মানব
পাচার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থার পরিসংখ্যানের সমালোচনা করে জাতীয়
মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন,
আন্তর্জাতিক সংস্থা মানে ধোয়া তুলসি পাতা নয়। এর পেছনেও তাদের অনেক
দুরভিসন্ধি আছে। তাদের সব পরিসংখ্যানই সঠিক নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন,
এক্ষেত্রে যাচাই বাছাই করে সংবাদ প্রকাশ করতে গণমাধ্যমের দায়িত্বশীল ভূমিকা
পালন করতে হবে। কারণ তাদের প্রত্যেকটি কথাকে আমরা সত্য হিসেবে মেনে নিই।
গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে পলিসি লিগ্যাল এডভোকেসি ফর কমব্যাটিং
চাইল্ড ট্রাফিকিং-এর বার্ষিক জাতীয় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি
এসব কথা বলেন। পিসিটিএসসিএন আয়োজিত এই সম্মেলনে মানবাধিকার চেয়ারম্যান
বলেন, মানবপাচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত মাইগ্রেশন। এক্ষেত্রে রিক্রুটিং
এজেন্সিগুলো অনেক সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। ফলে মানবপাচারের ঘটনা ঘটে। ড.
মিজান মানবপাচার সংক্রান্ত মামলার দীর্ঘসূত্রতার কথা উল্লেখ করে বলেন, এ
ব্যাপারে রাষ্ট্র যাদের ওপর দায়িত্ব দিয়েছে তারা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আমার অভিজ্ঞতায় বলে, এই দেশে আদালত অবমাননার বিচার ছাড়া
কখনোই দ্রুত বিচার কার্যকর হয়নি। এখন যদি আমাকে আদালত অবমাননার মামলায়
অভিযুক্ত করা হয় তাহলে দেখবেন ৭ দিনের মধ্যে বিচারের রায় হচ্ছে। কিন্তু
অন্যগুলোর ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়। এক্ষেত্রে তিনি মানবপাচার
প্রতিরোধে কমিউনিটি ও নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে আয়োজকদের গৃহীত পদক্ষেপের
প্রশংসা করেন। ড. মিজান আয়োজকদের মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে একযোগে কাজ
করারও আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন
আইএনসিআইডিআইএন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক একেএম মাসুদ আলী।
দুই সেশনে বিভক্ত এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ জেলা জজ মালিক আবদুল্লাহ আল-আমিন, যুগ্ম সচিব ড. আমিনুল ইসলাম, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (স্পেশাল ক্রাইম) মো. জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, টিডিএইচ-নেদারল্যান্ডস্-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির প্রমুখ।
অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমাদের সামাজিক ব্যবস্থাপনায় আমরা শিশুদের সত্যিকার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছি। তিনি বলেন, পাচার রোধে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে অতটা সফলতা এখনও আসেনি বলে তিনি স্বীকার করেন। এ জন্য সবাইকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি। এ ব্যাপারে পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, তারা বিভিন্ন এনজিও সংস্থার সঙ্গেও কাজ করছেন। আগের থেকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য আগের তুলনায় সম্প্রতি এ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যাও বেড়েছে। তবে তিনি বলেন, এসব মামলায় যে পরিমাণ কনভিকশন হয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন মামলা চলাকালিন অনেক ভিকটিম টাকা নিয়ে ম্যানেজ হয়ে যান।
দুই সেশনে বিভক্ত এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্যেষ্ঠ জেলা জজ মালিক আবদুল্লাহ আল-আমিন, যুগ্ম সচিব ড. আমিনুল ইসলাম, পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (স্পেশাল ক্রাইম) মো. জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া, টিডিএইচ-নেদারল্যান্ডস্-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মাহমুদুল কবির প্রমুখ।
অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আমাদের সামাজিক ব্যবস্থাপনায় আমরা শিশুদের সত্যিকার অধিকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়েছি। তিনি বলেন, পাচার রোধে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। তবে অতটা সফলতা এখনও আসেনি বলে তিনি স্বীকার করেন। এ জন্য সবাইকে এগিয়ে আসারও আহ্বান জানান তিনি। এ ব্যাপারে পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরে অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, তারা বিভিন্ন এনজিও সংস্থার সঙ্গেও কাজ করছেন। আগের থেকে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ জন্য আগের তুলনায় সম্প্রতি এ সংক্রান্ত মামলার সংখ্যাও বেড়েছে। তবে তিনি বলেন, এসব মামলায় যে পরিমাণ কনভিকশন হয়েছে তা সন্তোষজনক নয়। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন মামলা চলাকালিন অনেক ভিকটিম টাকা নিয়ে ম্যানেজ হয়ে যান।

No comments:
Post a Comment