চট্টগ্রাম সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ)
নেয়া সর্ববৃহৎ প্রকল্প সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্প বাস্তবায়নে সময় ও ব্যয়
দুটিই বেড়েছে। আগে এ প্রকল্পের ব্যয় ১৫শ’ কোটি টাকা ধরা হলেও এখন আরও ২শ’
কোটি টাকা বাড়ানো হয়েছে। ২০১৭ সালের মধ্যে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা
থাকলেও কাজ শেষ হতে আরও এক বছর বেশি সময় লাগবে। ব্যয় বৃদ্ধির কারণে পতেঙ্গা
থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত ৩০ ফুট উচ্চতার ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ সিটি আউটার রিং
রোড নির্মাণে ব্যয় হবে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। সড়কটির নিচের দিকে প্রশস্ত
হবে ৩০০ ফুট এবং ওপরে থাকবে ৮৪ ফুট। চার লেনের এ সড়কে পয়ঃনিষ্কাশনের জন্য
থাকবে ১১টি স্লুইস গেট। বর্তমানে সড়কে চলছে মাটি ভড়াটের কাজ। রিং রোডের
সঙ্গে যুক্ত হবে টানেল। যার কারণে রিং রোড হয়ে উঠবে এশিয়ান হাইওয়ের অংশ
বিশেষ। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এটি শহর রক্ষা বাঁধের কাজ করবে। এর ফলে
জলোচ্ছ্বাস থেকে মুক্তির পাশাপাশি যানজটমুক্ত হবে নগরবাসী।
সিডিএ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয় সাড়ে ৮শ’ কোটি টাকা। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হয়ে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ বাড়িয়ে করা হয় ১ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে আরও ২শ’ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। সম্প্রতি একনেকে অতিরিক্ত এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এখন প্রকল্প ব্যয় দাঁড়াল ১৭শ’ কোটি টাকা। এ টাকার মধ্যে জাইকা দিচ্ছে ৭১৫ কোটি ৫৮ লাখ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৮২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক হাসান বিন শামস্ যুগান্তরকে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ, সরঞ্জাম ক্রয়সহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০১৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথাসময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় এখন আরও এক বছর সময় বাড়ানো হয়েছে। ২০১৮ জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা ও অর্থ সংকটের কারণে দীর্ঘ আট বছর ঝুলে ছিল সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের কাজ। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় বেড়েছে প্রকল্প ব্যয়। ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এ সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়। ২০১১ সালের ২৯ মার্চ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি থেকে সাগরিকা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পর্যন্ত বিদ্যমান বেড়িবাঁধকে আরও ১০ ফুট উঁচু করে ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬০ ফুট চওড়া করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। ২২ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১৪ দশমিক ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং তিনটি ফিডার রোড রয়েছে। এক নম্বর ফিডার রোড পতেঙ্গা থেকে কাঠগড় পর্যন্ত, দুই নম্বর ফিডার রোড বড়পুলে এসে পোর্ট কানেকটিং রোডের সঙ্গে যুক্ত এবং তিন নম্বর ফিডার রোড সাগরিকা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের পাশে এসে পোর্ট কানেকটিং রোডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৯১ সালের জলোচ্ছ্বাসে পতেঙ্গা উপকূলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি ওই সময়ে প্রচুর সম্পদেরও ক্ষতি হয়েছিল। এরপর নগরীর উপকূলীয় বাসিন্দাদের বন্যা ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার্থে বঙ্গোপসাগরের পাশ ঘেঁষে মাটি দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করে একটি বেড়িবাঁধ। সংস্কারের অভাবে বেড়িবাঁধটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে। যদি ১৯৯১ সালের মতো পুনরায় কোনো ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে তাহলে চট্টগ্রামের বহু গুরুত্বপূর্ণ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। মূলত চট্টগ্রাম শহরকে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা এবং নগরীতে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পটি হাতে নেয় সিডিএ। সিডিএ গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে আউটার রিং রোড প্রকল্পটি সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল একটি প্রকল্প। এ প্রসঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম যুগান্তরকে বলেন, জলোচ্ছ্বাস থেকে বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন স্থাপনা ও মানুষদের রক্ষায় প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। কিন্তু এ রিং রোড দিয়ে হবে টানেলের সংযোগ সড়ক। যার ফলে রিং রোড হয়ে উঠবে এশিয়ান হাইওয়ের একটি অংশ। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে সাগর পাড়ের ২০ লাখ মানুষ জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাবে এবং একই সঙ্গে পুরো এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে।
সিডিএ সূত্র জানায়, প্রাথমিকভাবে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয় সাড়ে ৮শ’ কোটি টাকা। ২০১১ সালের জানুয়ারি মাসে শুরু হয়ে ২০১৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় সময় বাড়ানো হয়। ২০১৪ সালে প্রকল্পের ব্যয় দ্বিগুণ বাড়িয়ে করা হয় ১ হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। ২০১৫ সালে আরও ২শ’ কোটি টাকা বাড়ানো হয়। সম্প্রতি একনেকে অতিরিক্ত এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এখন প্রকল্প ব্যয় দাঁড়াল ১৭শ’ কোটি টাকা। এ টাকার মধ্যে জাইকা দিচ্ছে ৭১৫ কোটি ৫৮ লাখ, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ৮২ কোটি ৪৮ লাখ টাকা এবং বাকি টাকা দিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এ প্রসঙ্গে প্রকল্প পরিচালক হাসান বিন শামস্ যুগান্তরকে বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ, সরঞ্জাম ক্রয়সহ আনুষঙ্গিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে কাজ শুরু হয়ে ২০১৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যথাসময়ে কাজ শুরু না হওয়ায় এখন আরও এক বছর সময় বাড়ানো হয়েছে। ২০১৮ জুনে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা ও অর্থ সংকটের কারণে দীর্ঘ আট বছর ঝুলে ছিল সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের কাজ। যথাসময়ে প্রকল্পের কাজ শুরু না হওয়ায় বেড়েছে প্রকল্প ব্যয়। ২০০৮ সালে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এ সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়। ২০১১ সালের ২৯ মার্চ প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদন পায়। পতেঙ্গা নেভাল একাডেমি থেকে সাগরিকা বিভাগীয় স্টেডিয়াম পর্যন্ত বিদ্যমান বেড়িবাঁধকে আরও ১০ ফুট উঁচু করে ২১ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং ৬০ ফুট চওড়া করে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা রয়েছে। ২২ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে ১৪ দশমিক ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ এবং তিনটি ফিডার রোড রয়েছে। এক নম্বর ফিডার রোড পতেঙ্গা থেকে কাঠগড় পর্যন্ত, দুই নম্বর ফিডার রোড বড়পুলে এসে পোর্ট কানেকটিং রোডের সঙ্গে যুক্ত এবং তিন নম্বর ফিডার রোড সাগরিকা বিভাগীয় স্টেডিয়ামের পাশে এসে পোর্ট কানেকটিং রোডের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। ১৯৯১ সালের জলোচ্ছ্বাসে পতেঙ্গা উপকূলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ব্যাপক প্রাণহানির পাশাপাশি ওই সময়ে প্রচুর সম্পদেরও ক্ষতি হয়েছিল। এরপর নগরীর উপকূলীয় বাসিন্দাদের বন্যা ও সামুদ্রিক জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার্থে বঙ্গোপসাগরের পাশ ঘেঁষে মাটি দিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্মাণ করে একটি বেড়িবাঁধ। সংস্কারের অভাবে বেড়িবাঁধটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ে। যদি ১৯৯১ সালের মতো পুনরায় কোনো ঘূর্ণিঝড়-জলোচ্ছ্বাস আঘাত হানে তাহলে চট্টগ্রামের বহু গুরুত্বপূর্ণ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। মূলত চট্টগ্রাম শহরকে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা এবং নগরীতে যানজট নিরসনের লক্ষ্যে সিটি আউটার রিং রোড প্রকল্পটি হাতে নেয় সিডিএ। সিডিএ গৃহীত প্রকল্পগুলোর মধ্যে আউটার রিং রোড প্রকল্পটি সবচেয়ে বৃহৎ ও ব্যয়বহুল একটি প্রকল্প। এ প্রসঙ্গে সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম যুগান্তরকে বলেন, জলোচ্ছ্বাস থেকে বঙ্গোপসাগরসংলগ্ন স্থাপনা ও মানুষদের রক্ষায় প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়। কিন্তু এ রিং রোড দিয়ে হবে টানেলের সংযোগ সড়ক। যার ফলে রিং রোড হয়ে উঠবে এশিয়ান হাইওয়ের একটি অংশ। প্রকল্পটির কাজ শেষ হলে সাগর পাড়ের ২০ লাখ মানুষ জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা পাবে এবং একই সঙ্গে পুরো এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে।

No comments:
Post a Comment