সারাদেশে ২০১৫ সালে ছয় হাজার ৫৮১টি সড়ক দুর্ঘটনায় আট হাজার ৬৪২ জন মানুষ নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ২১ হাজার ৮৫৫ জন ।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ তথ্য তুলে ধরে।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, স্থানীয় সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং করে এ তথ্য দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে বাড়ছে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা। যা মধ্যআয়ের মানুষের সামনে আগানোর পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। মেধাবী ও কর্মক্ষম জনসম্পদ হারিয়ে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। জিডিপির দেড় থেকে দুই শতাংশ এ সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি জানান, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৩০ হাজার ৪৯৭ যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক হতাহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অঙ্গহানী হয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এক হাজার ৩০৫ জন।
এ সময়ে এক হাজার ১৮৫টি বাস, এক হাজার ৬৫৬টি ট্রাক ও ৮৭২টি কাভার্ডভ্যান ও হিউম্যান হলার, ৫৫২টি কার, জিপ ও মাইক্রোবাস, এক হাজার ৬৭৮টি অটোরিকশা, এক হাজার ৭৭১টি মোটরসাইকেল, এক হাজার ৭১টি ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং এক হাজার ৩৩টি করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
ফুটপাত দখল, ওভারটেকিং, ওভারস্পিড, ওভারলোড, হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো, রাস্তা-ঘাটের নির্মাণ ত্রুটি, গাড়ির ত্রুটি, ট্রাফিক আইন না মানাসহ বিভিন্ন কারণে দুর্ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে বলে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন ও মোটরযান আইন সম্পর্কে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রদান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রচারণার দাবি জানান মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া গণমাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে প্রচারণা, মহাসড়কের পাশ থেকে হাট-বাজার অপসারণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আবু সাঈদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ তথ্য তুলে ধরে।
দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, স্থানীয় সংবাদপত্র ও টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে প্রচারিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ নিয়মিত মনিটরিং করে এ তথ্য দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, এসব দুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এর ফলে বাড়ছে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হারিয়ে দরিদ্র ও ছিন্নমূল মানুষের সংখ্যা। যা মধ্যআয়ের মানুষের সামনে আগানোর পথে প্রধান প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে। মেধাবী ও কর্মক্ষম জনসম্পদ হারিয়ে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। জিডিপির দেড় থেকে দুই শতাংশ এ সড়ক দুর্ঘটনার কারণে ক্ষতি হচ্ছে।
তিনি জানান, গত বছর সড়ক দুর্ঘটনায় মোট ৩০ হাজার ৪৯৭ যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক হতাহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অঙ্গহানী হয়ে চিরতরে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন এক হাজার ৩০৫ জন।
এ সময়ে এক হাজার ১৮৫টি বাস, এক হাজার ৬৫৬টি ট্রাক ও ৮৭২টি কাভার্ডভ্যান ও হিউম্যান হলার, ৫৫২টি কার, জিপ ও মাইক্রোবাস, এক হাজার ৬৭৮টি অটোরিকশা, এক হাজার ৭৭১টি মোটরসাইকেল, এক হাজার ৭১টি ব্যাটারিচালিত রিকশা এবং এক হাজার ৩৩টি করিমন দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে।
ফুটপাত দখল, ওভারটেকিং, ওভারস্পিড, ওভারলোড, হেলপার দিয়ে গাড়ি চালানো, রাস্তা-ঘাটের নির্মাণ ত্রুটি, গাড়ির ত্রুটি, ট্রাফিক আইন না মানাসহ বিভিন্ন কারণে দুর্ঘটনাগুলো সংঘটিত হয়েছে বলে যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে।
সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে ট্রাফিক আইন ও মোটরযান আইন সম্পর্কে স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা প্রদান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক প্রচারণার দাবি জানান মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া গণমাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে প্রচারণা, মহাসড়কের পাশ থেকে হাট-বাজার অপসারণ ও ফুটপাত দখলমুক্ত করার দাবিও জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে আবু সাঈদসহ সংগঠনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment