বাংলাদেশ
ব্যাংকের ঘটনায় কেবল ৮০০ কোটি টাকাই নয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের
স্বায়ত্তশাসনকে দীর্ঘ মেয়াদে আরও বেশি ক্ষতির দিকে ঠেলে দেবে কি না, সেটাই
এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। যদিও যে অঘটন ঘটে গেছে, তার সঙ্গে
স্বায়ত্তশাসনের সরাসরি সম্পর্ক আলগা, কিন্তু সে অঘটনের পরে যা ঘটছে, তাতে
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসনের দিকে আমাদের নজর দিতে হবে। অধ্যাপক
ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, যিনি অর্ধডজন গভর্নরের মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের
পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন, তিনি ১৭ মার্চ আমাকে বলেন, ‘কোনো অজুহাতেই
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বায়ত্তশাসন ক্ষুণ্ন করা ঠিক হবে না। বরং কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের ভেতরে স্বায়ত্তশাসন অক্ষুণ্ন রেখেই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জবাবদিহি,
দক্ষতা ও নজরদারি কী করে আরও শক্তিশালী করা যায়, সেটাই অগ্রাধিকার পাওয়া
উচিত।’ নবনিযুক্ত গভর্নরকে অভিনন্দন জানাই। কিন্তু তাঁর কার্যপরিধি ও তাঁর
উত্তরসূরি নিয়োগের প্রক্রিয়া কী হবে, সে বিষয়ে প্রশ্ন খুবই জরুরি।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment