কথা
কাটাকাটির জের ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে
(বিএসএমএমইউ) দুই বিভাগের চিকিৎসকরা মারমুখী অবস্থান নিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসকদের সঙ্গে ঝামেলার জের ধরে রোববার
সকাল থেকে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি পালন করছেন। এতে
রোগীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। জানা গেছে, গতকাল শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের
মেডিসিন বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. কাওছার তার স্ত্রীর অস্ত্রোপচারের আগে
একটি পরীক্ষার জন্য অ্যানেসথেসিয়া বিভাগে যান। ডা. কাওছার নিজের পরিচয়
দেবার পরও তাকে বসিয়ে রাখেন ওই বিভাগের চিকিৎসকরা।
এক পর্যায়ে ডা. কাওছার বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল সভাপতি ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক ডা. মামুনকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। এ সময় ডা. মামুন নিজে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের মেডিকেল অফিসার হওয়া সত্ত্বেও সহকর্মীদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে শনিবারই দুটি বিভাগের শিক্ষকরা ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেন।
আর রোববার সকাল থেকে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। অন্যদিকে মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসরাও ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়া এই কর্মবিরতিতে হাসপাতালের ওটি কমপ্লেক্সের বাইরে অনেক রোগীকে অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। রোগীর স্বজনেরা জানান, তারা ভোর থেকে রোগী নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অস্ত্রোপচারের জন্য অনেককে না খাইয়ে রাখতে হয়। এদের মধ্যে বাচ্চারাও আছে। তারা এখন কান্নাকাটি করছে। এ পরিস্থিতিতে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল মজিদ ভূঁইয়াকে পাওয়া যায়নি।
তবে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মোখলেসুজ্জামান হিরু যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি সুরাহার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এক পর্যায়ে ডা. কাওছার বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল সভাপতি ও অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসক ডা. মামুনকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনেন। এ সময় ডা. মামুন নিজে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের মেডিকেল অফিসার হওয়া সত্ত্বেও সহকর্মীদের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি দেখান। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ নিয়ে শনিবারই দুটি বিভাগের শিক্ষকরা ক্যাম্পাসে পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেন।
আর রোববার সকাল থেকে অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের চিকিৎসকরা কর্মবিরতি শুরু করেন। অন্যদিকে মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসরাও ক্যাম্পাসে অবস্থান নেয়ায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এদিকে, পূর্ব ঘোষণা ছাড়া এই কর্মবিরতিতে হাসপাতালের ওটি কমপ্লেক্সের বাইরে অনেক রোগীকে অস্ত্রোপচারের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। রোগীর স্বজনেরা জানান, তারা ভোর থেকে রোগী নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অস্ত্রোপচারের জন্য অনেককে না খাইয়ে রাখতে হয়। এদের মধ্যে বাচ্চারাও আছে। তারা এখন কান্নাকাটি করছে। এ পরিস্থিতিতে হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আব্দুল মজিদ ভূঁইয়াকে পাওয়া যায়নি।
তবে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মোখলেসুজ্জামান হিরু যুগান্তরকে বলেন, বিষয়টি সুরাহার জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

No comments:
Post a Comment