টানা
পাঁচ কার্যদিবস পর গতকাল মঙ্গলবার দেশের শেয়ারবাজারে সূচক সামান্য বেড়েছে।
তবে লেনদেনের তেমন উন্নতি হয়নি। দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক
এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৯ পয়েন্ট বেড়েছে। আর চট্টগ্রাম
স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সার্বিক সূচকটি বেড়েছে ৩৭ পয়েন্ট।
বাজার-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সূচক
ঊর্ধ্বমুখী রাখার চেষ্টা হয়েছে। সূচক যাতে কমে না যায় সে জন্য গতকাল
লেনদেনের শুরু থেকে হাতেগোনা কিছু প্রতিষ্ঠান বেশ সক্রিয় ছিল। যখন সূচক
নিচের দিকে নেমেছে, তখন ওই সব প্রতিষ্ঠান নির্দিষ্ট কিছু কোম্পানির শেয়ার
কিনে সেটাকে ইতিবাচক ধারায় ধরে রাখে। জানা গেছে, গতকাল সূচকের পতন ঠেকাতে
সক্রিয় ছিল রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ
(আইসিবি)। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক
কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এদিন তারা ১৫ কোটি টাকার শেয়ার
কিনেছে। এর বিপরীতে বিক্রি করেছে ৩ কোটি টাকার শেয়ার। এ ছাড়া প্রথম সারির
বেশ কয়েকটি ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকের কাছেও এমন বার্তা ছিল যাতে
শেয়ারের বিক্রির পরিমাণ কম থাকে। জানতে চাইলে ইকোনমিক রিসার্চ গ্রুপের
(ইআরজি) গবেষণা পরিচালক মোহাম্মদ হেলাল বলেন, টানা কয়েক দিনের দরপতনের পর
গতকাল কৃত্রিমভাবেই বাজারের সূচককে বাড়ানো হয়েছে। ঢাকার বাজারে গতকাল দিন
শেষে লেনদেনের পরিমাণ ছিল প্রায় ৩০৩ কোটি টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ৫ কোটি
টাকা বেশি। ডিএসইতে এদিন মোট ৩১৭টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৩১২
পয়েন্টে। চট্টগ্রামের বাজারে ২৩৫টি কোম্পানি ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়।
সিএসইর সার্বিক সূচকটি ৩৭ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩০৫ পয়েন্টে।
দিন শেষে চট্টগ্রামের বাজারে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২০ কোটি টাকা, যা আগের
দিনের চেয়ে ৪০ লাখ টাকার মতো বেশি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment