প্রথম
ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ‘বিকৃত’ নির্বাচন উল্লেখ করে
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, এবার
মনোনয়ন বাণিজ্য তৃণমূল পর্যায়ে চলে গেছে। এটা স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকেও
‘বিকৃত’ করেছে। ৮০ এবং ৯০ এর দশকে এই পর্যায়ের নির্বাচন নিয়ে সহিংসতা হতো।
২০০৮ সাল থেকে এটি নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু এবার আবার এই সহিংসতা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ২৭ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এ ছাড়া এই নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক
হয়নি। এটি ‘বিকৃত’ নির্বাচনের প্রতিফলন। আর এই ‘বিকৃত’ নির্বাচনের ফলে
মানুষ নির্বাচনী ব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। এটি মঙ্গলজনক নয়।
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। সোমবার রাজধানীর
ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ
মন্তব্য করেন। সংবাদ সম্মেলনে গত ২২ মার্চ প্রথম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি)
নির্বাচন পরিস্থিতি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে প্রথম ধাপে
অনুষ্ঠিত নির্বাচনে অনিয়ম ও সহিংসতার বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। সুজনের
কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার বলেন, ব্যাপক সহিংসতার মধ্য দিয়ে
প্রথম ধাপে ৭১২টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হয়। ৩৬টি জেলায় অনুষ্ঠিত এই
নির্বাচনে ৩২ টিতেই সহিংসতা, অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচনের দিনেই
সহিংসতায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। সহস্রাধিক আহত হয়েছেন। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত
নিহতের সংখ্যা ২৭ জন। আহত তিন হাজারের বেশি। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের
ফলাফলের প্রধান কারণ প্রভাবিত ও দখলদারিত্বমূলক নির্বাচন। এ ছাড়া এই
নির্বাচন প্রক্রিয়ার শুরু থেকেই ইসির ভূমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment