Wednesday, February 10, 2016

যুক্তরাষ্ট্রের আগেই প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পাচ্ছে মিয়ানমার

যুক্তরাষ্ট্রের আগেই প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট পেতে যাচ্ছে মিয়ানমার। গত বছরের ৮ নভেম্বর ঐতিহাসিক জয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (এনএলডি) দলের নেত্রী, মিয়ানমার গণতন্ত্রের মানসকন্যা ও শান্তিতে নোবেল জয়ী অং সান সুচিই হচ্ছেন দেশটির প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট। দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে আপসের মাধ্যমে সাংবিধানিক বাধা হঠিয়ে তিনিই হচ্ছেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট। দেশটির ইতিহাসে সুচির আগে অন্য কোনো নারী প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হওয়া তা দূরের কথা সে স্বপ্নও দেখেনি। এদিকে, ২০১৬ সালের ৮ নভেম্বর মার্কিন নির্বাচনে ডেমোক্রেট দলের হয়ে প্রেসিডেন্ট মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে লড়াই করে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক ফার্স্ট লেডি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।
এর আগে ১৯৭২ সালের মার্কিন নির্বাচনে শার্লি ক্রিসহোম দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ, যিনি প্রেসিডেন্ট পদ প্রত্যাশী ছিলেন। তবে প্রাক-নির্বাচনী হিসেবে ককাসের প্রতিযোগিতায় ডেমোক্রেট দলের ১৫ জন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী প্রত্যাশীর মধ্যে ৭ম অবস্থানে থাকলেও দ্বিতীয় ধাপে এসে দলীয় কনভেনশন থেকে ছিটকে পড়েন তিনি। এছাড়া, সম্ভাবনার ছিটেফোঁটা না থাকলেও ওই নির্বাচনী মঞ্চে শার্লির সঙ্গে প্যাস্টি মিংক নামে আরও একজন নারী প্রার্থীও ছিলেন।
এ বছরও শেষ পর্যন্ত হিলারি প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন এখনও নিশ্চিত নয়- কিন্তু সুচি নিশ্চিত। মিয়ানমারের জান্তা সরকারের সঙ্গে আপসের মাধ্যমে সুচি তার প্রেসিডেন্ট হওয়ার ব্যাপারটা মোটামুটি পাকাপোক্ত করে ফেলেছেন। গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, আইন সংশ্লিষ্ট নানা বিষয় নিয়ে দেশটির সেনাবাহিনীর চিফ-ইন-কমান্ডার জেনারেল মিন অং লেইংয়ের সঙ্গে সুচির সমঝোতা এখনও চলছে।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে ২০ জুলাই ১৯৮৯ সাল থেকে ১৩ নভেম্বর ২০১০ সাল পর্যন্ত ২১ বছর কারাবরণ করেন সুচি। তার পিতা অং সান ১৯৪৭ সালে বার্মাকে (মিয়ানমার) ব্রিটেন থেকে স্বাধীন করেন। এজন্য তাকে মিয়ানমার ‘জাতির পিতা’ বলা হয়ে থাকে।

No comments:

Post a Comment