![]() |
| তাসকিনের নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রিভিউ চাইবে বিসিবি। ছবি: এএফপি |
অবশেষে
তাসকিন আহমেদের বোলিং নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের ‘রিভিউ’ চাচ্ছে বিসিবি।
আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করে আজকের মধ্যেই এই রিভিউর নোটিশ পাঠানো হবে
আইসিসিতে। বিসিবির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী মুঠোফোনে
প্রথম আলোকে বলেছেন, ‘আমরা রিভিউ নোটিশ পাঠানোর চিন্তা ভাবনা করছি। বিষয়টি
এখন প্রক্রিয়াধীন আছে।’
এর আগে গতকাল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান আইসিসির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাসকিনের বোলিংয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানান। বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার প্রক্রিয়াগত বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরে আইসিসিকে একটি মেইলও পাঠায় বিসিবি। বিসিবি আশাবাদী ছিল, আইনি পরামর্শকদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি। কিন্তু এখন তাতে কার্যকর কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কমই দেখছে তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্মকর্তা এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আইসিসির পরিবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষাতেও কোনো একটা ডেলিভারি সঠিক মনে না হলে অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করা হতে পারে। আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশনে প্রায়ই বিভিন্ন সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত হয়। হয়তো এই নিয়মটাও নতুন ঢুকেছে।’
রিভিউ চাওয়ার সিদ্ধান্তে মনে হচ্ছে, তাসকিনের ব্যাপারে গতকালের শক্ত অবস্থান থেকে কিছুটা হলেও সরে এসেছে বিসিবি। কারণ, বিসিবি চাচ্ছিল রিভিউ বা পুনর্বাসন ও পুনঃপরীক্ষার প্রথাগত পথে না গিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় অল্পসময়ের মধ্যেই সমস্যার ইতিবাচক সমাধান করতে।
কিন্তু রিভিউ প্রক্রিয়ায় খুব দ্রুত নিষেধাজ্ঞা ওঠার সম্ভাবনা কম। এই প্রক্রিয়ায় নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার কিছু না থাকলেও প্রথমে এক বা একাধিক শুনানি হবে। সেখানে দুই পক্ষ তাদের নিজেদের যুক্তি-তর্ক তুলে ধরবেন।
এরপর হবে সিদ্ধান্ত। তাতে তাসকিনের নিষেধাজ্ঞা উঠতে পারে, আবার নাও উঠতে পারে। বিসিবিরই এক কর্মকর্তার বক্তব্য, ‘এই পদ্ধতিতে মনে হয় না নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হবে। কারণ ইতিমধ্যেই বোলিং অ্যাকশনের যে রিপোর্টটি দেওয়া হয়েছে, আলোচনা হবে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে। এখানে সিদ্ধান্ত বদলানোর সম্ভাবনা কম।’ তবে তিনি আশাবাদী, বিসিবি সোচ্চার হওয়ায় মাস খানেকের মধ্যেই তাসকিন অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায় থেকে মুক্তি পাবেন। রিভিউতে বিসিবির দাবি প্রমাণ না হলে অবশ্য আবার অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েই ফিরতে হবে তাঁকে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তবুও আশাবাদী, রিভিউ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্যেই তাসকিনের ফেরা সম্ভব, ‘এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় একটা শুনানিতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে আমরা এখনই আশা ছাড়ছি না।’
এর আগে গতকাল বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান আইসিসির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে তাসকিনের বোলিংয়ের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানান। বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার প্রক্রিয়াগত বিভিন্ন ত্রুটি তুলে ধরে আইসিসিকে একটি মেইলও পাঠায় বিসিবি। বিসিবি আশাবাদী ছিল, আইনি পরামর্শকদের সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত জানাবে আইসিসি। কিন্তু এখন তাতে কার্যকর কিছু হওয়ার সম্ভাবনা কমই দেখছে তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বোর্ড কর্মকর্তা এর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘আইসিসির পরিবর্তিত নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষাতেও কোনো একটা ডেলিভারি সঠিক মনে না হলে অ্যাকশন অবৈধ ঘোষণা করা হতে পারে। আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশনে প্রায়ই বিভিন্ন সংশোধনী অন্তর্ভুক্ত হয়। হয়তো এই নিয়মটাও নতুন ঢুকেছে।’
রিভিউ চাওয়ার সিদ্ধান্তে মনে হচ্ছে, তাসকিনের ব্যাপারে গতকালের শক্ত অবস্থান থেকে কিছুটা হলেও সরে এসেছে বিসিবি। কারণ, বিসিবি চাচ্ছিল রিভিউ বা পুনর্বাসন ও পুনঃপরীক্ষার প্রথাগত পথে না গিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় অল্পসময়ের মধ্যেই সমস্যার ইতিবাচক সমাধান করতে।
কিন্তু রিভিউ প্রক্রিয়ায় খুব দ্রুত নিষেধাজ্ঞা ওঠার সম্ভাবনা কম। এই প্রক্রিয়ায় নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার কিছু না থাকলেও প্রথমে এক বা একাধিক শুনানি হবে। সেখানে দুই পক্ষ তাদের নিজেদের যুক্তি-তর্ক তুলে ধরবেন।
এরপর হবে সিদ্ধান্ত। তাতে তাসকিনের নিষেধাজ্ঞা উঠতে পারে, আবার নাও উঠতে পারে। বিসিবিরই এক কর্মকর্তার বক্তব্য, ‘এই পদ্ধতিতে মনে হয় না নতুন কোনো সিদ্ধান্ত হবে। কারণ ইতিমধ্যেই বোলিং অ্যাকশনের যে রিপোর্টটি দেওয়া হয়েছে, আলোচনা হবে সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে। এখানে সিদ্ধান্ত বদলানোর সম্ভাবনা কম।’ তবে তিনি আশাবাদী, বিসিবি সোচ্চার হওয়ায় মাস খানেকের মধ্যেই তাসকিন অবৈধ বোলিং অ্যাকশনের দায় থেকে মুক্তি পাবেন। রিভিউতে বিসিবির দাবি প্রমাণ না হলে অবশ্য আবার অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েই ফিরতে হবে তাঁকে।
প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তবুও আশাবাদী, রিভিউ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মধ্যেই তাসকিনের ফেরা সম্ভব, ‘এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় একটা শুনানিতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে আমরা এখনই আশা ছাড়ছি না।’

No comments:
Post a Comment