মাসের
পর মাস লড়াই এবং বিমান হামলার ফলে একসময় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) দখলে থাকা
ইরাকের আনবার প্রদেশের রাজধানী রামাদির ৮০ শতাংশ এলাকা ‘ধ্বংসস্তূপে’
পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ইরাকের সেনাবাহিনী এবং আইএসের মধ্যে
এই লড়াইয়ে এ পর্যন্ত তিন হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে। কর্মকর্তারা এ
কথা জানিয়েছেন বলে আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
আনবারের প্রাদেশিক কাউন্সিলের মুখপাত্র ইদ আমাশ কুর্দি বলেন, রামাদির কয়েকটি শহর এখনো আইএসের নিয়ন্ত্রণে। শহরের কেন্দ্রীয় সরকারি ভবনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর গত রোববার বিজয় ঘোষণা করে ইরাকের বাহিনী।
প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ হিসেবে আইএসের জঙ্গিরা রামাদিজুড়ে হাজার হাজার বোমা মাটিতে পুঁতে রেখেছে। ২০১৫ সালের মে মাসে রামাদির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী গত বছরের জুলাই পর্যন্ত ওই এলাকায় ছয় শতাধিক বিমান হামলা চালায়।
রামাদি শহর কাউন্সিলের সদস্য ইবরাহিম আল ওসেজ বলেন, সন্ত্রাসী হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, তিন হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হওয়ার প্রাথমিক হিসাব পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা বাড়তে পারে। তিনি বলেন, শহরের পানি, বিদ্যুৎ ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। সড়ক, সেতু, সরকারি স্থাপনা, হাসপাতাল ও শিক্ষা–প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তা মেজর মিখাইল ফিলানোস্কি বলেন, রামাদিতে পাঁচটি সেতু ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই বছর আগে আইএসের হামলা শুরুর পর বেসামরিক নাগরিকেরা পালিয়ে যাওয়া শুরু করে।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের দেওয়া হিসাবে বলা হয়, আনবারে ২০১৪ সালে হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাজ্যের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। আনবারে ৩২ লাখ মানুষের বাস।
আনবারের প্রাদেশিক কাউন্সিলের মুখপাত্র ইদ আমাশ কুর্দি বলেন, রামাদির কয়েকটি শহর এখনো আইএসের নিয়ন্ত্রণে। শহরের কেন্দ্রীয় সরকারি ভবনের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর গত রোববার বিজয় ঘোষণা করে ইরাকের বাহিনী।
প্রতিরক্ষা কৌশলের অংশ হিসেবে আইএসের জঙ্গিরা রামাদিজুড়ে হাজার হাজার বোমা মাটিতে পুঁতে রেখেছে। ২০১৫ সালের মে মাসে রামাদির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয় আইএস। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী গত বছরের জুলাই পর্যন্ত ওই এলাকায় ছয় শতাধিক বিমান হামলা চালায়।
রামাদি শহর কাউন্সিলের সদস্য ইবরাহিম আল ওসেজ বলেন, সন্ত্রাসী হামলা ও সামরিক অভিযানের কারণে এই ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটেছে। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, তিন হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হওয়ার প্রাথমিক হিসাব পাওয়া গেছে। এই সংখ্যা বাড়তে পারে। তিনি বলেন, শহরের পানি, বিদ্যুৎ ও পয়োনিষ্কাশনব্যবস্থা ধ্বংস হয়েছে। সড়ক, সেতু, সরকারি স্থাপনা, হাসপাতাল ও শিক্ষা–প্রতিষ্ঠান গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনা কর্মকর্তা মেজর মিখাইল ফিলানোস্কি বলেন, রামাদিতে পাঁচটি সেতু ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুই বছর আগে আইএসের হামলা শুরুর পর বেসামরিক নাগরিকেরা পালিয়ে যাওয়া শুরু করে।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের দেওয়া হিসাবে বলা হয়, আনবারে ২০১৪ সালে হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত রাজ্যের দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। আনবারে ৩২ লাখ মানুষের বাস।

No comments:
Post a Comment