দীর্ঘ আড়াই মাস পর গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে গেলেন বিএনপি চেয়ারপারসন
খালেদা জিয়া। গত রাত সোয়া ৯টায় তিনি কার্যালয়ে যান। সেখানে দলের
নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে খালেদা জিয়াকে শুভেচ্ছা জানান। তাকে অভ্যর্থনা জানাতে
আগেই কার্যালয়ে উপস্থিত হন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়,
ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ
হোসেন চৌধুরী, সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমীর খসরু মাহমুদ
চৌধুরী, ড. ওসমান ফারুক, মীর মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন, অ্যাডভোকেট খন্দকার
মাহবুব হোসেন, মে. জে. (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী, এমএ কাইয়ুম, সাবিহউদ্দিন
আহমেদ, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক
সম্পাদক ড. আসাদুজ্জামান রিপন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খন্দকার, ফজলুল
হক মিলন, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, মহিলা দলের সভানেত্রী
নুরে আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা, শাম্মী আক্তার, বিএনপি
জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবিএম মোশাররফ, সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স,
মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আসাদুল করিম শাহীন, শামীমুর রহমান, ছাত্রদলের
সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি বজলুল করিম চৌধুরী আবেদসহ বিএনপি ও অঙ্গদলের
নেতাকর্মীরা। সর্বশেষ গত ১৪ই সেপ্টেম্বর অফিস করেন খালেদা জিয়া। পরদিন রাতে
চোখের চিকিৎসার জন্য লন্ডনের উদ্দেশে রওনা হন। লন্ডনে চিকিৎসা শেষে দুই
মাসের বেশি সময় পর গত শনিবার দেশে ফিরেন তিনি। দেশে ফিরেই বাসায় দুদিন
পরিবারের সদস্য ছাড়া দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি তিনি। এদিকে,
খালেদা জিয়ার দেশে ফেরার কয়েক দিন আগেই গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়
ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়। নতুন রঙ করা হয় অফিসের দেয়াল, প্রাচীর ও প্রধান
ফটক। এদিকে চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নিরাপত্তা চেয়ে দলের তরফে পুলিশের
কাছে আবেদন করা হলেও সাড়া মেলেনি। গতকাল পর্যন্ত ফিরিয়ে দেয়া হয়নি তার
কার্যালয়ের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের। দীর্ঘদিন পর বিএনপি
চেয়ারপারসন কার্যালয়ে গেলেও তার আগমনকে কেন্দ্র করে বাইরে দেখা যায়নি
কর্মী-সমর্থকদের বড় শোডাইন।
Wednesday, November 25, 2015
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment