বিদেশে বসে
বিদেশি নাগরিকদের হত্যা করে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করার ষড়যন্ত্র
করছেন।
চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, গোপালগঞ্জ ও গাজীপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কর্মকর্তারা গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।
শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়া যখন দেশে ছিলেন, তখন তথাকথিত আন্দোলনের নামে নিরীহ বহু লোককে হত্যা করেছেন। তিনি এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। সেখানে থেকে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং বিদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তাঁদের হত্যা করছেন। তিনি এ ক্ষেত্রে হীন কৌশল নিয়েছেন। বিএনপি নেত্রীর এ ধরনের ‘চক্রান্তের বিরুদ্ধে’ সজাগ থাকতে এবং তা নস্যাতে সহযোগিতা করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালাতে বিএনপি-জামায়াত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলছে এবং বিশ্বে একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছে, বিএনপি-জামায়াত তখন দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। লক্ষ অর্জন করতে তারা মানুষ মারছে এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু করছে।
বিচার বিভাগের উন্নয়ন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আইন কমিশন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, দ্রুত বিচার আদালতসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার হাইকোর্ট ও দেশের অন্যান্য আদালতের মধ্যে ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আদালতের গ্রন্থাগারগুলোতে পর্যায়ক্রমে ই-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় বই সরবরাহের আশ্বাস দেন। দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে।
ঢাকা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নজিবউল্লাহ হিরু অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। বক্তব্য দেন রংপুর জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, বরিশাল জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনিসউদ্দিন শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদ্য নির্বাচিত সদস্য ইব্রাহিম হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী, গোপালগঞ্জ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, গাজীপুর জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজমত উল্লাহ খান প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ-বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক, মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়কমন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং আইনসচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।
এর আগে বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
চট্টগ্রাম, বরিশাল, রংপুর, গোপালগঞ্জ ও গাজীপুর বার অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত কর্মকর্তারা গতকাল গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এসব কথা বলেন। খবর বাসসের।
শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, খালেদা জিয়া যখন দেশে ছিলেন, তখন তথাকথিত আন্দোলনের নামে নিরীহ বহু লোককে হত্যা করেছেন। তিনি এখন বিদেশে অবস্থান করছেন। সেখানে থেকে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট এবং বিদেশিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে তাঁদের হত্যা করছেন। তিনি এ ক্ষেত্রে হীন কৌশল নিয়েছেন। বিএনপি নেত্রীর এ ধরনের ‘চক্রান্তের বিরুদ্ধে’ সজাগ থাকতে এবং তা নস্যাতে সহযোগিতা করতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি দেশে জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণা চালাতে বিএনপি-জামায়াত যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে লবিস্ট নিয়োগ করেছে দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে চলছে এবং বিশ্বে একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছে, বিএনপি-জামায়াত তখন দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে। লক্ষ অর্জন করতে তারা মানুষ মারছে এবং প্রয়োজনীয় সবকিছু করছে।
বিচার বিভাগের উন্নয়ন সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আইন কমিশন, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউট, দ্রুত বিচার আদালতসহ বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সরকার হাইকোর্ট ও দেশের অন্যান্য আদালতের মধ্যে ডিজিটাল যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী আদালতের গ্রন্থাগারগুলোতে পর্যায়ক্রমে ই-লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা এবং প্রয়োজনীয় বই সরবরাহের আশ্বাস দেন। দেশের বিভিন্ন আইনজীবী সমিতির সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেন, সরকার প্রয়োজনীয় সবকিছুই করবে।
ঢাকা জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নজিবউল্লাহ হিরু অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। বক্তব্য দেন রংপুর জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল হক ও সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক, বরিশাল জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আনিসউদ্দিন শহীদ ও সাধারণ সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ মনিরুল হাসান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদ্য নির্বাচিত সদস্য ইব্রাহিম হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুজিবুল হক চৌধুরী, গোপালগঞ্জ জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নাসিরউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আসগর আলী, গাজীপুর জেলা বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইব্রাহিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজমত উল্লাহ খান প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ-বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক, মুক্তিযুদ্ধ-বিষয়কমন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, আইন সম্পাদক আবদুল মতিন খসরু, সাবেক চিফ হুইপ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং আইনসচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক।
এর আগে বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকেরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

No comments:
Post a Comment