নির্বাচন সুষ্ঠু হলে ৮০ ভাগ পৌরসভায় বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হবে বলে আশাবাদ
ব্যক্ত করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি
বলেছেন, নির্বাচনের ফলাফল কি হবে- আপনারাও বোঝেন, আমরাও বুঝি। আমরা দৃঢ়তার
সঙ্গে বলতে চাই, এ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারলে শতকরা ৮০ ভাগের ওপরে আমরা
আশাবাদী। আর জনগণ ভোট দিতে না পারলে এটা শূন্যের কোঠাতেও হতে
পারে। জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের ১৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী
উপলক্ষে গতকাল সকালে শেরেবাংলানগরস্থ বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট
জিয়াউর রহমানের মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব
কথা বলেন। গয়েশ্বর রায় বলেন, গণতন্ত্র মৃত হোক বা নিহত হোক, সেই
গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনে
অংশগ্রহণ করছে বিএনপি। জিয়ার আদর্শের অনুসারী যে যেখানে আছে, সবাই
ঐক্যবদ্ধভাবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এই অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শামিল হবে।
বিএনপির ঝিমিয়ে পড়া কর্মীদের মধ্যে পৌর নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্দীপনা সৃষ্টি
করা সম্ভব হবে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে গয়েশ্বর রায় বলেন, আমাদের
নেতাকর্মীরা জেগেই আছে। জেগেই থাকতে হয়। প্রতিদিন ঘরে ঘরে পুলিশের হানা।
সুতরাং ঘুমিয়ে থাকার সুযোগ নেই। এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ড.
আবদুল মঈন খান বলেন, আমরা অতীতেও বলেছি, এখনও বলছি- নির্বাচন কমিশন যদি
স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তাহলে কিন্তু এদেশে কখনও নির্বাচন অর্থবহ
হবে না। অতীতেও আমরা দেখেছি, সরকারি নির্দেশে, সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা
পরিচালিত হয়ে এই নির্বাচন কমিশন একটি দলের স্বার্থরক্ষা করেছে। নির্বাচন
কমিশন পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে বিএনপির সিনিয়র এই নেতা বলেন, একটি সম্পূর্ণ
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করা হোক, যাদের মাধ্যমে এদেশের মানুষ
নির্বাচনে তাদের মনের ইচ্ছা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে প্রকাশ করতে পারবে।
সংগঠনটির সভানেত্রী শামা ওবায়েদের নেতৃত্বে মাজার প্রাঙ্গণে কৃষক দলের
যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান মিয়া সম্রাটসহ মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের
নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment