ব্যক্তি
পুলিশের দায় সমগ্র পুলিশ বাহিনীর ওপর না চাপানোর আহবান জানিয়েছেন পুলিশ
মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক। তিনি বলেছেন, যেকোনো পুলিশ
সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে পুলিশ কর্তৃপক্ষ কোনো অবস্থাতেই বিষয়টি হালকা
করে দেখে না। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়। গত পাঁচ বছরে মোট ৭০৯
জন পুলিশ সদস্যের বিরেুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। এদের
মধ্যে ২৯৩ জন পুলিশ সদস্য বিচার বিভাগীয় শাস্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক
ট্র্যাইবুনালে আপিল করে দণ্ড থেকে অব্যাহতি পেয়েছে। অর্থাৎ পুলিশ কর্তৃপক্ষ
কর্তৃক বিভাগীয় মামলায় শাস্তি প্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের ৪০ ভাগ এর অধিক
সংখ্যক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল দণ্ড অব্যহতির আদেশ পায়। শৃঙ্খলার বিষয়ে
পুলিশ একটুও ছাড় দেয় না। কখনো কখনো অধিক মাত্রায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে
থাকে অভিযুক্ত সদস্যের প্রতি। গতকাল রোববার দুপুরে রাজধানীতে পুলিশ সদরদপ্তরে পুলিশ সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
এ কে এম শহীদুল হক বলেন, কিছু পুলিশ সদস্যের অসততা ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের কারণে পুরো বাহিনীর এত এত অর্জন ম্লান হওয়ার নয়। আমরা আবারো বলছি শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। ব্যক্তি পুলিশের দায় বাংলাদেশ পুলিশ কখনো নেয় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অনুসন্ধান করে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।
৭০৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন কোন কারণে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল, সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, নৈতিক স্খলন, আইন অমান্য করা, আইনের সীমার অতিরিক্ত প্রয়োগের চেষ্টা, অনুমতি ছাড়া ছুটি কাটানো, সাধারণের সাথে অসদাচরণ ইত্যাদি কারণে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
একই প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য অযথা কাউকে হয়রানি কিংবা মারধর করতে পারে না। কোনো ঘটনায় কেউ আটক হলে আটক ব্যক্তির পরিবারকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়া অথবা অপরাধের ধরণ অনুযায়ী মামলা করা হয়। মারধর কোনোভাবেই সমীচীন নয়।
পুলিশের মুষ্টিমেয় কিছু সদস্যের অপেশাদার ও অসদাচরণ দিয়ে গোটা বাহিনীকে বিচার করা কতোটুকু সমীচীন সে বিষয়ে বিচারের ভার সাংবাদিক ও দেশবাসীর বিবেকের ওপর ছেড়ে দিয়ে শহীদুল হক বলেন, সাংবাদিকদের অনুরোধ পুলিশের বিরুপ সমালোচনা করার আগে পুলিশের কর্ম পরিবেশ, যানবাহন, সরঞ্জাম সীমাবদ্ধতা, কর্মঘণ্টা, বৈরি আবহাওয়া, জনতা ও পুলিশের অসম অনুপাত ও নাগরিকগণ কর্তৃক পুলিশকে সহায়তার বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। ব্যক্তি পুলিশের দায়ে সমগ্র পুলিশকে অভিযুক্ত করলে নিরাপত্তা ও সেবার জন্য নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা নিরুৎসাহিত হতে পারে, তাদের ভেতরে হতাশা জন্ম নিতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ দমনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সব ক্ষেত্রেই পুলিশ সফল হয়েছে। কিছু ঘটনা প্রতিরোধ করা না গেলেও সংঘটিত সব ঘটনার তদন্ত ও উদঘাটন দ্রুত সময়ে করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৫ সাল ও এর আগে এমন কোনা জঙ্গি ঘটনা নেই যা উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। জঙ্গিবাদ মোকাবেলার বিষয়টি শুধু পুলিশি কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর পরিসরে কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন একেএম শহীদুল হক।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ রুখতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ বাহিনী আছে। বাংলাদেশে নেই। এ কারণে জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টায় পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার সাহসিকতা ও সেবার জন্য মোট ১০২ জন সদস্যকে পদক দেয়া হবে। এর মধ্যে সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জনকে বিপিএম (মরনোত্তর) ১৯ জনকে বিপিএম (সাহসিকতা)। ২৩ জনকে বিপিএম-সেবা, ২০ জনকে পিপিএম এবং ৪০ জনকে পিপিএম সেবা পদক প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোকলেসুর রহমান, মইনুর রহমান, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান জাবেদ পাটোয়ারি, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ কে এম শহীদুল হক বলেন, কিছু পুলিশ সদস্যের অসততা ও নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধের কারণে পুরো বাহিনীর এত এত অর্জন ম্লান হওয়ার নয়। আমরা আবারো বলছি শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ। ব্যক্তি পুলিশের দায় বাংলাদেশ পুলিশ কখনো নেয় না। পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অনুসন্ধান করে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।
৭০৯ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন কোন কারণে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল, সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, নৈতিক স্খলন, আইন অমান্য করা, আইনের সীমার অতিরিক্ত প্রয়োগের চেষ্টা, অনুমতি ছাড়া ছুটি কাটানো, সাধারণের সাথে অসদাচরণ ইত্যাদি কারণে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
একই প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য অযথা কাউকে হয়রানি কিংবা মারধর করতে পারে না। কোনো ঘটনায় কেউ আটক হলে আটক ব্যক্তির পরিবারকে জানিয়ে ব্যবস্থা নেয়া অথবা অপরাধের ধরণ অনুযায়ী মামলা করা হয়। মারধর কোনোভাবেই সমীচীন নয়।
পুলিশের মুষ্টিমেয় কিছু সদস্যের অপেশাদার ও অসদাচরণ দিয়ে গোটা বাহিনীকে বিচার করা কতোটুকু সমীচীন সে বিষয়ে বিচারের ভার সাংবাদিক ও দেশবাসীর বিবেকের ওপর ছেড়ে দিয়ে শহীদুল হক বলেন, সাংবাদিকদের অনুরোধ পুলিশের বিরুপ সমালোচনা করার আগে পুলিশের কর্ম পরিবেশ, যানবাহন, সরঞ্জাম সীমাবদ্ধতা, কর্মঘণ্টা, বৈরি আবহাওয়া, জনতা ও পুলিশের অসম অনুপাত ও নাগরিকগণ কর্তৃক পুলিশকে সহায়তার বিষয়গুলো বিবেচনা করবেন। ব্যক্তি পুলিশের দায়ে সমগ্র পুলিশকে অভিযুক্ত করলে নিরাপত্তা ও সেবার জন্য নিয়োজিত পুলিশ সদস্যরা নিরুৎসাহিত হতে পারে, তাদের ভেতরে হতাশা জন্ম নিতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ দমনে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া সব ক্ষেত্রেই পুলিশ সফল হয়েছে। কিছু ঘটনা প্রতিরোধ করা না গেলেও সংঘটিত সব ঘটনার তদন্ত ও উদঘাটন দ্রুত সময়ে করা সম্ভব হয়েছে। ২০১৫ সাল ও এর আগে এমন কোনা জঙ্গি ঘটনা নেই যা উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। জঙ্গিবাদ মোকাবেলার বিষয়টি শুধু পুলিশি কার্যক্রমের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বৃহত্তর পরিসরে কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন একেএম শহীদুল হক।
সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, জঙ্গিবাদ রুখতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বিশেষ বাহিনী আছে। বাংলাদেশে নেই। এ কারণে জঙ্গিবাদ দমনে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট চালুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ২৬ জানুয়ারি সকাল ১০টায় পুলিশ সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এবার সাহসিকতা ও সেবার জন্য মোট ১০২ জন সদস্যকে পদক দেয়া হবে। এর মধ্যে সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ছয়জনকে বিপিএম (মরনোত্তর) ১৯ জনকে বিপিএম (সাহসিকতা)। ২৩ জনকে বিপিএম-সেবা, ২০ জনকে পিপিএম এবং ৪০ জনকে পিপিএম সেবা পদক প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক মোকলেসুর রহমান, মইনুর রহমান, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান জাবেদ পাটোয়ারি, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment