বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জল ও প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির হাতে একুশে পদক তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এ পদক তুলে দেয়া হয়।
পদক বিজয়ী প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম স্বর্ণপদক এবং নগদ ২ লাখ করে টাকা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার, ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (মরনোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে মফিদুল হক, সাংবাদিকতায় তোয়াব খান, গবেষণায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ ও মংছেনচীং মংছিন, ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী, চিত্রকলায় শিল্পী কাজী আনোয়ার হোসেন (মরনোত্তর), শিল্পকলায় অভিনেত্রী জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতে পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীতে শিল্পী শাহীন সামাদ ও নৃত্যে আমানুল হক।
এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বছরের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদক চালু করে সরকার। প্রতি বছর সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়।
শনিবার সকালে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের হাতে এ পদক তুলে দেয়া হয়।
পদক বিজয়ী প্রত্যেককে ১৮ ক্যারেট মানের ৩৫ গ্রাম স্বর্ণপদক এবং নগদ ২ লাখ করে টাকা দেয়া হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।
পদকপ্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি কাজী এবাদুল হক, ডা. সাইদ হায়দার, ড. জসীম উদ্দিন আহমেদ ও সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া (মরনোত্তর), মুক্তিযুদ্ধে মফিদুল হক, সাংবাদিকতায় তোয়াব খান, গবেষণায় অধ্যাপক ডা. এ বি এম আব্দুল্লাহ ও মংছেনচীং মংছিন, ভাষা ও সাহিত্যে জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অধ্যাপক হায়াৎ মামুদ ও হাবীবুল্লাহ সিরাজী, চিত্রকলায় শিল্পী কাজী আনোয়ার হোসেন (মরনোত্তর), শিল্পকলায় অভিনেত্রী জাহানারা আহমেদ, শাস্ত্রীয় সংগীতে পণ্ডিত অমরেশ রায় চৌধুরী, সংগীতে শিল্পী শাহীন সামাদ ও নৃত্যে আমানুল হক।
এর আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ বছরের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
বায়ান্নের ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ১৯৭৬ সালে এই পদক চালু করে সরকার। প্রতি বছর সাহিত্যিক, শিল্পী, শিক্ষাবিদ, ভাষাসৈনিক, ভাষাবিদ, গবেষক, সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ, দারিদ্র্য বিমোচনে অবদানকারী, সামাজিক ব্যক্তিত্ব ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ পুরস্কার দেয়া হয়।

No comments:
Post a Comment