বিএনপির
কেন্দ্রীয় কমিটির আকার আরও বড় হচ্ছে। জাতীয় কাউন্সিলের আগে গতকাল
বৃহস্পতিবার রাতে দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটি
কেন্দ্রীয় কমিটির আকার বড় করার কিছু প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। কাল
শনিবার কাউন্সিলে চূড়ান্ত অনুমোদনের পর তা গঠনতন্ত্রে যুক্ত হবে।
অবশ্য শেষ পর্যন্ত বিএনপির কমিটি কত সদস্যের হবে, তা গতকাল পর্যন্ত পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। দলটির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কত সদস্যের হবে, তা চূড়ান্তভাবে বলা মুশকিল। তবে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের আলোচনায় বোঝা গেছে, এবার ‘ঢাউস’ কমিটি হবে। ওই সদস্য বলেন, আগামীকালের কাউন্সিলে কমিটি ঘোষণা দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। পূর্ণাঙ্গ নতুন কমিটি গঠন করতে এক মাসের বেশি সময় লাগতে পারে। কাল খুব বেশি হলে মহাসচিব পদে মনোনীত নেতার নাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে সেটিও যাতে না হয়, এ জন্য একটি পক্ষ সক্রিয় আছে।
বিএনপির বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলটির বর্তমান জাতীয় নির্বাহী কমিটি ৩৫১ সদস্যের। এর বাইরে দলের চেয়ারপারসন চাইলে ৩৫১ এর ১০ শতাংশ বাড়াতে পারেন। বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, এবারের কাউন্সিল সামনে রেখে গঠনতন্ত্রে দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে জানান, এসব প্রস্তাব নিয়ে গতকালের বৈঠকে আলোচনা ও কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান ১৭ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ জন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আছেন ছয়জন করে। তা বাড়িয়ে ৮ থেকে ১১ জন করে করা হতে পারে। নির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যাও বাড়বে। তবে স্থায়ী কমিটি ও যুগ্ম মহাসচিব পদে বর্তমান সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। এর বাইরে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণও বিএনপির গঠনতন্ত্রে যুক্ত হচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ-বিষয়ক একটি সম্পাদক বা এ বিষয়ক একটি উপকমিটি সৃষ্টি করা হবে। গবেষণার জন্যও গঠন করা হবে আলাদা উপকমিটি।
আওয়ামী লীগের আদলে বিএনপিতেও এবার বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করা ও ‘এক নেতার এক পদ’ নীতিতে যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্র জানায়, বিএনপির একটি অংশ দলে অতিরিক্ত মহাসচিব পদ সৃষ্টির জন্য সক্রিয় ছিল। কিন্তু গতকালের বৈঠকে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির ১৯ জন ও চেয়ারপারসনের ৩৫ জন উপদেষ্টা মিলিয়ে এখনই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোট ৪৩৭ জন। নতুন করে ভাইস চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য পদে সংখ্যা বাড়ালে তা এমনিতেই ৫০০ ছাড়িয়ে যাবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি। এসব কমিটির সদস্য কত হবে তা এখনো চূড়ান্ত নয়। দলের গঠনতন্ত্রে এখনো বিষয়ভিত্তিক কমিটি করার বিধান আছে। এখানে দলের সদস্যের বাইরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদেরও কমিটিতে রাখার বিধান আছে। এত দিন এটি কার্যকর ছিল না। এবার বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি করবে বিএনপি।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির কমিটির আকার কেমন হবে তা নির্ধারণ করার অধিকার কাউন্সিলরদের। কাল জাতীয় কাউন্সিলে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠনের বিষয়টি এখনো গঠনতন্ত্রে আছে। জিয়াউর রহমানের সময় এটি অনুসরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে এটি আর সেভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
এখনো এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত না হওয়ায় বা কাউন্সিলে না ওঠায় এটি নিয়ে দলের নেতাদের অনেকে উদ্ধৃত হয়ে কথা বলতে রাজি হননি। দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি মনে করেন, বিএনপির বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিই আকারে বেশ বড়। এর আকার আরও বাড়ানো হলে নেতা বাড়বে। কিন্তু কাজ কতটুকু হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ বড় কমিটি হলে চাইলেই বৈঠক করা সম্ভব হয় না।
সূত্র জানায়, বিএনপি মনে করছে এখন তাদের দুঃসময় চলছে। এ অবস্থায় কম-বেশি সবাইকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যাতে নতুন করে কমিটি করার পর দলে অসন্তোষ বা ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি না হয়। এ কারণেই মূলত কমিটির আকার বড় করা হচ্ছে। একই ধরনের চিন্তা থেকে গত মাসে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলেরও বিশাল আকারের কমিটি অনুমোদন দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় কমিটি ১৫১ সদস্যের, কিন্তু এবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ৭৩৬ জন।
অবশ্য শেষ পর্যন্ত বিএনপির কমিটি কত সদস্যের হবে, তা গতকাল পর্যন্ত পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি। দলটির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটি কত সদস্যের হবে, তা চূড়ান্তভাবে বলা মুশকিল। তবে গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থায়ী কমিটির বৈঠকের আলোচনায় বোঝা গেছে, এবার ‘ঢাউস’ কমিটি হবে। ওই সদস্য বলেন, আগামীকালের কাউন্সিলে কমিটি ঘোষণা দেওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। পূর্ণাঙ্গ নতুন কমিটি গঠন করতে এক মাসের বেশি সময় লাগতে পারে। কাল খুব বেশি হলে মহাসচিব পদে মনোনীত নেতার নাম ঘোষণা করা হতে পারে। তবে সেটিও যাতে না হয়, এ জন্য একটি পক্ষ সক্রিয় আছে।
বিএনপির বর্তমান গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, দলটির বর্তমান জাতীয় নির্বাহী কমিটি ৩৫১ সদস্যের। এর বাইরে দলের চেয়ারপারসন চাইলে ৩৫১ এর ১০ শতাংশ বাড়াতে পারেন। বিএনপির সূত্রে জানা গেছে, এবারের কাউন্সিল সামনে রেখে গঠনতন্ত্রে দলের স্থায়ী কমিটি, ভাইস চেয়ারম্যান, যুগ্ম মহাসচিব, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে প্রস্তাব করা হয়।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য প্রথম আলোকে জানান, এসব প্রস্তাব নিয়ে গতকালের বৈঠকে আলোচনা ও কিছু সিদ্ধান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ভাইস চেয়ারম্যান ১৭ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ জন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ছাড়া সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদকের সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখন সাংগঠনিক ও সহসাংগঠনিক সম্পাদক আছেন ছয়জন করে। তা বাড়িয়ে ৮ থেকে ১১ জন করে করা হতে পারে। নির্বাহী কমিটির সদস্যসংখ্যাও বাড়বে। তবে স্থায়ী কমিটি ও যুগ্ম মহাসচিব পদে বর্তমান সংখ্যায় কোনো পরিবর্তন আসছে না। এর বাইরে নোবেল বিজয়ী বাংলাদেশি অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণও বিএনপির গঠনতন্ত্রে যুক্ত হচ্ছে। ক্ষুদ্রঋণ-বিষয়ক একটি সম্পাদক বা এ বিষয়ক একটি উপকমিটি সৃষ্টি করা হবে। গবেষণার জন্যও গঠন করা হবে আলাদা উপকমিটি।
আওয়ামী লীগের আদলে বিএনপিতেও এবার বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠন করা ও ‘এক নেতার এক পদ’ নীতিতে যাওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্র জানায়, বিএনপির একটি অংশ দলে অতিরিক্ত মহাসচিব পদ সৃষ্টির জন্য সক্রিয় ছিল। কিন্তু গতকালের বৈঠকে এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
সূত্র জানায়, বিএনপির স্থায়ী কমিটির ১৯ জন ও চেয়ারপারসনের ৩৫ জন উপদেষ্টা মিলিয়ে এখনই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোট ৪৩৭ জন। নতুন করে ভাইস চেয়ারম্যান, সাংগঠনিক সম্পাদক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য পদে সংখ্যা বাড়ালে তা এমনিতেই ৫০০ ছাড়িয়ে যাবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি। এসব কমিটির সদস্য কত হবে তা এখনো চূড়ান্ত নয়। দলের গঠনতন্ত্রে এখনো বিষয়ভিত্তিক কমিটি করার বিধান আছে। এখানে দলের সদস্যের বাইরে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞদেরও কমিটিতে রাখার বিধান আছে। এত দিন এটি কার্যকর ছিল না। এবার বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি করবে বিএনপি।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপির কমিটির আকার কেমন হবে তা নির্ধারণ করার অধিকার কাউন্সিলরদের। কাল জাতীয় কাউন্সিলে তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নেবেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়ভিত্তিক উপকমিটি গঠনের বিষয়টি এখনো গঠনতন্ত্রে আছে। জিয়াউর রহমানের সময় এটি অনুসরণ করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে এটি আর সেভাবে অনুসরণ করা হয়নি।
এখনো এই সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত না হওয়ায় বা কাউন্সিলে না ওঠায় এটি নিয়ে দলের নেতাদের অনেকে উদ্ধৃত হয়ে কথা বলতে রাজি হননি। দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, তিনি মনে করেন, বিএনপির বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটিই আকারে বেশ বড়। এর আকার আরও বাড়ানো হলে নেতা বাড়বে। কিন্তু কাজ কতটুকু হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। কারণ বড় কমিটি হলে চাইলেই বৈঠক করা সম্ভব হয় না।
সূত্র জানায়, বিএনপি মনে করছে এখন তাদের দুঃসময় চলছে। এ অবস্থায় কম-বেশি সবাইকে মূল্যায়ন করা জরুরি। যাতে নতুন করে কমিটি করার পর দলে অসন্তোষ বা ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি না হয়। এ কারণেই মূলত কমিটির আকার বড় করা হচ্ছে। একই ধরনের চিন্তা থেকে গত মাসে বিএনপির সহযোগী সংগঠন ছাত্রদলেরও বিশাল আকারের কমিটি অনুমোদন দিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ছাত্রদলের খসড়া গঠনতন্ত্রে কেন্দ্রীয় কমিটি ১৫১ সদস্যের, কিন্তু এবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন ৭৩৬ জন।

No comments:
Post a Comment