বসুন্ধরা
গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে তারেক
রহমানসহ কয়েকজনের ঘুষ নেয়ার মামলা চলবে বলে আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনের আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন।
বাকি তিন আবেদনকারী হলেন- চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল।
এদিকে আবেদন খারিজ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
তবে তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করব। আশা করি, আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাব।
তিনি আরো বলেন, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এফআইআরে তার নাম ছিল না।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির খুন হলে একটি হত্যা মামলা হয়।
ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় একটি মামলা করেন, যাতে তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।
২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল ওই ছয় আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এরপর মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমানসহ চারজন।
প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই বছরই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। এরপর ওই রুলের ওপর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আবেদনের শুনানি শেষে আজ ১৬ মার্চ আদেশ দেন আদালত।
বুধবার বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি মাহমুদুল হকের হাই কোর্ট বেঞ্চ বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ তিনজনের আবেদন খারিজ করে এ রায় দেন।
বাকি তিন আবেদনকারী হলেন- চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্ফুজ্জামান বাবর, বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক আবু সুফিয়ান ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল।
এদিকে আবেদন খারিজ হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে বিচারিক আদালতে মামলাটি চলতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।
তবে তারেক রহমানের আইনজীবী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে তারা সুপ্রিম কোর্টে আপিল করবেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করব। আশা করি, আমরা উচ্চ আদালতে ন্যায়বিচার পাব।
তিনি আরো বলেন, সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার এফআইআরে তার নাম ছিল না।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০০৬ সালের ৪ জুলাই বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক হুমায়ুন কবির সাব্বির খুন হলে একটি হত্যা মামলা হয়।
ওই হত্যাকাণ্ড ধামাচাপা দিতে ২১ কোটি টাকা ঘুষ নেয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ৪ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক আবুল কাসেম রমনা থানায় একটি মামলা করেন, যাতে তারেক রহমানসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।
২০০৮ সালের ২৩ এপ্রিল ওই ছয় আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০০৮ সালের ১৪ জুলাই জাতীয় সংসদ ভবনে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এরপর মামলা দায়ের ও অভিযোগ গঠনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেন তারেক রহমানসহ চারজন।
প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট ওই বছরই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে। এরপর ওই রুলের ওপর গত ১৬ ফেব্রুয়ারি আবেদনের শুনানি শেষে আজ ১৬ মার্চ আদেশ দেন আদালত।

No comments:
Post a Comment