![]() |
| মাসুদ আজহার |
পাকিস্তানের
জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদের প্রধান মাওলানা মাসুদ আজহারকে আটকের খবর
নিয়ে সৃষ্ট ধোঁয়াশা কেটেছে। দেশটির পাঞ্জাব প্রদেশের আইনমন্ত্রী রানা
সানাউল্লাহ রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, মাসুদ আজহারকে ‘নিরাপত্তা হেফাজতে’
রাখা হয়েছে। পাকিস্তানের ডন পত্রিকা এ খবর জানিয়েছে।
গত বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দপ্তরের দুজন কর্মকর্তা মাসুদ আজহারকে আটকের খবরের কথা জানানোর পর ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাসুদের বিষয়ে পাকিস্তান ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কিছু জানে না বলে দাবি করে।
তবে রানা সানাউল্লাহ গতকাল রয়টার্সকে বলেন, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী দপ্তর পাঞ্জাবের দাশকা এলাকায় মাসুদ আজহারের সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ পরিচালিত জমিয়াতুল নুর মাদ্রাসায় তল্লাশি অভিযান চালায়। মাদ্রাসাটি থেকে বেশ কিছু কিতাব ও নথিপত্র জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ওই মাদ্রাসা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা বন্ধ করা হয়েছে এবং জইশ-ই-মুহাম্মদের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেন, মাসুদ আজহারকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতের পাঠানকোট হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহাতীত প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারত অভিযোগ করেছে, গত মাসে ভারতের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে যে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, সেটি জইশ-ই-মুহাম্মদের কাজ। অভিযোগের পক্ষে কিছু প্রমাণপত্রও পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারত বলেছে, সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাকিস্তান দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিলেই দিল্লি ও ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনা হতে পারে। গতকাল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু সে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান বলেছে, তারা শান্তি আলোচনার স্বার্থে ঘটনা তদন্তে ভারতকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এরই ধারাবাহিকতায় জইশ-ই-মুহাম্মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।
গত বুধবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের দপ্তরের দুজন কর্মকর্তা মাসুদ আজহারকে আটকের খবরের কথা জানানোর পর ভারতের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাসুদের বিষয়ে পাকিস্তান ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও এ বিষয়ে কিছু জানে না বলে দাবি করে।
তবে রানা সানাউল্লাহ গতকাল রয়টার্সকে বলেন, বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী দপ্তর পাঞ্জাবের দাশকা এলাকায় মাসুদ আজহারের সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদ পরিচালিত জমিয়াতুল নুর মাদ্রাসায় তল্লাশি অভিযান চালায়। মাদ্রাসাটি থেকে বেশ কিছু কিতাব ও নথিপত্র জব্দ করে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ওই মাদ্রাসা ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি মাদ্রাসা বন্ধ করা হয়েছে এবং জইশ-ই-মুহাম্মদের সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী বলেন, মাসুদ আজহারকে নিরাপত্তা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতের পাঠানকোট হামলায় জড়িত থাকার সন্দেহাতীত প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভারত অভিযোগ করেছে, গত মাসে ভারতের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে যে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, সেটি জইশ-ই-মুহাম্মদের কাজ। অভিযোগের পক্ষে কিছু প্রমাণপত্রও পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ভারত বলেছে, সংগঠনটির বিরুদ্ধে পাকিস্তান দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিলেই দিল্লি ও ইসলামাবাদের শান্তি আলোচনা হতে পারে। গতকাল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের বৈঠকে বসার কথা ছিল। কিন্তু সে বৈঠক পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তান বলেছে, তারা শান্তি আলোচনার স্বার্থে ঘটনা তদন্তে ভারতকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এরই ধারাবাহিকতায় জইশ-ই-মুহাম্মদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

No comments:
Post a Comment