জিকা
ভাইরাস নিয়ে সারা বিশ্বে জরুরি
অবস্থা জারি করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার জেনেভায়
সংস্থাটির জরুরি বৈঠকে এ সতর্কতা জারি করা হয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
জিকার দ্রুত বিস্তারে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে এ রোগের ভয়বহতা নিয়ে
উদ্বিগ্ন সংস্থাটি। বিবিসি, গার্ডিয়ান। জিকা ভাইরাসের প্রভাবে অপূর্ণ
মস্তিস্ক নিয়ে জন্মাচ্ছে হাজার হাজার শিশু। ডব্লিউএইচও ইবোলার মতো জিকা
নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। জিকা
ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর পদক্ষেপ নিতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দেরি
করেছে- এমন সমালোচনার পর এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে মশাবাহিত জিকা
ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা জারি ও সমন্বিত বৈশ্বিক
পদপেক্ষ নেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার জেনেভায়
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. মার্গারেট চ্যান জানান, আমেরিকান
দেশগুলোয় জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ থেকে ৪০ লাখ হতে পারে।
বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে জিকা ভাইরাস। পুরো আমেরিকা মহাদেশ এখন ভুগছে জিকা আতংকে। এ মহাদেশের ২০টি দেশে এ সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। গত সাতদিনে কলম্বিয়ায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন দুই হাজার ১১৬ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী। কলম্বিয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ছোট মাথার কোনো শিশুর জন্ম নেয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে মশাবাহিত সব ধরনের সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার বন্ধে সতর্কতা জারি করেছে হুন্ডুরাস। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। এমন খবরে দুশ্চিন্তায় দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
বিশ্বব্যাপী ভয়াবহ আকারে ছড়িয়ে পড়ছে জিকা ভাইরাস। পুরো আমেরিকা মহাদেশ এখন ভুগছে জিকা আতংকে। এ মহাদেশের ২০টি দেশে এ সংক্রমণের হার সবচেয়ে বেশি। গত সাতদিনে কলম্বিয়ায় নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন দুই হাজার ১১৬ জন অন্তঃসত্ত্বা নারী। কলম্বিয়ায় সপ্তাহ ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়েছে জিকা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এখন পর্যন্ত দেশটিতে ছোট মাথার কোনো শিশুর জন্ম নেয়নি বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ। এদিকে মশাবাহিত সব ধরনের সংক্রামক ব্যাধির বিস্তার বন্ধে সতর্কতা জারি করেছে হুন্ডুরাস। দেশটির স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্যমতে, জিকা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়েছে। এমন খবরে দুশ্চিন্তায় দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।

No comments:
Post a Comment