জঙ্গি দমনের উপায় খুঁজতে ব্রিটিশমন্ত্রী ব্রোকেনশায়ার ঢাকায়
কোনো
ধরনের পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই জঙ্গি দমনের উপায় খুঁজতে রোববার ঢাকায় পৌঁছেন
ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র দফতরের অভিবাসন বিষয়কমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার।
বৈশ্বিক সন্ত্রাসের হুমকি নিয়ে যুক্তরাজ্যে উদ্বেগের মধ্যে তার এই সফর।
জঙ্গি দমনে ব্রিটিশ এই মন্ত্রীর কাছে গোয়েন্দা তথ্য এবং আইনশৃংখলা রক্ষী
বাহিনীর জন্য প্রশিক্ষণ সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ। ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন,
ব্রিটেনে বর্তমানে প্রায় পাঁচ লাখের বেশি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ
নাগরিক রয়েছেন। তাদের সঙ্গে বাংলাদেশের একটি শক্তিশালী যোগসূত্র রয়েছে।
সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে তারা জড়িয়ে গেলে উভয় দেশেই তার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
ফলে দুই দেশ মিলে কিভাবে এই হুমকি মোকাবেলা করা যায় তা নিয়ে ঢাকায় সরকারের
উচ্চ পর্যায়ে আলোচনা শুরু করেছেন ব্রিটিশ এই মন্ত্রী।
ব্রোকেনশায়ার দু’দিনের সফরের প্রথম দিনেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে তিনি খোলামেলা বলেছেন, জঙ্গি দমনে তারা ‘কাউন্টার এক্সট্রিমিজম স্ট্র্যাটেজি’ নামের নতুন একটি কৌশল নিয়েছেন। সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ কী করছে সেটিও তাদের আগ্রহের বিষয়। এই নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি সহযোগিতাও তিনি চান। বিশেষ করে অবৈধ অভিবাসন রোধ করে এটি মোকাবেলায় বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিককালে যুক্তরাজ্য থেকে অনেকেই পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব লন্ডনের তিনজন কিশোরী ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ দিতে তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় গেছে বলে জানা যায়। ১৫ এবং ১৬ বছরের এই তিন কিশোরীর মধ্যে শামিমা বেগম এবং খাদিজা সুলতানা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। ব্রিটেন থেকে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০ ছেলেমেয়ে জিহাদে অংশ নিতে মধ্যপ্রাচ্যে গেছে বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে উপস্থিত বাংলাদেশী কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুণীরাসহ জিহাদে অংশ নিতে যাওয়া সবাই ব্রিটিশ নাগরিক। ফলে এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে তারা ব্রিটিশমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন। জবাবে ব্রিটিশমন্ত্রী জঙ্গিবাদবিরোধী কৌশল গ্রহণের কথা বলেছেন, যার অংশ হিসেবে জঙ্গিবাদবিরোধীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গঠনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তার অধীনে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আদর্শিকভাবে যাতে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে কেউ অংশ নিতে না পারে সেই লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টির পদক্ষেপও রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিটিশমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার যুগান্তরসহ কয়েকজন সাংবাদিককে বলেন, বাংলাদেশে প্রথম সফরে এসে এখানকার মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ। ব্রোকেনশায়ার জানান, বৈঠকে সন্ত্রাস দমন, সংগঠিত অপরাধ দমন আর অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে শক্তিশালী বাংলাদেশী ডায়াসপোরা (বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক) রয়েছে। তারা ব্রিটিশ অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রেও অবদান রেখে চলেছেন। যুক্তরাজ্য সরকার সন্ত্রাস দমন, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করা অব্যাহত রাখবে। এতে করে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে নিরাপদ এবং আরও অধিক সফল হবে বলে আশা করি।
এদিকে, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, জেমস ব্রোকেনশায়ার সফরকালে সরকারি কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও অবৈধ অভিবাসন, সংগঠিত অপরাধ এবং সহিংস জঙ্গিবাদসহ দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকার ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সফর করতে পেরে আমি আনন্দিত। এটা বাংলাদেশে আমার প্রথম সফর। নতুন নির্বাচিত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের কোনো মন্ত্রীরও এটা প্রথম সফর।
ব্রিটিশমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের অংশীদার ও বন্ধু। জনগণের পর্যায়ে জোরালো সম্পর্কের কারণে আমি বিশেষভাবে গর্বিত। যুক্তরাজ্যে পাঁচ লাখ বাংলাদেশী ডায়াসপোরা থাকার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্কসহ আমাদের মধ্যে স্পন্দনশীল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে। এই সফরে আমরা বৈশ্বিক সন্ত্রাসের হুমকি এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে যৌথ প্রচেষ্টা চালাতে পারব।
ব্রিটিশমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, আমি ব্রিটিশমন্ত্রী ব্রোকেনশায়ারের কাছে বাংলাদেশের আইন-শৃংখলা রক্ষী বাহিনীর সামর্থ্য বাড়াতে প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য চেয়েছি। আমি এও বলেছি, আমরা জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এরা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। কেবল কূটনৈতিক এলাকাতেই নয়, সারা বাংলাদেশেই আমরা বিদেশীদের নিরাপত্তা দিয়েছি। ব্রিটিশমন্ত্রী আমাদের এসব পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জেমস ব্রোকেনশায়ার অভিবাসন নীতি ও আইন, ইইউ, পাসপোর্ট দফতর, আশ্রয়প্রার্থী, বর্ডার ফোর্স, অভিবাসন বিধির প্রয়োগ, ব্যক্তিগত মামলার সিদ্ধান্ত, যুক্তরাজ্যের ভিসা, অভিবাসন ও প্রত্যর্পণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তার বিষয়াদি দোখাশোনা করেন।
এদিকে, বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে হিথ্রো বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট থাকায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বিভিন্ন সময়ে এই উদ্বেগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পর বিদেশী কূটনীতিকদের তা অবহিত করেছে বাংলাদেশ।
ব্রোকেনশায়ার দু’দিনের সফরের প্রথম দিনেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন। সেখানে তিনি খোলামেলা বলেছেন, জঙ্গি দমনে তারা ‘কাউন্টার এক্সট্রিমিজম স্ট্র্যাটেজি’ নামের নতুন একটি কৌশল নিয়েছেন। সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ কী করছে সেটিও তাদের আগ্রহের বিষয়। এই নিয়ে দু’দেশের মধ্যে একটি সহযোগিতাও তিনি চান। বিশেষ করে অবৈধ অভিবাসন রোধ করে এটি মোকাবেলায় বাংলাদেশের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।
সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিককালে যুক্তরাজ্য থেকে অনেকেই পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটে যোগ দিয়েছে। বিশেষ করে পূর্ব লন্ডনের তিনজন কিশোরী ইসলামিক স্টেটের সঙ্গে যোগ দিতে তুরস্ক হয়ে সিরিয়ায় গেছে বলে জানা যায়। ১৫ এবং ১৬ বছরের এই তিন কিশোরীর মধ্যে শামিমা বেগম এবং খাদিজা সুলতানা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। ব্রিটেন থেকে ইতিমধ্যেই প্রায় ৫০০ ছেলেমেয়ে জিহাদে অংশ নিতে মধ্যপ্রাচ্যে গেছে বলে জানা গেছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে উপস্থিত বাংলাদেশী কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তরুণীরাসহ জিহাদে অংশ নিতে যাওয়া সবাই ব্রিটিশ নাগরিক। ফলে এ ব্যাপারে ব্রিটিশ সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে তারা ব্রিটিশমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছেন। জবাবে ব্রিটিশমন্ত্রী জঙ্গিবাদবিরোধী কৌশল গ্রহণের কথা বলেছেন, যার অংশ হিসেবে জঙ্গিবাদবিরোধীদের সঙ্গে অংশীদারিত্ব গঠনের বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। অপরদিকে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে। তার অধীনে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আদর্শিকভাবে যাতে জঙ্গি কর্মকাণ্ডে কেউ অংশ নিতে না পারে সেই লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টির পদক্ষেপও রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর ব্রিটিশমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার যুগান্তরসহ কয়েকজন সাংবাদিককে বলেন, বাংলাদেশে প্রথম সফরে এসে এখানকার মানুষের উষ্ণ আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ। ব্রোকেনশায়ার জানান, বৈঠকে সন্ত্রাস দমন, সংগঠিত অপরাধ দমন আর অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাজ্যে শক্তিশালী বাংলাদেশী ডায়াসপোরা (বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক) রয়েছে। তারা ব্রিটিশ অর্থনীতিতে অবদান রাখছেন। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে জোরালো সম্পর্ক রাখার ক্ষেত্রেও অবদান রেখে চলেছেন। যুক্তরাজ্য সরকার সন্ত্রাস দমন, সংগঠিত অপরাধ দমন এবং অনিয়মিত অভিবাসন প্রতিরোধ করতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করা অব্যাহত রাখবে। এতে করে বাংলাদেশ ভবিষ্যতে নিরাপদ এবং আরও অধিক সফল হবে বলে আশা করি।
এদিকে, ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশন জানিয়েছে, জেমস ব্রোকেনশায়ার সফরকালে সরকারি কর্মকর্তা, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও অবৈধ অভিবাসন, সংগঠিত অপরাধ এবং সহিংস জঙ্গিবাদসহ দ্বিপক্ষীয় অগ্রাধিকার ইস্যু নিয়ে আলোচনা করবেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ সফর করতে পেরে আমি আনন্দিত। এটা বাংলাদেশে আমার প্রথম সফর। নতুন নির্বাচিত সরকারের স্বরাষ্ট্র দফতরের কোনো মন্ত্রীরও এটা প্রথম সফর।
ব্রিটিশমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের অংশীদার ও বন্ধু। জনগণের পর্যায়ে জোরালো সম্পর্কের কারণে আমি বিশেষভাবে গর্বিত। যুক্তরাজ্যে পাঁচ লাখ বাংলাদেশী ডায়াসপোরা থাকার কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। শক্তিশালী বাণিজ্য সম্পর্কসহ আমাদের মধ্যে স্পন্দনশীল দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রয়েছে। এই সফরে আমরা বৈশ্বিক সন্ত্রাসের হুমকি এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে যৌথ প্রচেষ্টা চালাতে পারব।
ব্রিটিশমন্ত্রী জেমস ব্রোকেনশায়ার পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল যুগান্তরকে বলেন, আমি ব্রিটিশমন্ত্রী ব্রোকেনশায়ারের কাছে বাংলাদেশের আইন-শৃংখলা রক্ষী বাহিনীর সামর্থ্য বাড়াতে প্রশিক্ষণ এবং গোয়েন্দা তথ্য চেয়েছি। আমি এও বলেছি, আমরা জঙ্গিদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছি। এরা মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না। কেবল কূটনৈতিক এলাকাতেই নয়, সারা বাংলাদেশেই আমরা বিদেশীদের নিরাপত্তা দিয়েছি। ব্রিটিশমন্ত্রী আমাদের এসব পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, জেমস ব্রোকেনশায়ার অভিবাসন নীতি ও আইন, ইইউ, পাসপোর্ট দফতর, আশ্রয়প্রার্থী, বর্ডার ফোর্স, অভিবাসন বিধির প্রয়োগ, ব্যক্তিগত মামলার সিদ্ধান্ত, যুক্তরাজ্যের ভিসা, অভিবাসন ও প্রত্যর্পণ এবং পারস্পরিক আইনি সহায়তার বিষয়াদি দোখাশোনা করেন।
এদিকে, বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়েও যুক্তরাজ্যের উদ্বেগ রয়েছে। বিশেষ করে হিথ্রো বিমানবন্দরে বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট থাকায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বিভিন্ন সময়ে এই উদ্বেগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের তরফে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে করণীয় নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। তার মধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার পর বিদেশী কূটনীতিকদের তা অবহিত করেছে বাংলাদেশ।

No comments:
Post a Comment