![]() |
| কার্ডিফের অনুপ্রেরণা নিয়ে বেঙ্গালুরুতে হাজির হবেন মাশরাফি -প্রথম আলো। |
অধিনায়ক
মাশরাফি বিন মুর্তজার আজ খুব করে মনে পড়বে ১১ বছর আগের কার্ডিফের সেই
দিনটি। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও এখনো পর্যন্ত একমাত্র
জয়ের সেই দিনটির জলজ্যান্ত সাক্ষী যে তিনিই।
বেঙ্গালুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ ‘বাঁচা-মরা’র লড়াই বাংলাদেশের। আর সেই দ্বৈরথে কার্ডিফ-কাব্যের অন্যতম রচয়িতা মাশরাফি বাংলাদেশ দলের প্রেরণার উৎস হয়েই থাকবেন।
২০০৫ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের স্বর্ণালী অধ্যায় হয়েই আছে। ওয়েলসের কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ন্যাটওয়েস্ট ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই বাংলাদেশ সেদিন তুলে নিয়েছিল অভাবনীয় এক জয়। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ম্যাথু হেইডেন, রিকি পন্টিং, গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পি, মাইকেল ক্লার্ক, মাইক হাসিদের নিয়ে গড়া সে সময়ের মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া সেদিন বাংলাদেশের তুলনামূলক অখ্যাত এক দলের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল অসহায় ভাবেই। অস্ট্রেলিয়ার ২৪৯ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শক্তিশালী বোলিং আক্রমণকে ছত্রখান করে দিয়ে বাংলাদেশ জয়টা তুলে নিয়েছিল ক্রিকেট দুনিয়াকে স্তব্ধ করে দিয়েই। মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরি জয়ের অনুষঙ্গ হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের ৪৭। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আফতাব আহমেদের ১৩ বলে ২১ জয়কে নিয়ে এসেছিল হাতের মুঠোয়। তবে তারও আগে তাপস বৈশ্য, মাশরাফি মুর্তজা আর নাজমুল হাসানদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশের পেস আক্রমণ অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ নাগালের মধ্যেই রেখেছিলেন। তাপস ৬৯ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। মাশরাফি ১০ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে নিয়েছিলেন অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ‘প্রাইস’ উইকেটটি। তাপস বিদায় করেছিলেন রিকি পন্টিং, ডেমিয়েন মার্টিন আর মাইকেল ক্লার্ককে। হেইডেন ছিলেন নাজমুলের শিকার।
অস্ট্রেলিয়াকে আর কখনোই হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। আজ বেঙ্গালুরুতে দুই দল যখন মাঠে নামবে, তখন মাশরাফির দিকে নিশ্চয়ই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা আলাদা নজরই দেবেন—তাঁরই যে একমাত্র অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের অভিজ্ঞতা আছে।
কার্ডিফের সেই ম্যাচের কোনো খেলোয়াড়ই আজকের অস্ট্রেলীয় দলে নেই। অবসরে চলে গেছেন সবাই। বাংলাদেশ দলও প্রবেশ করেছে নতুন যুগে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ‘হুইপিং বয়’ হিসেবে যে দলটির পরিচিতি ছিল, তারা এখন ক্রিকেট দুনিয়ার সমীহের পাত্র। মাশরাফি অধিনায়ক হয়ে এই দুই যুগের সেতুবন্ধন হয়েই যেন রয়েছেন। বেঙ্গালুরুতে আজকের এই ম্যাচে মাশরাফি যে বাংলাদেশের বড় অনুপ্রেরণা সেটা মনে করে অস্ট্রেলীয় দলও।
বেঙ্গালুরুতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ ‘বাঁচা-মরা’র লড়াই বাংলাদেশের। আর সেই দ্বৈরথে কার্ডিফ-কাব্যের অন্যতম রচয়িতা মাশরাফি বাংলাদেশ দলের প্রেরণার উৎস হয়েই থাকবেন।
২০০৫ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের স্বর্ণালী অধ্যায় হয়েই আছে। ওয়েলসের কার্ডিফে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ন্যাটওয়েস্ট ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেই বাংলাদেশ সেদিন তুলে নিয়েছিল অভাবনীয় এক জয়। অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, ম্যাথু হেইডেন, রিকি পন্টিং, গ্লেন ম্যাকগ্রা, জেসন গিলেস্পি, মাইকেল ক্লার্ক, মাইক হাসিদের নিয়ে গড়া সে সময়ের মহাপরাক্রমশালী অস্ট্রেলিয়া সেদিন বাংলাদেশের তুলনামূলক অখ্যাত এক দলের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল অসহায় ভাবেই। অস্ট্রেলিয়ার ২৪৯ রান তাড়া করতে নেমে দারুণ শক্তিশালী বোলিং আক্রমণকে ছত্রখান করে দিয়ে বাংলাদেশ জয়টা তুলে নিয়েছিল ক্রিকেট দুনিয়াকে স্তব্ধ করে দিয়েই। মোহাম্মদ আশরাফুলের সেঞ্চুরি জয়ের অনুষঙ্গ হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল অধিনায়ক হাবিবুল বাশারের ৪৭। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আফতাব আহমেদের ১৩ বলে ২১ জয়কে নিয়ে এসেছিল হাতের মুঠোয়। তবে তারও আগে তাপস বৈশ্য, মাশরাফি মুর্তজা আর নাজমুল হাসানদের নিয়ে গড়া বাংলাদেশের পেস আক্রমণ অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ নাগালের মধ্যেই রেখেছিলেন। তাপস ৬৯ রানে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। মাশরাফি ১০ ওভার বল করে ৩৩ রান দিয়ে নিয়েছিলেন অ্যাডাম গিলক্রিস্টের ‘প্রাইস’ উইকেটটি। তাপস বিদায় করেছিলেন রিকি পন্টিং, ডেমিয়েন মার্টিন আর মাইকেল ক্লার্ককে। হেইডেন ছিলেন নাজমুলের শিকার।
অস্ট্রেলিয়াকে আর কখনোই হারাতে পারেনি বাংলাদেশ। আজ বেঙ্গালুরুতে দুই দল যখন মাঠে নামবে, তখন মাশরাফির দিকে নিশ্চয়ই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটাররা আলাদা নজরই দেবেন—তাঁরই যে একমাত্র অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয়ের অভিজ্ঞতা আছে।
কার্ডিফের সেই ম্যাচের কোনো খেলোয়াড়ই আজকের অস্ট্রেলীয় দলে নেই। অবসরে চলে গেছেন সবাই। বাংলাদেশ দলও প্রবেশ করেছে নতুন যুগে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ‘হুইপিং বয়’ হিসেবে যে দলটির পরিচিতি ছিল, তারা এখন ক্রিকেট দুনিয়ার সমীহের পাত্র। মাশরাফি অধিনায়ক হয়ে এই দুই যুগের সেতুবন্ধন হয়েই যেন রয়েছেন। বেঙ্গালুরুতে আজকের এই ম্যাচে মাশরাফি যে বাংলাদেশের বড় অনুপ্রেরণা সেটা মনে করে অস্ট্রেলীয় দলও।

No comments:
Post a Comment