![]() |
| সমাবর্তনে বক্তৃতা করছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ |
দেশে
লবণসহিষ্ণু ও স্বল্পমেয়াদি ফসলের জাত উৎপাদনে গবেষণা জোরদার করার আহ্বান
জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। ময়মনসিংহে গতকাল মঙ্গলবার
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে
তিনি এ আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ১ হাজার ৯১৯ জনকে স্নাতক, ২ হাজার ৮৫১ জনকে স্নাতকোত্তর ও ৩৮ জন শিক্ষার্থীকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কৃষির ভূমিকাই মুখ্য। কৃষি খাতে দৃশ্যমান সাফল্যের পেছনে কৃষিবিদেরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। গবেষণার মাধ্যমে পরিবেশ উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বলেন, দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই লবণসহিষ্ণু ও স্বল্পমেয়াদি ফসলের জাত উৎপাদনে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘কৃতিত্ব ও সাফল্যের বিভায় দীপ্ত তোমাদের এ অধ্যায়। সমগ্র জাতি তোমাদের নিয়ে গর্ববোধ করে। নিজেদের তোমরা জ্ঞানে-দক্ষতায় সমৃদ্ধ করেছ। দেশ তোমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তোমরা একযোগে কাজ করবে।’
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি ১ হাজার ৯১৯ জনকে স্নাতক, ২ হাজার ৮৫১ জনকে স্নাতকোত্তর ও ৩৮ জন শিক্ষার্থীকে পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় কৃষির ভূমিকাই মুখ্য। কৃষি খাতে দৃশ্যমান সাফল্যের পেছনে কৃষিবিদেরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। গবেষণার মাধ্যমে পরিবেশ উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তিনি বলেন, দেশে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হলে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নের বিকল্প নেই। তাই লবণসহিষ্ণু ও স্বল্পমেয়াদি ফসলের জাত উৎপাদনে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
রাষ্ট্রপতি ডিগ্রি অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘কৃতিত্ব ও সাফল্যের বিভায় দীপ্ত তোমাদের এ অধ্যায়। সমগ্র জাতি তোমাদের নিয়ে গর্ববোধ করে। নিজেদের তোমরা জ্ঞানে-দক্ষতায় সমৃদ্ধ করেছ। দেশ তোমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। দেশের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তোমরা একযোগে কাজ করবে।’
![]() |
| বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম সমাবর্তন ছিল গতকাল। সমাবর্তনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা শূন্যে টুপি ছুড়ে আনন্দ প্রকাশ করেন l ছবি: প্রথম আলো |
বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে গতকাল বেলা ১১টায় সমাবর্তন
অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর আগে একটি সমাবর্তন শোভাযাত্রা মিলনায়তনে প্রবেশ
করে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই উপাচার্য মো. আলী আকবর স্বাগত ভাষণ দেন। ছয় ডিন ও
উচ্চশিক্ষা গবেষণা কমিটির সমন্বয়কের সুপারিশে ৪ হাজার ৮০৮ জন
শিক্ষার্থীকে রাষ্ট্রপতি ডিগ্রি প্রদান করেন। পরে তিনি কয়েকজন কৃতী
শিক্ষার্থীকে সনদ ও স্বর্ণপদক প্রদান করেন। এবার স্নাতক পর্যায়ে সাতজন ও
স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৮৬ জন গ্র্যাজুয়েট স্বর্ণ পদকের জন্য মনোনীত হন।
সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও
ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের উপাচার্য জামিলুর রেজা চৌধুরী। তিনি
বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনগুলোতেই তারুণ্য শক্তির সমাবেশ, পরিচর্যা,
পরিশীলন ও বিকাশ ঘটে। এ ক্ষেত্রে দরকার হয় সুস্পষ্ট দর্শন, তরুণ হৃদয়ে
একটি স্বপ্নের নকশি বুননের একাগ্রচিত্ততা। সমাবর্তন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে
জীবনের একটি অধ্যায়কে পেছনে ফেলে প্রবেশ করতে হয় বৃহত্তর কর্মজীবনে।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও পাঁচ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, ধর্মমন্ত্রী মতিউর রহমান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও পাঁচ শতাধিক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।


No comments:
Post a Comment