দেশের
বিভিন্ন এলাকার মোকামগুলো থেকে সরবরাহ বাড়তে শুরু করায় রাজধানীতে বেড়েছে
চালের মজুদ। চালের বৃহৎ পাইকারি আড়ৎ বাদামতলি ও বাবুবাজারের পাইকারি
দোকানগুলো এখন চালের বস্তার স্তূপে টইটুম্বর অবস্থা। শুধু রাজধানীই নয়,
সারা দেশের বিভিন্ন মোকাম ও স্থানীয় পাইকারদের কাছেও এ মুহূর্তে বিপুল
পরিমাণ চাল মজুদ গড়ে উঠেছে। এরই প্রভাব পড়েছে চালের দামে। পাইকারি বাজারে
গত দুই সপ্তাহ ব্যবধানে প্রতি কেজিতে কমেছে দুই থেকে তিন টাকা। তবে নিয়মিত
বাজার তদারকির দুর্বলতার কারণে খুচরা বাজারে এই দাম কমার প্রভাব এখনও পড়ছে
না। যদিও সরবরাহ চেইনের স্বাভাবিক নিয়ম অনুযায়ী পাইকারি বাজারে কোনো পণ্যের
দাম কমানো হলে খুচরা বাজারেও সংশ্লিষ্ট পণ্যের দামে সমন্বয় হওয়ার কথা। তবে
এবার চালের মজুদ বাড়তি এবং দাম হ্রাসসত্ত্বেও খুচরা পর্যায়ে চালের
বেচাবিক্রিতে এ সমন্বিত দাম মানা হচ্ছে না। এ প্রসঙ্গে দেশে চালের বৃহৎ
পাইকারি বাজার বাদামতলি ও বাবুবাজার আড়ৎদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী
মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, রাজধানীর বাদামতলি ও বাবুবাজারসহ
দেশের বিভিন্ন মোকাম ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের কাছে বিপুল পরিমাণ চাল মজুদ
রয়েছে। বাজারে চালের চাহিদাও তুলনামূলক কম। এ সময় খুচরা বাজারে চালের দাম
বাড়ানোর কোনো যৌক্তিকতা নেই। কিন্তু বাস্তবে রাজধানীর সব কাঁচাবাজারগুলোতেই
চালের সেই চড়া দামই বহাল রয়েছে। এর ফলে পাইকারি বাজারে সঙ্গে খুচরা বাজারে
নির্ধারিত দর নিয়ে ব্যাপক ফারাক তৈরি হয়েছে। তবে দাম কমার সত্যতা স্বীকার
করতে চান না খুচরা বিক্রেতারা। তারা দাবি করছেন, আসলে পাইকারি বাজারে নতুন
করে চালের দাম কমানো হয়নি। তাই খুচরা বাজারেও এর দাম কমার প্রশ্নই উঠে না।
এমন পরিস্থিতিতে পাইকারি বাজারে চালের দর কমে যাওয়া সত্ত্বেও খুচরা বাজারের
দরে অস্থিতিশীলতা লেগেই আছে। ফলে ক্রেতারা খুচরা বিক্রেতাদের ইচ্ছামতো
হাঁকানো দামে বিক্রি করছেন চাল। এতে বাড়তি পকেট কাটা যাচ্ছে ক্রেতার। এই
নিয়ে বৃহস্পতি ও শুক্রবার টানা দু’দিন সরজমিন চালের প্রধান পাইকারি আড়ৎ
বাবুবাজার ও বাদামতলি গিয়ে দেখা গেছে, মোটা কিংবা সরু সব ধরনের চালে দাম
কিছুটা কমে এসেছে। এ বাজারের বিক্রেতাদের গত দুই সপ্তাহ আগের চার্ট থেকে এই
দু’দিনে চালের বিক্রিত মূল্যে কেজিপ্রতি দুই থেকে তিন টাকা কম পরিলক্ষিত
হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে চালের বেপারীরা পাইকারি দরে প্রতিবস্তায় মানভেদে
১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমে চাল কিনেছেন।
বাজারচিত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, এ বাজারে প্রতিকেজি ভালমানের নাজিরশাইল চাল গত দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকায়। যা চলতি সপ্তায় ৪৫-৪৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গুটি চাল ২৪ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ২৬-২৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্বর্ণা ২৬- ২৭ টাকা, যা আগে ২৮-৩০ টাকায় বিক্রি করেছেন পাইকারি বিক্রেতারা। স্বর্ণা-৫ জাতের চাল দুই টাকা কমে ২৫-২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, পাইজাম ২৮-৩০ টাকা ও গুটি-২৮-৩২-৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মিনিকেট চাল মানভেদে বিক্রি ৩৭-৪২ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৩৯ থেকে ৪৫ টাকায়।
এদিকে রাজধানীর নয়াবাজার, হাতিরপুল বাজার ও রামপুরাবাজারে দেখা গেছে, সব ধরনের চালই আগের চড়া দরেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও পাইকারি বাজার থেকে এসব বাজারের বিক্রেতারা বস্তাপ্রতি চালে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমেই কিনেছিলেন।
বাজারচিত্র পর্যালোচনায় আরও দেখা যায়, এ বাজারে প্রতিকেজি ভালমানের নাজিরশাইল চাল গত দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৪৬-৪৮ টাকায়। যা চলতি সপ্তায় ৪৫-৪৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গুটি চাল ২৪ থেকে ২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ২৬-২৭ টাকায় বিক্রি হয়েছে। স্বর্ণা ২৬- ২৭ টাকা, যা আগে ২৮-৩০ টাকায় বিক্রি করেছেন পাইকারি বিক্রেতারা। স্বর্ণা-৫ জাতের চাল দুই টাকা কমে ২৫-২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, পাইজাম ২৮-৩০ টাকা ও গুটি-২৮-৩২-৩৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর মিনিকেট চাল মানভেদে বিক্রি ৩৭-৪২ টাকায়, যা দুই সপ্তাহ আগে বিক্রি হয়েছে ৩৯ থেকে ৪৫ টাকায়।
এদিকে রাজধানীর নয়াবাজার, হাতিরপুল বাজার ও রামপুরাবাজারে দেখা গেছে, সব ধরনের চালই আগের চড়া দরেই বিক্রি হতে দেখা গেছে। যদিও পাইকারি বাজার থেকে এসব বাজারের বিক্রেতারা বস্তাপ্রতি চালে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কমেই কিনেছিলেন।

No comments:
Post a Comment