ড্যান্ডি
ডায়িংয়ের বিরুদ্ধে সোনালি ব্যাংকের করা ঋণখেলাপী মামলায় ইস্যু গঠনের
মাধ্যমে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিচার শুরু হলো। এ মামলায়
আসামি তিনিসহ ১৬ জন।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস এ মামলার ইস্যু গঠন করে সাক্ষীর জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম আজ ইস্যু গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার নাম কর্তনের জন্যও আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে ইস্যু গঠন শুনানির আদেশ দেন।
এ মামলায় ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন জারির পর জবাব দিতে বলা হয় তাকে।
ওই বছরই ১৪ জুলাই খালেদা জিয়ার পক্ষে সমনের জবাব দাখিল করেন আইনজীবী মাসুদ আহম্মদ তালুকদার ও জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
জবাবে বলা হয়, সোনালী ব্যাংক থেকে কোম্পানি ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করে। অথচ সোনালী ব্যাংক নিয়মবহির্ভূত ও বেআইনিভাবে ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপির মামলাটি করেছে, যা অর্থঋণ আইনে বৈধ নয়।
এদিকে, আরাফাত রহমান কোকো নামমাত্র কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি লেনদেনের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাই মামলাটি খারিজের আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।
এ মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লি., প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।
মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা যাওয়ায় তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে এ মামলায় বিবাদীভুক্ত করা হয়।
আজ মঙ্গলবার ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফাতেমা ফেরদৌস এ মামলার ইস্যু গঠন করে সাক্ষীর জন্য আগামী ১ মার্চ দিন ধার্য করেছেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলাম আজ ইস্যু গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার নাম কর্তনের জন্যও আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন নামঞ্জুর করে ইস্যু গঠন শুনানির আদেশ দেন।
এ মামলায় ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত। সমন জারির পর জবাব দিতে বলা হয় তাকে।
ওই বছরই ১৪ জুলাই খালেদা জিয়ার পক্ষে সমনের জবাব দাখিল করেন আইনজীবী মাসুদ আহম্মদ তালুকদার ও জয়নাল আবেদীন মেজবাহ।
জবাবে বলা হয়, সোনালী ব্যাংক থেকে কোম্পানি ১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ঋণ নেয়। পরে ১৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা পরিশোধ করে। অথচ সোনালী ব্যাংক নিয়মবহির্ভূত ও বেআইনিভাবে ৪৫ কোটি টাকা ঋণখেলাপির মামলাটি করেছে, যা অর্থঋণ আইনে বৈধ নয়।
এদিকে, আরাফাত রহমান কোকো নামমাত্র কোম্পানির ডিরেক্টর ছিলেন। তিনি লেনদেনের সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না। তাই মামলাটি খারিজের আবেদন করেন খালেদা জিয়া।
আরাফাত রহমান কোকো মারা যাওয়ায় ইসলামী শরীয়াহ মোতাবেক অংশীদারিত্ব মামলায় তার মা খালেদা জিয়া, স্ত্রী শার্মিলা রহমান এবং দুই মেয়ে জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমানকে বিবাদী করার জন্য ২০১৫ সালের ৮ মার্চ আদালতে আবেদন করে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৫ সালের ১৬ মার্চ ঢাকার অর্থঋণ আদালত-১ এর ভারপ্রাপ্ত বিচারক রোকসান আরা হ্যাপী এ মামলায় তাদের বিবাদী করেন।
এ মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন- ড্যান্ডি ডায়িং লি., প্রয়াত সাঈদ এস্কান্দারের ছেলে শামস এস্কান্দার ও সাফিন এস্কান্দার, মেয়ে সুমাইয়া এস্কান্দার, স্ত্রী নাসরিন আহমেদ, তারেক রহমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মামুনের স্ত্রী শাহীনা ইয়াসমিন, কাজী গালিব আহমেদ, শামসুন নাহার ও মাসুদ হাসান।
মামলার ১০ নম্বর বিবাদী মোজাফফর আহমেদ মারা যাওয়ায় তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ছেলে মাসুদ হাসানকে এ মামলায় বিবাদীভুক্ত করা হয়।

No comments:
Post a Comment