![]() |
| নামিবিয়ার আরেকটি উইকেট পড়ার পর বাংলাদেশের যুবাদের উল্লাস। -শামসুল হক |
দক্ষিণ
আফ্রিকাকে তারা হারিয়েছে রীতিমতো বলে-কয়েই। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের
বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে শেষ আটও নিশ্চিত হয়ে গেছে নামিবিয়ার।
বাংলাদেশের দিকেও চোখ রাঙানি দিচ্ছিল দলটি। কিন্তু স্বাগতিকদের বিপক্ষে
মাঠে নামার কিছুক্ষণের মধ্যেই হুমকি-টুমকি ভুলে উল্টো মান বাঁচানোর
লড়াইয়ে নামতে হয়েছে তাদের। বাংলাদেশের যুবারা যেন নামিবিয়াকে ক্রিকেটের
প্রথম ধারাপাতই শেখাল!
নামিবিয়াকে ৬৫ রানে অলআউট করে দেওয়ার পর ম্যাচ জিতে নিল মাত্র ১৬ ওভারে। ৮ উইকেট আর ২০৪ বল হাতে রেখে এল এই জয়। অবশ্য বলের ব্যবধানে এটি বাংলাদেশরও সবচেয়ে বড় জয় নয়। নামিবিয়াকেই ২০০০ যুব বিশ্বকাপে হারাতে বাংলাদেশের খরচ হয়েছিল মাত্র ১১.১ ওভার।
দাপটের সঙ্গে তিন ম্যাচ জিতেই কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বাংলাদেশ। সেখানে প্রতিপক্ষ নেপাল। অবশ্য আজকের জয়ে সামান্য অতৃপ্তি থাকতে পারে ১৩ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলা। জয়রাজের অপরাজিত ৩৪ ও নাজমুলের অপরাজিত ১৪ বাংলাদেশকে অনায়াসে নিয়ে গেছে জয়ের বন্দরে।
আজকের ম্যাচে নামিবিয়াকে দুটি লজ্জা অবশ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নামিবিয়াকে সবচেয়ে কম রানে অলআউট করে দেওয়ার পর এবারের আসরের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়টিও তুলে নিয়েছে।
২ উইকেটে ৩৭ তোলার পর নামিবিয়া পথ হারায়। সেই পথের দিশা আর খুঁজে পায়নি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। মাত্র ২৮ রানে হারিয়েছে শেষ আট উইকেট। টসে জিতে ফিল্ডিং বেছে নেওয়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশটি। বাংলাদেশের ৬ বোলারের চারজনেরই ইকোনমি রেট দুইয়েরও নিচে। এর মধ্যে সালেহ আহমেদ শাওন, আরিফুল ইসলাম ও মেহেদী মিরাজ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। সাইফুদ্দিন ও সাঈদ নিয়েছেন একটি করে।
আগের ম্যাচে যুব আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন নাজমুল। এবার বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরাজ অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে সর্বোচ্চ উইকেটের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
রেকর্ড গড়েই জয়যাত্রা অব্যাহত আছে মিরাজদের। সেই যাত্রার লক্ষ্য একটাই বিন্দুতে—১৪ ফেব্রুয়ারি দেশবাসীকে ভালোবাসা দিবসের সবচেয়ে বড় উপহারটি দেওয়া!
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নামিবিয়া অ-১৯: ৩২.৫ ওভারে ৬৫/১০ (ডেভিন ১৯, লরেনস ১৭; সালেহ আহমেদ ২/১০, মেহেদি মিরাজ ২/১২, আরিফুল ২/৯, সাইফুদ্দিন ১/১৫, সাইদ ১/২)
বাংলাদেশ অ-১৯: ১৬ ওভারে ৬৬/২ ( পিনাক ০, সাইফ ৮, জয়রাজ ৩৪*, নাজমুল ১০*; কোয়েটজি ২/২০)
ফল: বাংলাদেশ অ-১৯ ৮ উইকেটে জয়ী ( ২০৪ বল হাতে রেখে)
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সালেহ আহমেদ
নামিবিয়াকে ৬৫ রানে অলআউট করে দেওয়ার পর ম্যাচ জিতে নিল মাত্র ১৬ ওভারে। ৮ উইকেট আর ২০৪ বল হাতে রেখে এল এই জয়। অবশ্য বলের ব্যবধানে এটি বাংলাদেশরও সবচেয়ে বড় জয় নয়। নামিবিয়াকেই ২০০০ যুব বিশ্বকাপে হারাতে বাংলাদেশের খরচ হয়েছিল মাত্র ১১.১ ওভার।
দাপটের সঙ্গে তিন ম্যাচ জিতেই কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল বাংলাদেশ। সেখানে প্রতিপক্ষ নেপাল। অবশ্য আজকের জয়ে সামান্য অতৃপ্তি থাকতে পারে ১৩ রানে দুই ওপেনারকে হারিয়ে ফেলা। জয়রাজের অপরাজিত ৩৪ ও নাজমুলের অপরাজিত ১৪ বাংলাদেশকে অনায়াসে নিয়ে গেছে জয়ের বন্দরে।
আজকের ম্যাচে নামিবিয়াকে দুটি লজ্জা অবশ্য দিয়েছে বাংলাদেশ। নামিবিয়াকে সবচেয়ে কম রানে অলআউট করে দেওয়ার পর এবারের আসরের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয়টিও তুলে নিয়েছে।
২ উইকেটে ৩৭ তোলার পর নামিবিয়া পথ হারায়। সেই পথের দিশা আর খুঁজে পায়নি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। মাত্র ২৮ রানে হারিয়েছে শেষ আট উইকেট। টসে জিতে ফিল্ডিং বেছে নেওয়া বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বোলারদের দাপটে দিশেহারা হয়ে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিবেশী দেশটি। বাংলাদেশের ৬ বোলারের চারজনেরই ইকোনমি রেট দুইয়েরও নিচে। এর মধ্যে সালেহ আহমেদ শাওন, আরিফুল ইসলাম ও মেহেদী মিরাজ নিয়েছেন দুটি করে উইকেট। সাইফুদ্দিন ও সাঈদ নিয়েছেন একটি করে।
আগের ম্যাচে যুব আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ রানের মালিক হয়েছেন নাজমুল। এবার বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরাজ অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে সর্বোচ্চ উইকেটের নতুন রেকর্ড গড়েছেন।
রেকর্ড গড়েই জয়যাত্রা অব্যাহত আছে মিরাজদের। সেই যাত্রার লক্ষ্য একটাই বিন্দুতে—১৪ ফেব্রুয়ারি দেশবাসীকে ভালোবাসা দিবসের সবচেয়ে বড় উপহারটি দেওয়া!
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
নামিবিয়া অ-১৯: ৩২.৫ ওভারে ৬৫/১০ (ডেভিন ১৯, লরেনস ১৭; সালেহ আহমেদ ২/১০, মেহেদি মিরাজ ২/১২, আরিফুল ২/৯, সাইফুদ্দিন ১/১৫, সাইদ ১/২)
বাংলাদেশ অ-১৯: ১৬ ওভারে ৬৬/২ ( পিনাক ০, সাইফ ৮, জয়রাজ ৩৪*, নাজমুল ১০*; কোয়েটজি ২/২০)
ফল: বাংলাদেশ অ-১৯ ৮ উইকেটে জয়ী ( ২০৪ বল হাতে রেখে)
ম্যান অব দ্য ম্যাচ: সালেহ আহমেদ

No comments:
Post a Comment