নোয়াখালীর
সূবর্ণচর উপজেলায় স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছেন এক
পাষণ্ড। হত্যার পর পালানোর সময় এলাকাবাসী তাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে।
শনিবার ভোররাতে উপজেলার চরভাটা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের শিবরচরন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- লাকী রানী নাথ (২৩) ও তার ছেলে শিশু হরি চন্দ্র নাথ (৩)। এ ঘটনায় পাষণ্ড সঞ্জয় চন্দ্র নাথ ও তার মা-বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।
পারিববাকি কলহের জের ধরে স্ত্রী ও সন্তানকে সঞ্জয় কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, সঞ্জয় নাথের পরিবারে দীর্ঘদিন থেকে কলহ লেগে আসছে। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে স্ত্রী লাকী রানীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়।
এক পর্যায়ে সঞ্জয় ধারাল অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় পাশে থাকা শিশু হরি চন্দ্র নাথকেও গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মা-ছেলের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর ঘাতক সঞ্জয় চন্দ্র নাথ পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সঞ্জয় ও তার মা-বাবাকে আটক করে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি নিজাম উদ্দিন।
শনিবার ভোররাতে উপজেলার চরভাটা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের শিবরচরন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- লাকী রানী নাথ (২৩) ও তার ছেলে শিশু হরি চন্দ্র নাথ (৩)। এ ঘটনায় পাষণ্ড সঞ্জয় চন্দ্র নাথ ও তার মা-বাবাকে আটক করেছে পুলিশ।
পারিববাকি কলহের জের ধরে স্ত্রী ও সন্তানকে সঞ্জয় কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, সঞ্জয় নাথের পরিবারে দীর্ঘদিন থেকে কলহ লেগে আসছে। এরই জের ধরে শুক্রবার রাতে স্ত্রী লাকী রানীর সঙ্গে তার ঝগড়া হয়।
এক পর্যায়ে সঞ্জয় ধারাল অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে কুপিয়ে আহত করে। এ সময় পাশে থাকা শিশু হরি চন্দ্র নাথকেও গুরুতর জখম করা হয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার ভোরে মা-ছেলের মৃত্যু হয়।
ঘটনার পর ঘাতক সঞ্জয় চন্দ্র নাথ পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধরে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সঞ্জয় ও তার মা-বাবাকে আটক করে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান ওসি নিজাম উদ্দিন।

No comments:
Post a Comment