কক্সবাজারের মহেশখালীতে চুরি হওয়া বৌদ্ধমুর্তি অবশেষে উদ্ধার
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী ঃ
মহেশখালীর চাঞ্চল্যকর বৌদ্ধবিহার চুরির ঘটনার দু‘সপ্তাহের মধ্যে অবশেষে পুলিশ চুরি হওয়া বৌদ্ধমুর্তি দু‘টি উদ্ধার করেছে। আর এরই মধ্য দিয়ে সাধারন বৌদ্ধধর্মাবলম্বি সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগনের মাঝে ফিরে এসেছে সস্তি। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ১৫ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই নির্মলেন্দু চাকমা( নির্মল) বড়–য়া পাড়া পাহাড়ের ভিতর চিহ্নিত ডাকাতের দল জড়ো হওয়ার খবরে তার সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে পাহাড়ের ভিতর তাদের তাড়া করে । পুলিশ আসার খবর পেয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এসময় পাহাড়ের গাছের ঝোপের মধ্যে পরিত্যাক্ত অবস্থায় কাধামাটি জড়ানো বৌদ্ধমুর্তির মতো দেখতে পেয়ে তা উদ্ধার করলে কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ শ্রীমত তেজপ্রিয় মহাথের মুর্তি দুটি হারিয়ে যাওয়া মুর্তি বলে সনাক্ত করেন। উল্যেখ্য যে গত ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাত ১০টার সময় মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধবিহারে এ চুরির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সর্বানন্দ বড়–য়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিদের আসামী করে মহেশখালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। বৌদ্ধমুর্তি দুটি উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির কক্সবাজার জেলা সাধারন সম্পাদক বাবু জেমশেন বড়–য়া পুলিশ প্রশাসনের ভুয়শী প্রশংসা করে বলেন-পুলিশ প্রশাসন আন্তরিক হওয়ায় মুর্তিগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার সদর( চকরিয়া ) সার্কেল ও কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সকল সদস্যের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধ বিহারাধ্যক্ষ শ্রীমত তেজপ্রিয় মহাথের চুরি হওয়া বৌদ্ধমুর্তি দুটি উদ্ধার হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরো বলেন, চুরির ঘটনার পর থেকে আমি আতংকিত ছিলাম এখন অনেক ভাল লাগছে এবং আনন্দিত। বড়ুয়া পাড়ার সুবদি বড়–য়া বলেন, আমরা বৌদ্ধ সম্প্রদায় ভিষম আনন্দিত হয়েছি বৌদ্ধমুর্তি গুলো উদ্ধার হওয়ায়। এ বিষয়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই নির্মলেন্দু চাকমা বলেন- আমরা বৌদ্ধ বিহার চুরির ঘটনাটিকে খুবই গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলাম। বিশেষ করে মুর্তিগুলো উদ্ধারের জোর তৎপরতা আর সতর্ক টহল জোরদার করার কারনে মুর্তিগুলো সরাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মুর্তিগুলো উদ্ধারে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) চকরিয়া সার্কেল মোঃ মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের কঠোর নজরদারীর কারণে সংঘবদ্ধ চোরের দল পাহাড়ের ঝোপে রাখা মুর্তি গুলো কোথাও সরানোর সুযোগ না পাওয়ায় সেখানেই মুর্তিগুলো পরত্যাক্ত অবˉ’ায় পড়েছিল। এবং আমি এ ঘঠনার পর থেকে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেছিলাম। অবশেষে সফল হলো। এবং চোরদের সনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।
স.ম.ইকবাল বাহার চৌধুরী ঃ
মহেশখালীর চাঞ্চল্যকর বৌদ্ধবিহার চুরির ঘটনার দু‘সপ্তাহের মধ্যে অবশেষে পুলিশ চুরি হওয়া বৌদ্ধমুর্তি দু‘টি উদ্ধার করেছে। আর এরই মধ্য দিয়ে সাধারন বৌদ্ধধর্মাবলম্বি সহ এলাকার সর্বস্তরের জনগনের মাঝে ফিরে এসেছে সস্তি। পুলিশ সুত্রে জানা যায়, গত ১৫ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই নির্মলেন্দু চাকমা( নির্মল) বড়–য়া পাড়া পাহাড়ের ভিতর চিহ্নিত ডাকাতের দল জড়ো হওয়ার খবরে তার সঙ্গিয় ফোর্স নিয়ে পাহাড়ের ভিতর তাদের তাড়া করে । পুলিশ আসার খবর পেয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এসময় পাহাড়ের গাছের ঝোপের মধ্যে পরিত্যাক্ত অবস্থায় কাধামাটি জড়ানো বৌদ্ধমুর্তির মতো দেখতে পেয়ে তা উদ্ধার করলে কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধ বিহারের বিহারাধ্যক্ষ শ্রীমত তেজপ্রিয় মহাথের মুর্তি দুটি হারিয়ে যাওয়া মুর্তি বলে সনাক্ত করেন। উল্যেখ্য যে গত ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাত ১০টার সময় মহেশখালীর কালারমারছড়া ইউনিয়নের উত্তর নলবিলা কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধবিহারে এ চুরির ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সর্বানন্দ বড়–য়া বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা ব্যক্তিদের আসামী করে মহেশখালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। বৌদ্ধমুর্তি দুটি উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতির কক্সবাজার জেলা সাধারন সম্পাদক বাবু জেমশেন বড়–য়া পুলিশ প্রশাসনের ভুয়শী প্রশংসা করে বলেন-পুলিশ প্রশাসন আন্তরিক হওয়ায় মুর্তিগুলো উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। তিনি কক্সবাজার জেলার পুলিশ সুপার, সহকারী পুলিশ সুপার সদর( চকরিয়া ) সার্কেল ও কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি সহ আইনশৃংখলা বাহিনীর সকল সদস্যের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। কেন্দ্রীয় সৈকত বৌদ্ধ বিহারাধ্যক্ষ শ্রীমত তেজপ্রিয় মহাথের চুরি হওয়া বৌদ্ধমুর্তি দুটি উদ্ধার হওয়ায় পুলিশ প্রশাসনের নিকট কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরো বলেন, চুরির ঘটনার পর থেকে আমি আতংকিত ছিলাম এখন অনেক ভাল লাগছে এবং আনন্দিত। বড়ুয়া পাড়ার সুবদি বড়–য়া বলেন, আমরা বৌদ্ধ সম্প্রদায় ভিষম আনন্দিত হয়েছি বৌদ্ধমুর্তি গুলো উদ্ধার হওয়ায়। এ বিষয়ে কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির আইসি এসআই নির্মলেন্দু চাকমা বলেন- আমরা বৌদ্ধ বিহার চুরির ঘটনাটিকে খুবই গুরুত্ব সহকারে নিয়েছিলাম। বিশেষ করে মুর্তিগুলো উদ্ধারের জোর তৎপরতা আর সতর্ক টহল জোরদার করার কারনে মুর্তিগুলো সরাতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মুর্তিগুলো উদ্ধারে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সদর) চকরিয়া সার্কেল মোঃ মাসুদ আলম বলেন, পুলিশের কঠোর নজরদারীর কারণে সংঘবদ্ধ চোরের দল পাহাড়ের ঝোপে রাখা মুর্তি গুলো কোথাও সরানোর সুযোগ না পাওয়ায় সেখানেই মুর্তিগুলো পরত্যাক্ত অবˉ’ায় পড়েছিল। এবং আমি এ ঘঠনার পর থেকে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করেছিলাম। অবশেষে সফল হলো। এবং চোরদের সনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে।

No comments:
Post a Comment