প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে আইএস আছে এমন ঘোষণা দেয়ার একটি পাঁয়তারা চলছে। বাংলাদেশ নিরাপদ
বা অনিরাপদ- এ নিয়ে আমাদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি, বাংলাদেশে কোন আইএস কিংবা জঙ্গিদের স্থান হতে দেবো না। গতকাল জাতীয় সংসদে অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশে কোন আইএস বা জঙ্গিবাদের স্থান হয় না, এজন্য আসুন আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি। অনেকেই জোর-জবরদস্তি করে বাংলাদেশে আইএস বা জঙ্গি আছে এ কথা বলানোর চেষ্টা করছে। যেসব দেশ একসঙ্গে বসে এসব কথা বলানোর চেষ্টা করছে, তাদের দেশের অবস্থা কী? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই রিপোর্টেই স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত দেশ থেকেও নিরাপদ। এই শান্তিপূর্ণ অবস্থা যাতে ধরে রাখা যায় সে ব্যাপারে তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীরা যে অপরাধ করেছে, তার কোন সীমা নেই। এদের বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে দেশ কখনোই অভিশাপমুক্ত হবে না। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ এ অভিশাপ বইয়ে বেড়াচ্ছিল। যুদ্ধাপরাধীদের আমরা বিচার ও রায় কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অভিশাপ থেকে মুক্ত করছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকরের ফলে একাত্তরের স্বজনহারা পরিবারগুলো কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাচ্ছে। আমরা দেশকে অভিশাপমুক্ত করছি বলেই বাংলাদেশ আজ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে। তাই যতই ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করা হোক না কেন, বাংলাদেশের এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রাত ৯টায় অষ্টম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা দেশে জঙ্গি বা আইএস আছে একথা বলার চেষ্টা করছে, তারাই পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির দোষ দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু পায়নি। আমরা নিজেরাই পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতি কিংবা নিজেদের ভাগ্য গড়তে ক্ষমতায় আসি নি, আমরা জনগণের ভাগ্য গড়তে ও তাদের কল্যাণে ক্ষমতায় এসেছি। বাংলাদেশ আর পিছিয়ে থাকবে না। বাংলাদেশ যে উন্নয়নের গতিশীলতা ধরে রেখে এগিয়ে চলছে, যতই ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করা হোক না কেন, সেই উন্নয়নের গতিধারা কেউ রুখতে পারবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর এ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অর্ডিন্যান্স জারি ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। অনেক যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার এবং তাদের বিচার শুরু হয়েছিল। অনেক যুদ্ধাপরাধীর শাস্তিও হয়েছিল। বিচারের ভয়ে একাত্তরের গণহত্যাকারী অনেক যুদ্ধাপরাধী পালিয়ে পাকিস্তানে গিয়ে সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছিল। কিন্তু ৭৫-এর পর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়া সেসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ করে দেয় এবং তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। যুদ্ধাপরাধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী এবং কুখ্যাত গণহত্যাকারী আবদুল আলিমকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিল এ জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী যুদ্ধাপরাধীদের যে বিচার জিয়াউর রহমান বন্ধ করে দিয়েছিল, আমরা তাদের বিচার করে দেশকে অভিশাপমুক্ত করছি। বিচারের রায় কার্যকর দেখে একাত্তরের স্বজনহারা পরিবারগুলো অন্তত কিছুটা শান্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু যুদ্ধাপরাধীদেরই নয়, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদেরও এ জিয়া প্রতিষ্ঠিত ও পুরস্কৃত করেছে। পরে জেনারেল এরশাদের সময়ও বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুককে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা হয়েছিল, রাজনৈতিক দল গঠনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। আর খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদকে প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী করে এনে সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করেছি, রায়ও কার্যকর করেছি। জেলহত্যার বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্ত করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে খালেদা জিয়া শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। আবার ২০১৫ সালে আন্দোলনের নামে তিনটি মাস নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থেকে দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছেন। সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবেন একথা বলে দলীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকে হরতাল-অবরোধের নামে দুই শতাধিক মানুষকে হত্যাসহ ৫০৮ জনকে পুড়িয়েছেন। আন্দোলনের নামে এমন হত্যাযজ্ঞ দেশের মানুষ অতীতে কখনও দেখেননি।
সংসদ নেতা বলেন, আন্দোলনের নামে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার পর কিছুই করতে না পেরে বিএনপি নেত্রী বিদেশে গেলেন। আর তখনি আমাদের দেশে দুজন বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হলো। আর এক বিদেশিকে হত্যার চেষ্টা চালানো হলো। তিনি বলেন, বিদেশি নাগরিককে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আমরা শনাক্ত করেছি, অনেককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বা অনিরাপদ- এ নিয়ে আমাদের অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বলছি, বাংলাদেশে কোন আইএস কিংবা জঙ্গিদের স্থান হতে দেবো না। গতকাল জাতীয় সংসদে অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশে কোন আইএস বা জঙ্গিবাদের স্থান হয় না, এজন্য আসুন আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করি। অনেকেই জোর-জবরদস্তি করে বাংলাদেশে আইএস বা জঙ্গি আছে এ কথা বলানোর চেষ্টা করছে। যেসব দেশ একসঙ্গে বসে এসব কথা বলানোর চেষ্টা করছে, তাদের দেশের অবস্থা কী? সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি নিরাপত্তা প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই রিপোর্টেই স্পষ্ট হয়েছে বাংলাদেশ এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অনেক উন্নত দেশ থেকেও নিরাপদ। এই শান্তিপূর্ণ অবস্থা যাতে ধরে রাখা যায় সে ব্যাপারে তিনি দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি বলেন, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধাপরাধীরা যে অপরাধ করেছে, তার কোন সীমা নেই। এদের বিচার সম্পন্ন করতে না পারলে দেশ কখনোই অভিশাপমুক্ত হবে না। দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ এ অভিশাপ বইয়ে বেড়াচ্ছিল। যুদ্ধাপরাধীদের আমরা বিচার ও রায় কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অভিশাপ থেকে মুক্ত করছি। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের রায় কার্যকরের ফলে একাত্তরের স্বজনহারা পরিবারগুলো কিছুটা হলেও সান্ত্বনা পাচ্ছে। আমরা দেশকে অভিশাপমুক্ত করছি বলেই বাংলাদেশ আজ সব দিক থেকে এগিয়ে যাচ্ছে, সর্বক্ষেত্রে উন্নয়ন হচ্ছে। তাই যতই ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করা হোক না কেন, বাংলাদেশের এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে কেউ রুখতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শেষে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী রাত ৯টায় অষ্টম অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ যারা দেশে জঙ্গি বা আইএস আছে একথা বলার চেষ্টা করছে, তারাই পদ্মা সেতু নিয়ে দুর্নীতির দোষ দেয়ার চেষ্টা করছে। কিন্তু পায়নি। আমরা নিজেরাই পদ্মা সেতু নির্মাণ করছি। তিনি বলেন, আমরা দুর্নীতি কিংবা নিজেদের ভাগ্য গড়তে ক্ষমতায় আসি নি, আমরা জনগণের ভাগ্য গড়তে ও তাদের কল্যাণে ক্ষমতায় এসেছি। বাংলাদেশ আর পিছিয়ে থাকবে না। বাংলাদেশ যে উন্নয়নের গতিশীলতা ধরে রেখে এগিয়ে চলছে, যতই ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করা হোক না কেন, সেই উন্নয়নের গতিধারা কেউ রুখতে পারবে না। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের পর এ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অর্ডিন্যান্স জারি ও ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছিল। অনেক যুদ্ধাপরাধীকে গ্রেপ্তার এবং তাদের বিচার শুরু হয়েছিল। অনেক যুদ্ধাপরাধীর শাস্তিও হয়েছিল। বিচারের ভয়ে একাত্তরের গণহত্যাকারী অনেক যুদ্ধাপরাধী পালিয়ে পাকিস্তানে গিয়ে সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছিল। কিন্তু ৭৫-এর পর অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলকারী জেনারেল জিয়া সেসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার বন্ধ করে দেয় এবং তাদের কারাগার থেকে মুক্ত করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছিল। যুদ্ধাপরাধী শাহ আজিজকে প্রধানমন্ত্রী এবং কুখ্যাত গণহত্যাকারী আবদুল আলিমকে মন্ত্রী বানিয়ে তাদের গাড়িতে লাখো শহীদের রক্তে অর্জিত জাতীয় পতাকা তুলে দিয়েছিল এ জিয়াউর রহমান। তিনি বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধী যুদ্ধাপরাধীদের যে বিচার জিয়াউর রহমান বন্ধ করে দিয়েছিল, আমরা তাদের বিচার করে দেশকে অভিশাপমুক্ত করছি। বিচারের রায় কার্যকর দেখে একাত্তরের স্বজনহারা পরিবারগুলো অন্তত কিছুটা শান্তি পাচ্ছে। তিনি বলেন, শুধু যুদ্ধাপরাধীদেরই নয়, বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদেরও এ জিয়া প্রতিষ্ঠিত ও পুরস্কৃত করেছে। পরে জেনারেল এরশাদের সময়ও বঙ্গবন্ধুর খুনি ফারুককে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী করা হয়েছিল, রাজনৈতিক দল গঠনের সুযোগ দেয়া হয়েছিল। আর খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধুর খুনি রশিদকে প্রহসনের নির্বাচনে বিজয়ী করে এনে সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসিয়েছিল। আমরা ক্ষমতায় এসে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করেছি, রায়ও কার্যকর করেছি। জেলহত্যার বিচারের মাধ্যমে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশকে মুক্ত করেছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন ঠেকানোর নামে খালেদা জিয়া শত শত মানুষকে পুড়িয়ে হত্যা করেছেন। আবার ২০১৫ সালে আন্দোলনের নামে তিনটি মাস নিজ কার্যালয়ে অবরুদ্ধ থেকে দেশে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছেন। সরকারকে উৎখাত না করে ঘরে ফিরবেন একথা বলে দলীয় কার্যালয়ে স্বেচ্ছায় অবরুদ্ধ থেকে হরতাল-অবরোধের নামে দুই শতাধিক মানুষকে হত্যাসহ ৫০৮ জনকে পুড়িয়েছেন। আন্দোলনের নামে এমন হত্যাযজ্ঞ দেশের মানুষ অতীতে কখনও দেখেননি।
সংসদ নেতা বলেন, আন্দোলনের নামে মানুষকে পুড়িয়ে হত্যার পর কিছুই করতে না পেরে বিএনপি নেত্রী বিদেশে গেলেন। আর তখনি আমাদের দেশে দুজন বিদেশি নাগরিককে হত্যা করা হলো। আর এক বিদেশিকে হত্যার চেষ্টা চালানো হলো। তিনি বলেন, বিদেশি নাগরিককে হত্যার সঙ্গে জড়িতদের আমরা শনাক্ত করেছি, অনেককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

No comments:
Post a Comment