বিএনপি
পরবর্তী জাতীয় নির্বাচন বয়কট করলে রাজনৈতিক দল হিসেবে আর তাদের অস্তিত্ব
থাকবে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও
জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বলেছেন, অতীতে আমরা অনেক
রাজনীতিক দলের ফালাফালি দেখেছি। ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এখন তাদের আর কেউ
মনে রাখে না।
আজ সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু নিয়ে অহেতুক মন্তব্য বন্ধ না করলে বিএনপি একদিন ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ হবে।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘এটা তিনি সেমিনারে বলেছেন। এটা কোনো রায় নয়। আমাদের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাংবিধানিক বোর্ড আছে। ওনারাও কোনো রায় দেননি। সুপ্রিম কোর্টে একক ব্যক্তির কোনো রায় হয় না। অন্য কোনো বিচারকও এ বিষয়ের স্বপক্ষে কোনো বক্তব্য দেননি। আর এটাতো আদালতের কোনো বিচারেরও বিষয় নয়।’
আগামী ২৮ মার্চ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি সম্মেলনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঐতিহাসিক ৬ দফা, বাংলাদেশ স্বাধীন করার প্রত্যয় তার মধ্যে সেরা সিদ্ধান্ত। এবারের সম্মেলনেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস সৃষ্টি করবে। আর আওয়ামী লীগ যে সিদ্ধান্ত নেয় তার বাস্তবায়ন না করে ঘরে ফিরে যায় না।
এবারের সম্মেলনে দলীয় গঠনতন্ত্রের কোনো পরিবর্তন হবে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফ বলেন, জাতীয় কাউন্সিলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন হতে পারে। তাহলে দলীয় সদস্য পদের সংখ্যা বাড়তে পারে। তবে সম্মেলনের আগে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা এবং সমন জারি হওয়া প্রসঙ্গে আশরাফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) কখনোই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন না, কোনোদিনই থাকবেনও না। দেশের স্বীকৃত ইতিহাস নিয়ে বিএনপির যে নেতিবাচক মনোভাব তা থেকে দলটি এক ইঞ্চিও সরবে না।
বিএনপির কাউন্সিলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে বিভিন্ন জেলা-উপজেলার কমিটি ঘোষণা করে। পত্রপত্রিকায় হঠাৎ দেখা যায়, অমুক নেতা হয়েছেন। এটা আবার ফলাও করে ছাপানো হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ ছোট-খাটো কমিটিও নির্বাচন ও সম্মেলন করে ঘোষণা করে।
আজ সোমবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির কার্যালয়ে সম্পাদকমণ্ডলীর এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, দেশের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু নিয়ে অহেতুক মন্তব্য বন্ধ না করলে বিএনপি একদিন ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ হবে।
বৈঠকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ড. আবদুর রাজ্জাক, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, ‘এটা তিনি সেমিনারে বলেছেন। এটা কোনো রায় নয়। আমাদের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাংবিধানিক বোর্ড আছে। ওনারাও কোনো রায় দেননি। সুপ্রিম কোর্টে একক ব্যক্তির কোনো রায় হয় না। অন্য কোনো বিচারকও এ বিষয়ের স্বপক্ষে কোনো বক্তব্য দেননি। আর এটাতো আদালতের কোনো বিচারেরও বিষয় নয়।’
আগামী ২৮ মার্চ আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের প্রতিটি সম্মেলনে দেশের গুরুত্বপূর্ণ অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ঐতিহাসিক ৬ দফা, বাংলাদেশ স্বাধীন করার প্রত্যয় তার মধ্যে সেরা সিদ্ধান্ত। এবারের সম্মেলনেও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়ে আওয়ামী লীগ ইতিহাস সৃষ্টি করবে। আর আওয়ামী লীগ যে সিদ্ধান্ত নেয় তার বাস্তবায়ন না করে ঘরে ফিরে যায় না।
এবারের সম্মেলনে দলীয় গঠনতন্ত্রের কোনো পরিবর্তন হবে কী না এমন প্রশ্নের জবাবে আশরাফ বলেন, জাতীয় কাউন্সিলে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হলে গঠনতন্ত্র পরিবর্তন হতে পারে। তাহলে দলীয় সদস্য পদের সংখ্যা বাড়তে পারে। তবে সম্মেলনের আগে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা এবং সমন জারি হওয়া প্রসঙ্গে আশরাফ বলেন, তিনি (খালেদা জিয়া) কখনোই মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে ছিলেন না, কোনোদিনই থাকবেনও না। দেশের স্বীকৃত ইতিহাস নিয়ে বিএনপির যে নেতিবাচক মনোভাব তা থেকে দলটি এক ইঞ্চিও সরবে না।
বিএনপির কাউন্সিলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি ঢাকায় বসে বিভিন্ন জেলা-উপজেলার কমিটি ঘোষণা করে। পত্রপত্রিকায় হঠাৎ দেখা যায়, অমুক নেতা হয়েছেন। এটা আবার ফলাও করে ছাপানো হয়। কিন্তু আওয়ামী লীগ ছোট-খাটো কমিটিও নির্বাচন ও সম্মেলন করে ঘোষণা করে।

No comments:
Post a Comment