প্রধানমন্ত্রী
ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলার জনগণের
সংগঠন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে দেশের উন্নতি হয়। তিনি বলেন, নৌকা মার্কায়
ভোট দিয়ে দেশের স্বাধীনতা পেয়েছেন, আগামী দিনেও ভুলবেন না আমাদের। নৌকাই
শান্তি দেবে, নৌকাই উন্নতি দেবে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে সিলেট সরকারি আলিয়া
মাদরাসা মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক বিশাল জনসভায়
বক্তৃতাকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আনাচে-কানাচে আমি ঘুরছি। সিলেটসহ দেশের সমস্যা আমার জানা। কাজেই আমার কাছে কোনো দাবি করতে হবে না। আমার ওপর ভরসা রাখবেন। সব দাবিই পূরণ করা হবে।
বিকেল ৩টা ৫৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জনসভা মঞ্চে এলে জনতা মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়। প্রথমে তিনি ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১২টির ভিত্তি স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী ৪টা ২৬ মিনিট থেকে বক্তৃতা শুরু করেন। বক্তৃতা শেষ করেন ৪টা ৫৩ মিনিটে।
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অর্থপ্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা উড়ে এসে জুড়ে ক্ষমতায় বসে তারা জঙ্গিবাদ করে। তাদের সময়ে দেশ এগিয়ে যায় না, কোনো উন্নয়ন হয় না।
বিএনপির প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা চাই শান্তি, ওরা চায় অশান্তি। আওয়ামী লীগ চায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা হোক, ওরা চায় লুটপাট।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচালের নাম করে তারা যেভাবে মানুষ হত্যা করেছিল, সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে আর আছে কিনা জানি না। তারা মায়ের সামনে মেয়ে, বাবার সামনে ছেলেকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে একের পর এক। তবে মামলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষ হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে হবেই, আমরা বিচার করব।
শিক্ষা খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এক কোটি ২৮ লাখ ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তি এবং উপবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। এবারও ঠিক সময়ে শিশুদের হাতে হাতে বই পৌঁছে দিয়েছি।
প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই চিন্তা ও পদক্ষেপ বর্তমান সরকারের রয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৪০ মিনিটে সিলেট মদনমোহন কলেজের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের যেসব জেলায় সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় একটি করে সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
বর্তমান সরকার শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় সিলেটে শিক্ষার হার সবচেয়ে কম ছিল। সিলেটের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এখান থেকে শিক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে। বর্তমানে সিলেট শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নিরক্ষরমুক্ত দেশ গঠনের কাজ শুরু করে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ প্রক্রিয়া থেমে যায়। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর নিরক্ষরমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে আবার কাজ শুরু করে। বর্তমানে দেশের ৭১ ভাগ মানুষ নিরক্ষরমুক্ত। এটি দ্রুত শতভাগে উন্নীত হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরই রাজশাহী ও চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হবে। আগামীতে সিলেটেও মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করা হবে। তবে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুধু স্নাতকোত্তর কোর্স থাকবে। মেডিক্যাল কলেজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে।
প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সময় আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনসহ সব আন্দোলনেই প্রবাসীরা এগিয়ে এসেছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের অবদানের কথা স্মরণ করে আরো বলেন, ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা চলাকালে ছেলের অসুস্থ স্ত্রী ও অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে দেখতে আমি বিদেশ গিয়েছিলাম। তখন আমার দেশে ফেরা আটকানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিরাই আমার দেশে ফেরার ব্যাপারে ঐকমত্য সৃষ্টি করেন। তাদের জোরালো পদক্ষেপেই আমি দেশে ফিরতে পেরেছি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা আরো বলেন, আমার দেশে ফেরার সময় সাথে ১০০ জন প্রবাসী বাঙালি আমার সাথে ছিলেন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন সিলেটী। তাদের অবদানের কথা আমি ভুলিনি। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনীতির চাকা বেগবান রয়েছে। এ জন্য প্রবাসীদের ধন্যবাদ।
মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণের ঘোষণা
প্রধান অতিথির বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণের ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘যেখানে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী রয়েছেন, সেখানে মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণে কোনো বাধা আছে বলে আমি মনে করি না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতিসহ দেশের অনেক কৃতীসন্তান এই কলেজে লেখাপড়া করেছেন। আর কলেজেরও টাকার কোনো অভাব নেই। এই কলেজকে সরকারি করে নেবো।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন, কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সুখেন্দু বিকাশ দাস প্রমুখ।
সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের সভাপতিত্বে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আনাচে-কানাচে আমি ঘুরছি। সিলেটসহ দেশের সমস্যা আমার জানা। কাজেই আমার কাছে কোনো দাবি করতে হবে না। আমার ওপর ভরসা রাখবেন। সব দাবিই পূরণ করা হবে।
বিকেল ৩টা ৫৯ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী জনসভা মঞ্চে এলে জনতা মুহুর্মুহু করতালি দিয়ে তাকে স্বাগত জানায়। প্রথমে তিনি ১০টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ১২টির ভিত্তি স্থাপন করেন। প্রধানমন্ত্রী ৪টা ২৬ মিনিট থেকে বক্তৃতা শুরু করেন। বক্তৃতা শেষ করেন ৪টা ৫৩ মিনিটে।
জনসভায় অন্যান্যের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, অর্থপ্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
বিএনপিকে ইঙ্গিত করে শেখ হাসিনা বলেন, যারা উড়ে এসে জুড়ে ক্ষমতায় বসে তারা জঙ্গিবাদ করে। তাদের সময়ে দেশ এগিয়ে যায় না, কোনো উন্নয়ন হয় না।
বিএনপির প্রসঙ্গ টেনে শেখ হাসিনা আরো বলেন, আমরা চাই শান্তি, ওরা চায় অশান্তি। আওয়ামী লীগ চায় ন্যায় প্রতিষ্ঠা হোক, ওরা চায় লুটপাট।
শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৪ সালে নির্বাচন বানচালের নাম করে তারা যেভাবে মানুষ হত্যা করেছিল, সেটা পৃথিবীর ইতিহাসে আর আছে কিনা জানি না। তারা মায়ের সামনে মেয়ে, বাবার সামনে ছেলেকে আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। পেট্রোল বোমা দিয়ে মানুষ হত্যা করেছে একের পর এক। তবে মামলা হয়েছে, প্রত্যেক মানুষ হত্যাকারীর বিচার বাংলার মাটিতে হবেই, আমরা বিচার করব।
শিক্ষা খাতের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এক কোটি ২৮ লাখ ছাত্রছাত্রীকে বৃত্তি এবং উপবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। বিনা পয়সায় বই দিচ্ছি। এবারও ঠিক সময়ে শিশুদের হাতে হাতে বই পৌঁছে দিয়েছি।
প্রতি জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। সেই চিন্তা ও পদক্ষেপ বর্তমান সরকারের রয়েছে।
তিনি বৃহস্পতিবার বেলা ২টা ৪০ মিনিটে সিলেট মদনমোহন কলেজের হীরক জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, দেশের যেসব জেলায় সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় নেই, সেসব জেলায় একটি করে সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।
বর্তমান সরকার শিক্ষাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় সিলেটে শিক্ষার হার সবচেয়ে কম ছিল। সিলেটের শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে এখান থেকে শিক্ষামন্ত্রী করা হয়েছে। বর্তমানে সিলেট শিক্ষাক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নিরক্ষরমুক্ত দেশ গঠনের কাজ শুরু করে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে এ প্রক্রিয়া থেমে যায়। পরে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর নিরক্ষরমুক্ত দেশ গঠনের লক্ষ্যে আবার কাজ শুরু করে। বর্তমানে দেশের ৭১ ভাগ মানুষ নিরক্ষরমুক্ত। এটি দ্রুত শতভাগে উন্নীত হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ বছরই রাজশাহী ও চট্টগ্রামে মেডিক্যাল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় হবে। আগামীতে সিলেটেও মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করা হবে। তবে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শুধু স্নাতকোত্তর কোর্স থাকবে। মেডিক্যাল কলেজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে।
প্রবাসীদের অবদানের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব সময় আন্দোলন সংগ্রামে অংশ নিয়েছি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৬ দফা থেকে শুরু করে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলনসহ সব আন্দোলনেই প্রবাসীরা এগিয়ে এসেছেন।
প্রধানমন্ত্রী প্রবাসীদের অবদানের কথা স্মরণ করে আরো বলেন, ২০০৭ সালে দেশে জরুরি অবস্থা চলাকালে ছেলের অসুস্থ স্ত্রী ও অন্তঃসত্ত্বা মেয়েকে দেখতে আমি বিদেশ গিয়েছিলাম। তখন আমার দেশে ফেরা আটকানোর চেষ্টা করা হয়। এ সময় প্রবাসে বসবাসরত বাঙালিরাই আমার দেশে ফেরার ব্যাপারে ঐকমত্য সৃষ্টি করেন। তাদের জোরালো পদক্ষেপেই আমি দেশে ফিরতে পেরেছি।
বঙ্গবন্ধু কন্যা আরো বলেন, আমার দেশে ফেরার সময় সাথে ১০০ জন প্রবাসী বাঙালি আমার সাথে ছিলেন। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন সিলেটী। তাদের অবদানের কথা আমি ভুলিনি। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে দেশের অর্থনীতির চাকা বেগবান রয়েছে। এ জন্য প্রবাসীদের ধন্যবাদ।
মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণের ঘোষণা
প্রধান অতিথির বক্তব্যের একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিলেটের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণের ঘোষণা দেন।
তিনি বলেন, ‘যেখানে অর্থমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী রয়েছেন, সেখানে মদনমোহন কলেজকে সরকারীকরণে কোনো বাধা আছে বলে আমি মনে করি না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতিসহ দেশের অনেক কৃতীসন্তান এই কলেজে লেখাপড়া করেছেন। আর কলেজেরও টাকার কোনো অভাব নেই। এই কলেজকে সরকারি করে নেবো।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: সোহরাব হোসাইন, কলেজ প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সুখেন্দু বিকাশ দাস প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment