![]() |
| ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যুৎ ও ব্যান্ডউইট্থ বিনিময় দুই দেশের
পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। গতকাল বুধবার
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইট্থ রপ্তানি এবং ভারত থেকে
বিদ্যুৎ আমদানি কার্যক্রম উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা
বলেন। তিনি এ সময় বলেন, ‘আজকের এই দিনটি পারস্পরিক সম্পর্কের জন্য একটি
গুরুত্বপূর্ণ ও সুখের দিন।’ ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ঢাকায়
তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে বাটন ক্লিক করে ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইট্থ
রপ্তানির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। আর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি
নয়াদিল্লিতে তাঁর কার্যালয় থেকে বাটন ক্লিক করে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন,
‘ত্রিপুরা থেকে বিদ্যুৎ পাওয়ার মধ্য দিয়ে আরেকটি রাজনৈতিক অঙ্গীকার পূরণ
হলো। ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে আমার ত্রিপুরা সফরের সময় এর সূত্রপাত
হয়েছিল।’ এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য শেখ হাসিনা ভারতের
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানান।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই অঞ্চলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন উচ্চমানে পৌঁছেছে। আমি নিশ্চিত, আমাদের জনগণের বৃহৎ কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে এ ধরনের আরও অনেক আনন্দঘন মুহূর্ত অপেক্ষা করছে। বিদ্যুৎ আমদানি আমাদের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সাহায্য করবে। আর বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইট্থ পেয়ে ত্রিপুরা এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি পাবে।’ তিনি বলেন, আঞ্চলিক সংযোগ এ অঞ্চলে ব্যাপক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
১৭ মার্চ ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনাকে। এ ছাড়া তিনি স্বাধীনতা দিবসের (২৬ মার্চ) প্রাক্কালে বাংলাদেশের জনগণকেও শুভেচ্ছা জানান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধুপ্রতিম এই দেশ দুটি যেভাবে জলে-স্থলে এবং ডিজিটাল বিশ্বে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে, ভারত চায় মহাশূন্যেও সেই সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করতে।
নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশবাসীকে হোলির শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘হোলি রঙের উৎসব। হোলির এই পবিত্র উৎসবের দিনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় ইন্টারনেট ব্যান্ডউইট্থ রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন রঙে রাঙানো হলো।’
বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের আগুনঝরা দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই দুঃখের দিনগুলোতে যেমন ভারতের জনগণ বাংলাদেশের পাশে থেকেছে, এখনো তেমনি রয়েছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে তার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে আমরা সমগ্র বিশ্বের সামনে অনন্য নজির স্থাপন করতে সমর্থ হয়েছি।’ মোদি বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাহায্যে দুটি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন মুখ্যমন্ত্রী সহযোগে প্রকল্প উদ্বোধনের ঘটনা বিশ্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে আমাদের দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার এক চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছি। আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ চলছে। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে রামপালে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।’
অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক অপর এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুমিল্লা থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহ্মেদ এবং ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা।
২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় ভারত সঞ্চার নিগাম লিমিটেড (বিএসএনএল) ও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইট্থ রপ্তানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিএসসিসিএল আগরতলাকে সংযুক্ত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল এবং বিএসএনএল আগরতলায় ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স গেটওয়ে স্থাপন করে।
সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলজিয়ামে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, কোনো সভ্য সমাজে সন্ত্রাসীদের স্থান নেই। সন্ত্রাসীর বর্ণ, ধর্ম অথবা ধর্মবিশ্বাস যা-ই হোক, কোনো সভ্য সমাজে তাদের ঠাঁই নেই। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গাজীপুর জেলার কাশিমপুরের তেঁতুইবাড়ির বেগম ফজিলাতুন্নেছা কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এর আগেও একবার এই হাসপাতালে পরীক্ষা করান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, আগেরবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নিজেই কাউন্টারে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেন এবং রেজিস্ট্রেশন ও চেকআপ ফি দেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই অঞ্চলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন উচ্চমানে পৌঁছেছে। আমি নিশ্চিত, আমাদের জনগণের বৃহৎ কল্যাণ সাধনের মাধ্যমে এ ধরনের আরও অনেক আনন্দঘন মুহূর্ত অপেক্ষা করছে। বিদ্যুৎ আমদানি আমাদের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সাহায্য করবে। আর বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইট্থ পেয়ে ত্রিপুরা এবং ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলোর মধ্যে ডিজিটাল সংযোগ বৃদ্ধি পাবে।’ তিনি বলেন, আঞ্চলিক সংযোগ এ অঞ্চলে ব্যাপক সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেবে বলে তাঁর বিশ্বাস।
১৭ মার্চ ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন। ভিডিও কনফারেন্সে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনাকে। এ ছাড়া তিনি স্বাধীনতা দিবসের (২৬ মার্চ) প্রাক্কালে বাংলাদেশের জনগণকেও শুভেচ্ছা জানান।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধুপ্রতিম এই দেশ দুটি যেভাবে জলে-স্থলে এবং ডিজিটাল বিশ্বে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে, ভারত চায় মহাশূন্যেও সেই সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত করতে।
নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশবাসীকে হোলির শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘হোলি রঙের উৎসব। হোলির এই পবিত্র উৎসবের দিনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে ভারতের ত্রিপুরা থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ আমদানি এবং বাংলাদেশ থেকে ত্রিপুরায় ইন্টারনেট ব্যান্ডউইট্থ রপ্তানি কার্যক্রমের উদ্বোধন হওয়ায় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নতুন রঙে রাঙানো হলো।’
বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামের আগুনঝরা দিনগুলোর কথা স্মরণ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেই দুঃখের দিনগুলোতে যেমন ভারতের জনগণ বাংলাদেশের পাশে থেকেছে, এখনো তেমনি রয়েছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক কেমন হবে তার দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করে আমরা সমগ্র বিশ্বের সামনে অনন্য নজির স্থাপন করতে সমর্থ হয়েছি।’ মোদি বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষের সাহায্যে দুটি দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং একজন মুখ্যমন্ত্রী সহযোগে প্রকল্প উদ্বোধনের ঘটনা বিশ্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘২০০৯ সাল থেকে আমাদের দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার এক চমৎকার সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। আমরা ইতিমধ্যে ভারত থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করেছি। আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির জন্য সাবস্টেশন স্থাপনের কাজ চলছে। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে রামপালে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলেছে।’
অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ বক্তব্য দেন। বাংলাদেশের পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক অপর এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কুমিল্লা থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম, অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান, জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহ্মেদ এবং ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রীংলা।
২০১৫ সালে নরেন্দ্র মোদির ঢাকা সফরের সময় ভারত সঞ্চার নিগাম লিমিটেড (বিএসএনএল) ও বাংলাদেশ সাবমেরিন কেব্ল কোম্পানির (বিএসসিসিএল) মধ্যে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইট্থ রপ্তানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বিএসসিসিএল আগরতলাকে সংযুক্ত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আখাউড়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল এবং বিএসএনএল আগরতলায় ইন্টারন্যাশনাল লং ডিসট্যান্স গেটওয়ে স্থাপন করে।
সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বেলজিয়ামে সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, কোনো সভ্য সমাজে সন্ত্রাসীদের স্থান নেই। সন্ত্রাসীর বর্ণ, ধর্ম অথবা ধর্মবিশ্বাস যা-ই হোক, কোনো সভ্য সমাজে তাদের ঠাঁই নেই। বেলজিয়ামের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল গাজীপুর জেলার কাশিমপুরের তেঁতুইবাড়ির বেগম ফজিলাতুন্নেছা কেপিজে বিশেষায়িত হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান। এর আগেও একবার এই হাসপাতালে পরীক্ষা করান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, আগেরবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নিজেই কাউন্টারে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করেন এবং রেজিস্ট্রেশন ও চেকআপ ফি দেন।

No comments:
Post a Comment