যুক্তরাজ্যের
এক কিশোরীকে গণধর্ষণের দায়ে ১২ পাকিস্তানিকে বিভিন্ন মেয়াদে মোট ১৪৩ বছরের
কারাদণ্ড দিয়েছে ব্রাডফোর্ড ক্রাউন কোর্ট। অপ্রাপ্তবয়স্ক ওই মেয়ের সঙ্গে
যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ায় তাদেরকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে দণ্ড দিয়েছেন
আদালত। সোমবার ওই সাজা ঘোষণার সময় আদালত জানায় স্বেতাঙ্গী ওই কিশোরিটিকে
২০১১ থেকে ২০১২ পর্যন্ত ১৩ মাস ধরে দন্ডিতরা ধর্ষণ করে। দক্ষিণ ইংল্যান্ডের
ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ার শহরে ওই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তিরা
পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত মাদক ব্যবসায়ী চক্রের সদস্য বলে দেশটির গণমাধ্যমের
খবরে দাবি করা হয়েছে।
এদের মধ্যে- দণ্ডিত মোহাম্মদ আকরামকে (৬৩) পাঁচ বছর, খালিদ রাজা মাহমুদকে (৩৪) সতের বছর, সিদ্দিক ইউনুসকে (২৯) তের বছর, ফয়সাল খানকে (২৭) তের বছর , ইয়াছির কবিরকে (২৫) পনের বছর, নাসির খানকে (২৪) বারো বছর, তৌকির হোসাইনকে (২৩) তের বছর, সুফিয়ান জিয়ারাবকে (২৩) পনের বছর, বিলাল জিয়ারাবকে (২১) পনের বছর, জেইন আলীকে (২০) আট বছর , ইসরার আলীকে (১৯) সাড়ে তিন বছর ও হোসাইন সরদারকে (১৯) ছয় বছরের জেল দেয়া হয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।
এতে জড়িত আরিফ চৌধুরী (২০) নামে এক যুবক পলাতক থাকায় তার বিষয়ে কোনো সাজা ঘোষণা করেননি আদালত।
আদালতের শুনানিতে বলা হয়, ধর্ষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাদক ব্যবসায়ী আরিফ।
জানানো হয়, ধর্ষণের ঘটনায় আরিফকে ২০১২ সালে গ্রেফতার করা হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে যান।
রায় ঘোষণার সময় বিচারক রোজার টমাস আসামিদের উদ্দেশে বলেন, আসামিরা ঘৃণ্য কুকর্ম করেছে। এমন ঘটনা বিচারক তার বিচারিক জীবনে কখনো দেখেননি বলে উল্লেখ করেন।
আসামিরা নিজেদের যৌনতৃপ্তির জন্য কিশোরীকে যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার করেছেন। এতে কিশোরীর জীবনের অপূরণীয় ক্ষতি হরেছে, যা ভুক্তভোগীকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।
এদের মধ্যে- দণ্ডিত মোহাম্মদ আকরামকে (৬৩) পাঁচ বছর, খালিদ রাজা মাহমুদকে (৩৪) সতের বছর, সিদ্দিক ইউনুসকে (২৯) তের বছর, ফয়সাল খানকে (২৭) তের বছর , ইয়াছির কবিরকে (২৫) পনের বছর, নাসির খানকে (২৪) বারো বছর, তৌকির হোসাইনকে (২৩) তের বছর, সুফিয়ান জিয়ারাবকে (২৩) পনের বছর, বিলাল জিয়ারাবকে (২১) পনের বছর, জেইন আলীকে (২০) আট বছর , ইসরার আলীকে (১৯) সাড়ে তিন বছর ও হোসাইন সরদারকে (১৯) ছয় বছরের জেল দেয়া হয়েছে। খবর ডেইলি মেইলের।
এতে জড়িত আরিফ চৌধুরী (২০) নামে এক যুবক পলাতক থাকায় তার বিষয়ে কোনো সাজা ঘোষণা করেননি আদালত।
আদালতের শুনানিতে বলা হয়, ধর্ষক দলের নেতৃত্বে ছিলেন মাদক ব্যবসায়ী আরিফ।
জানানো হয়, ধর্ষণের ঘটনায় আরিফকে ২০১২ সালে গ্রেফতার করা হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি বাংলাদেশে পালিয়ে যান।
রায় ঘোষণার সময় বিচারক রোজার টমাস আসামিদের উদ্দেশে বলেন, আসামিরা ঘৃণ্য কুকর্ম করেছে। এমন ঘটনা বিচারক তার বিচারিক জীবনে কখনো দেখেননি বলে উল্লেখ করেন।
আসামিরা নিজেদের যৌনতৃপ্তির জন্য কিশোরীকে যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার করেছেন। এতে কিশোরীর জীবনের অপূরণীয় ক্ষতি হরেছে, যা ভুক্তভোগীকে আজীবন বয়ে বেড়াতে হবে।

No comments:
Post a Comment