আসন্ন
টি-২০ বিশ্বকাপে অংশ না নেয়ার ইঙ্গিত আগেই দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট
বোর্ড। এই তালিকায় যোগ হতে চলেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। খেলোয়াড়দের সঙ্গে আর্থিক
সুবিধা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় এ শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি বোর্ড যে আর্থিক
প্রস্তাব দিয়েছে, খেলোয়াড়দের তা মনঃপুত হয়নি। এর ফলে আগামী মাসে ভারতে
অনুষ্ঠিত আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জনের মত সিদ্ধান্তও খেলোয়াড়েরা নিতে
পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) কাছ থেকে নির্দিষ্ট অংকের অর্থ পায়
প্রতিটি দলই। এতদিন আইসিসির বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য সেই অর্থ
থেকে ২৫ শতাংশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলোয়াড়েরা পেতেন।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড খেলোয়াড়দের যে আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে খেলোয়াড়েরা কম পাবেন বলে দাবি করা হয়েছে। নতুন চুক্তিতে ২০ শতাংশেরও কম পাবেন অনেকে। কেউ কেউ হয়তো পাঁচ শতাংশও পাবেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ দলের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি ক্রিকেট বোর্ডের কাছে লেখা এক চিঠিতে এই সমস্যার কথা উল্লেখ করে সমস্যাটির দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।
পুরো দলের তরফ থেকে লেখা সেই চিঠিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যে আর্থিক প্রস্তাব তারা পেয়েছেন, সেটা কোনো মতেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়।
স্যামি বিশ্বকাপ বর্জনের ব্যাপারে এখনই কিছু না বললেও পুরো ব্যাপারটির দ্রুত সমাধান না হলে সেই শঙ্কাটাও রয়ে যাচ্ছে। ২০১২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের এই দলেও অনেক তারকা টি-২০ খেলোয়াড় আছেন।
এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়ার যে সম্ভাবনা কম সেটা বোঝা যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী মিচেল মুরহেডের বক্তব্যে।
তিনি বলেছেন, আর্থিক প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক স্যামি যে অভিযোগগুলো এনেছেন, সেটা সত্য নয়।
মিচেল মুরহেড আশা করেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডের খেলোয়াড়েরা তাদের চুক্তির কাগজপত্র সই করে বোর্ড বরাবর জমা দেবে।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো ঘোষিত ১৫ জনের দলের ১৪ খেলোয়াড়ই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদের সংগঠনের (ডব্লুআইপিএ) সদস্য নয়। ফলে এই ক্রিকেটারদের হয়ে ডব্লুআইপিএ বোর্ডের সঙ্গে দর-কষাকষিও করতে পারবে না। অধিনায়ক স্যামি নিজে এগিয়ে এলেও তাকে ঠিক পাত্তাও দিচ্ছে না বোর্ড।
আর বেতন-ভাতার দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্যারিবীয় ক্রিকেটারদের ধর্মঘটও নতুন কিছু নয়। ২০১২ সালে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময় এমন ধর্মঘট হয়েছিল। সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষেও সিরিজ খেলতে ব্যর্থ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড খেলোয়াড়দের যে আর্থিক প্রস্তাব দিয়েছে, তাতে খেলোয়াড়েরা কম পাবেন বলে দাবি করা হয়েছে। নতুন চুক্তিতে ২০ শতাংশেরও কম পাবেন অনেকে। কেউ কেউ হয়তো পাঁচ শতাংশও পাবেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০ দলের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামি ক্রিকেট বোর্ডের কাছে লেখা এক চিঠিতে এই সমস্যার কথা উল্লেখ করে সমস্যাটির দ্রুত সমাধান চেয়েছেন।
পুরো দলের তরফ থেকে লেখা সেই চিঠিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়েছে, টি-২০ বিশ্বকাপকে সামনে রেখে যে আর্থিক প্রস্তাব তারা পেয়েছেন, সেটা কোনো মতেই মেনে নেয়া সম্ভব নয়।
স্যামি বিশ্বকাপ বর্জনের ব্যাপারে এখনই কিছু না বললেও পুরো ব্যাপারটির দ্রুত সমাধান না হলে সেই শঙ্কাটাও রয়ে যাচ্ছে। ২০১২ সালের টি-২০ বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়নদের এই দলেও অনেক তারকা টি-২০ খেলোয়াড় আছেন।
এই সমস্যার দ্রুত সমাধান হওয়ার যে সম্ভাবনা কম সেটা বোঝা যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী মিচেল মুরহেডের বক্তব্যে।
তিনি বলেছেন, আর্থিক প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের অধিনায়ক স্যামি যে অভিযোগগুলো এনেছেন, সেটা সত্য নয়।
মিচেল মুরহেড আশা করেন, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডের খেলোয়াড়েরা তাদের চুক্তির কাগজপত্র সই করে বোর্ড বরাবর জমা দেবে।
আরেকটি বড় সমস্যা হলো ঘোষিত ১৫ জনের দলের ১৪ খেলোয়াড়ই ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিকেটারদের সংগঠনের (ডব্লুআইপিএ) সদস্য নয়। ফলে এই ক্রিকেটারদের হয়ে ডব্লুআইপিএ বোর্ডের সঙ্গে দর-কষাকষিও করতে পারবে না। অধিনায়ক স্যামি নিজে এগিয়ে এলেও তাকে ঠিক পাত্তাও দিচ্ছে না বোর্ড।
আর বেতন-ভাতার দাবি-দাওয়া নিয়ে ক্যারিবীয় ক্রিকেটারদের ধর্মঘটও নতুন কিছু নয়। ২০১২ সালে বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময় এমন ধর্মঘট হয়েছিল। সর্বশেষ ভারতের বিপক্ষেও সিরিজ খেলতে ব্যর্থ হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

No comments:
Post a Comment