![]() |
| বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে আজ কলকাতার বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে মাল্যদান করা হয়। -ভাস্কর মুখার্জি |
বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের ৯৬ তম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ছিল আজ
বৃহস্পতিবার। কলকাতায় দিনটি উদযাপিত হয়েছে যথাযোগ্য মর্যাদায়।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন দিনটি পালনের জন্য দিনব্যাপী কর্মসূচি নেয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে মাল্যদান, বিশেষ মোনাজাত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আজ সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার ৮ স্মিথ লেনের সরকারি বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে মাল্যদান করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার জকি আহাদ, পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু, বাংলাদেশের সাংসদ মৃণাল কান্তি দাস, বাংলাদেশের সাবেক সচিব সি কিউ মুস্তাক আহমেদ, কলকাতার বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি জি পি সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুল দেওয়া হয়।
বেকার হোস্টেল ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় (১৯৪৫-৪৬ সালে) বেকার হোস্টেলে ছিলেন। ২৪ নম্বর কক্ষে তিনি থাকতেন। পরে ইসলামিয়া কলেজের নামকরণ করা হয় মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়া হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কক্ষ। এই স্মৃতিকক্ষে এখনো রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল ও আলমারি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ২৪ নম্বরের পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটিকে যুক্ত করে স্মৃতিকক্ষ গড়ার উদ্যোগ নেন। পরে ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
কলকাতার বাংলাদেশ উপহাইকমিশন দিনটি পালনের জন্য দিনব্যাপী কর্মসূচি নেয়। কর্মসূচির মধ্যে ছিল বেকার হোস্টেলে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে মাল্যদান, বিশেষ মোনাজাত, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, বঙ্গবন্ধুর ওপর আলোকচিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
আজ সকাল ১০টার দিকে বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত কলকাতার ৮ স্মিথ লেনের সরকারি বেকার হোস্টেলের ২৪ নম্বর কক্ষে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে মাল্যদান করেন কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার জকি আহাদ, পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু, বাংলাদেশের সাংসদ মৃণাল কান্তি দাস, বাংলাদেশের সাবেক সচিব সি কিউ মুস্তাক আহমেদ, কলকাতার বেঙ্গল ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি জি পি সরকার প্রমুখ। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর আবক্ষ ভাস্কর্যে ফুল দেওয়া হয়।
বেকার হোস্টেল ১৯১০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি সরকারি ছাত্রাবাস। বঙ্গবন্ধু কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে ডিগ্রি পড়ার সময় (১৯৪৫-৪৬ সালে) বেকার হোস্টেলে ছিলেন। ২৪ নম্বর কক্ষে তিনি থাকতেন। পরে ইসলামিয়া কলেজের নামকরণ করা হয় মৌলানা আজাদ কলেজ। ১৯৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্যোগে বেকার হোস্টেলের ২৩ ও ২৪ নম্বর কক্ষ নিয়ে গড়া হয় বঙ্গবন্ধু স্মৃতি কক্ষ। এই স্মৃতিকক্ষে এখনো রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত খাট, চেয়ার, টেবিল ও আলমারি। তৎকালীন বাংলাদেশ সরকারের অনুরোধে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু ২৪ নম্বরের পাশের ২৩ নম্বর কক্ষটিকে যুক্ত করে স্মৃতিকক্ষ গড়ার উদ্যোগ নেন। পরে ১৯৯৮ সালের ৩১ জুলাই বঙ্গবন্ধু স্মৃতিকক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

No comments:
Post a Comment