![]() |
| পার্বত্য ভূমি কমিশন আইন-২০১৩ বাতিলের দাবীতে পার্বত্য বাঙ্গালী ছাত্র পরিষদ ও পার্বত্য নাগরিক পরিষদের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ |
পার্বত্য
চট্টগ্রাম সংকটের সূচনায় ছিল ভূমি বিরোধ। আর তাই এটা নিরসনেই পার্বত্য
চুক্তিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমি কমিশন গঠনের বিষয়টি বিশেষভাবে প্রাধান্য
পেয়েছিল। কিন্তু গত ১৯ বছরে এটা পরিষ্কার হয়েছে যে ভূমি সমস্যা যে তিমিরে
ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেছে। কারণ, পার্বত্য চুক্তির আলোকে ভূমি বিরোধ
নিষ্পত্তি কমিশন আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী কখনো আলোর মুখ দেখেনি। অথচ
ঘোড়ার আগে চাবুক কেনার মতোই একের পর এক কাগুজে পার্বত্য ভূমি কমিশন গঠন
করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে কাজের কাজ দূরের কথা, কোনো ধরনের কাজ কার্যত শুরু
করাই সম্ভব হয়নি। অথচ এ রকম চারটি অকার্যকর ভূমি কমিশন মেয়াদ পার করার পর
এখন আবারও পঞ্চম দফায় কমিশন গঠন করা হয়েছে। জনগণের অর্থ অপচয়েরও এটি একটি
নজির। সরকারের এ ধরনের দায়সারা মনোভাবের কারণে পার্বত্য অঞ্চলের জনগণ,
বিশেষ করে চুক্তির পরে দেশে ফেরা ৯ হাজার ৩২৬টি পরিবার হতাশাগ্রস্ত হয়ে
পড়েছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা বলেছেন, আইনে ত্রুটি রেখে কমিশন কাজ করলেও তারা মানবেন না। এ কথার ভিত্তি তৈরিতে সরকারি মহলেরও দায় আছে। কারণ, ২০০১ সালের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনটি যে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে প্রণীত হয়েছিল, সেটি সরকারও স্বীকার করে নিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, সংশোধিত আইনের খসড়ার ব্যাপারে সব পক্ষ একমত হয়েছে। এটি এখন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আইন সংশোধনের বিষয়টিকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা উচিত। তিন বছর আগে জনসংহতির ২৯টি দাবির মধ্যে যে ১৩টি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল, তার ভিত্তিতে আইনে সংশোধনী আনা হলে এক ধাপ অগ্রগতি হতো। কমিশনকে তিন বছর বেকার বসে থাকতে হতো না। সুতরাং দ্রুত আইন শোধরানো হোক। রাজনৈতিক সদিচ্ছার পরিচয় দেওয়াটাও একান্ত জরুরি, এখানে বেশি ঘাটতি থাকলে কোনো সংশোধনীই তেমন ফল দেবে না।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান সন্তু লারমা বলেছেন, আইনে ত্রুটি রেখে কমিশন কাজ করলেও তারা মানবেন না। এ কথার ভিত্তি তৈরিতে সরকারি মহলেরও দায় আছে। কারণ, ২০০১ সালের ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনটি যে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করে প্রণীত হয়েছিল, সেটি সরকারও স্বীকার করে নিয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর নিজেই সাক্ষ্য দিচ্ছেন যে, সংশোধিত আইনের খসড়ার ব্যাপারে সব পক্ষ একমত হয়েছে। এটি এখন মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে।
আইন সংশোধনের বিষয়টিকে একটি চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা উচিত। তিন বছর আগে জনসংহতির ২৯টি দাবির মধ্যে যে ১৩টি বিষয়ে সমঝোতা হয়েছিল, তার ভিত্তিতে আইনে সংশোধনী আনা হলে এক ধাপ অগ্রগতি হতো। কমিশনকে তিন বছর বেকার বসে থাকতে হতো না। সুতরাং দ্রুত আইন শোধরানো হোক। রাজনৈতিক সদিচ্ছার পরিচয় দেওয়াটাও একান্ত জরুরি, এখানে বেশি ঘাটতি থাকলে কোনো সংশোধনীই তেমন ফল দেবে না।

No comments:
Post a Comment